Advertisement

বিশ্ব

Hormuz Blockade and India Impact: হরমুজ ব্লক করার পথে আমেরিকা, ভারতে LPG সঙ্কট বাড়তে পারে? তেলের কী হবে? যা জানা জরুরি

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 13 Apr 2026,
  • Updated 2:47 PM IST
  • 1/11

ভারতে অশোধিত তেল ও LPG গ্যাস সাপ্লাই নিয়ে ফের চিন্তার ভাঁজ। হরমুজকে নৌসেনা সেনা ঘিরে বন্ধ করে দেওয়ার প্ল্যান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত ইরানের জাহাজগুলিও আটকে দেওয়ার ছক আমেরিকার। কারণ, ইসলামাবাদে তেহরান ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। 
 

  • 2/11

সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হরমুজ? আমেরিকার বক্তব্য, সম্পূর্ণ ব্লক করে দেওয়া হবে না হরমুজ প্রণালী। শুধুমাত্র ইরানের বন্দরে যে জাহাজগুলি ঢুকবে বা বেরোবে, সেগুলিকে রুখে দেবে আমেরিকা। বাকি বাণিজ্যিক জাহাজগুলি আটকানো হবে না। ভারতে এমনিতেই এলপিজি সঙ্কট চলছে, তার উপর আমেরিকার হুমকির জেরে নতুন করে সঙ্কট গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

  • 3/11

অবশ্য ইরানের থেকে ভারত ২০১৯ সাল থেকেই খুব পরিমাণ অশোধিত তেল কিনছিল। কারণ, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জের। কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছর পরে কিছু সপ্তাহ আগে ইরান থেকে ফের অশোধিত তেল কেনা শুরু করেছে ভারত। ইরাক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপর ভীষণ ভাবেই নির্ভরশীল ভারত তেলের বিষয়ে। এবং হরমুজ প্রণালী হয়েই ভারতের তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ জাহাজ যাতায়াত করে। 
 

  • 4/11

তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধের মধ্যেও ভারতের কার্গো জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। ইরান অনুমতি দিয়েছে ভারতকে। ভারতের মতো চিন, পাকিস্তানও একই ভাবে ছাড় পেয়েছে ইরানের কাছে।  
 

  • 5/11

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের প্রস্তাবিত নৌ-অবরোধ কার্যকর করার দিকে এগিয়ে যায়, তবে ইরান ভারত সহ কিছু দেশকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার বর্তমান নীতি বজায় রাখবে কি না, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্টতা নেই। এই পরিস্থিতির প্রভাব ইতিমধ্যেই বিশ্ব জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। উত্তেজনার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী এই অঞ্চলে সম্ভাব্য সরবরাহ ঝুঁকির প্রতিফলন।

  • 6/11

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ট্রানজিট পয়েন্ট, যা বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। এই সরু জলপথে যাতায়াতে সামান্য ব্যাঘাত ঘটলেও তা বিশ্বজুড়ে তেলের দাম এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।
 

  • 7/11

ভারতের জন্য সবচেয়ে জরুরি উদ্বেগের বিষয় হল এলপিজি (LPG) সরবরাহ। সরকারি তথ্য অনুসারে, ভারতে রান্নার গ্যাসের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করা হয়, যার সিংহভাগ আসে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে এবং তা হরমুজ প্রণালী হয়েই ভারতে পৌঁছয়।

  • 8/11

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে রেস্তোরাঁ এবং ছোট ব্যবসার মতো বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য এলপিজি সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, কারণ সাধারণ পরিবার বা ঘরোয়া ব্যবহারকারীদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, অনেক পরিবার ঘরোয়া সিলিন্ডার সরবরাহে বিলম্বের কথা জানিয়েছে। 'ইন্ডিয়া টুডে টিভি'-র একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সঙ্কটের ফলে অনেক এলাকা থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা চলে যেতে শুরু করেছেন।
 

  • 9/11

অশোধিত তেলের ক্ষেত্রে, ভারত বিভিন্ন দেশ থেকে তেল কেনায় তাৎক্ষণিক সরবরাহের ঘাটতির ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে ভারতের আমদানির একটি বড় অংশ এখনও পারস্য উপসাগরীয় প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল, যার ফলে হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে তেলের দামের প্রতি ভারত অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের আমদানি বিল, টাকার দাম এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
 

  • 10/11

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং নীতি-নির্ধারকরা পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন। বিশেষ করে জাহাজ চলাচলের ধরনে কোনও পরিবর্তন বা এই অঞ্চলে নতুন কোনও উত্তেজনা তৈরি হয় কি না, যা প্রণালীর মধ্য দিয়ে সরবরাহকে ব্যাহত করতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভারতের জন্য এই মুহূর্তে বড় ঝুঁকি ইরানের তেল পাওয়া নয়, বরং সেই গুরুত্বপূর্ণ পথটির স্থিতিশীলতা বজায় থাকা, যেখান দিয়ে তার জ্বালানি আমদানির একটি বড় অংশ আসে।

  • 11/11

আপাতত ট্যাঙ্কার চলাচল অব্যাহত রয়েছে এবং সরবরাহ স্থিতিশীল আছে। তবে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মার্কিন অবরোধ শুরুর মুখে পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজার এবং ভারতের আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

Advertisement
Advertisement