Advertisement

বিশ্ব

Iran Israel US War: যুদ্ধ তো হচ্ছে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা, ইজরায়েলের, দুবাই সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে কেন হামলা চলছে?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 03 Mar 2026,
  • Updated 10:57 AM IST
  • 1/9

৪ দিন হয়ে গেল ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ চলছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ১০টি দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। লাগাতার হামলা চলছে, কুয়েত, দুবাই, বাহরিন, ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে। এখন প্রশ্ন হল, যুদ্ধ যখন তিন দেশের মধ্যে চলছে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের ৯টি দেশে কেন হামলা চালানো হচ্ছে। 
 

  • 2/9

আসলে তেহরানের স্ট্র্যাটেজি হল, এই ভাবে লাগাতার হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির সরকারগুলিকে ঘুরিয়ে চাপ দেওয়া। যাতে এই সরকারগুলি ওয়াশিংটনের কাছে আর্জি জানায়, যুদ্ধ থামানোর জন্য। মধ্যপ্রাচ্যের কম করে ৯টি দেশে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। 
 

  • 3/9

মূলত সেই সব ঘাঁটিগুলিকেই টার্গেট করেছে ইরান। এছাড়াও গাল্ফ দেশগুলির অর্থনীতিতেও চাপ ফেলার কৌশল নিয়েছে ইরান। যাতে নিজেদের অর্থনীতি বাঁচাতে এরা সবাই মিলে যুদ্ধ থামাতে বা হামলা থামানোর জন্য হোয়াইট হাউসের কাছে আবেদন জানায়।
 

  • 4/9

কুয়েত, কাতার ও বাহরিনের বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও সামরিক ঘাঁটির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ইরান বাণিজ্য, ভ্রমণ ও বিনিয়োগে বিঘ্ন ঘটানোর ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে এক ধরনের অর্থনৈতিক অচলাবস্থার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
 

  • 5/9

Gulf Cooperation Council (জিসিসি)-এর সদস্য বাহরিন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ভৌগোলিকভাবে ইরানের কাছে অবস্থিত এবং অনেক দেশেই মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে তারা কৌশলগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে আছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কেন্দ্র, ইরানি হামলার পর সেখানকার শেয়ারবাজার টানা দু দিন বন্ধ রাখতে হয়েছে।
 

  • 6/9

এছাড়া সৌদি আরবের Ras Tanura refinery-এ ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। ওমান জানিয়েছে, মাস্কাট উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা হয়েছে। কাতারও দাবি করেছে, তাদের শিল্পনগরী Ras Laffan-এর জ্বালানি কেন্দ্রগুলি ড্রোনের টার্গেটে এসেছে।

  • 7/9

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের কৌশল স্পষ্ট, অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে উপসাগরীয় দেশগুলিকে আমেরিকার ওপর প্রভাব খাটাতে বাধ্য করা, যাতে তারা সংঘাত থেকে সরে এসে আলোচনার পথ খোলে।
 

  • 8/9

তবে এই কৌশলে বড় ঝুঁকিও রয়েছে। ইরানের নির্বিচার হামলা উপসাগরীয় দেশগুলিকে বরং আমেরিকা ও ইজরায়েলের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে।
 

  • 9/9

জিসিসি দেশগুলি শুধু ইরানের হামলার নিন্দাই জানায়নি, তারা রাষ্ট্রঙ্ঘের সনদের আওতায় আত্মরক্ষা ও সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকারও জোর দিয়ে তুলে ধরেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে এক জটিল ‘ক্যাট অ্যান্ড মাউস’ খেলা চলছে। শেষ পর্যন্ত ইরানের ধৈর্য নাকি উপসাগরীয় দেশগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা, কোনটি আগে ভাঙবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement