Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ

দেবী চৌধুরানী এবং ভবানী পাঠকের মিথ আঁকড়ে তৈরি হচ্ছে শিকারপুর

সংগ্রাম সিংহরায়
  • শিলিগুড়ি,
  • 20 Jun 2021,
  • Updated 6:26 AM IST
  • 1/10

বছর তিনেক পূর্বে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের শিকারপুর চা বাগানের ভিতরে অবস্থিত ঐতিহাসিক দেবী চৌধুরাণী ও ভবানী পাঠকের মন্দির।

  • 2/10

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তড়িঘড়ি ইতিহাস ও কিংবদন্তী মিশ্রিত মন্দিরটির পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেন। 

  • 3/10

সেই সুবাদে তার নির্দেশে স্থানীয় বিধায়ক শ্রী খগেশ্বর রায়, পর্যটন দপ্তরের ডেপুটি ডাইরেক্টর এবং বন দপ্তরের ডি এফ ও -র উপস্থিতিতে

  • 4/10

রবিবার মন্দিরের পুনর্নির্মানের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করতে যান তৃণমূল নেতা ও অঘোষিত মন্ত্রী গৌতম দেব ।

  • 5/10

উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তবে মেন্টর হিসেবে গৌতম দেবই শেষ কথা তা এদিন ফের বোঝা গিয়েছে। 

  • 6/10

এদিন খগেশ্বরবাবু বারবার গৌতমবাবুকে কাজের অগ্রগতি বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। তাতে ছবিটা আরও পরিষ্কার হয়।

  • 7/10

অবশ্য এই কাজ শুরুর সময় উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৎকালীন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। সেই সুত্রে তিনি শাসকদলের প্রতিনিধি হিসেবে এদিন এলাকা পরিদর্শন করেন।

  • 8/10

যদিও গৌতমবাবু দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে এসেছেন। কাজগুলি খতিয়ে দেখে পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জানাবেন বলে জানান।

  • 9/10

কৃষ্ণনগরের শিল্পীরা মূর্তি তৈরির কাজ করছিলেন। লক ডাউনের কারণে তাঁরা ফিরে গিয়েছেন। তার বদলে জলপাইগুড়ির শিল্পীদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। মোট প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা।

  • 10/10

ঐতিহ্য ধরে রেখে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এই এলাকাকে বাড়তি জোর দিয়ে সৌন্দর্যায়ন করে দেওয়া হচ্ছে। বসার জায়গা, শৌচাগার তৈরি করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে আনন্দমঠের ভবানী পাঠক ও দেবী চৌধুরানীর মিথকে ধরে রাখতে মরিয়া তাঁরা।

Advertisement
Advertisement