scorecardresearch
 

Durga Puja 2021 : চিঠি-স্মৃতি ঘিরে ধরেছে অরবিন্দ সেতুর দুর্গাপুজো মণ্ডপ

Durga Puja 2021: গত কয়েক বছরে সত্যিই থিমের মাধ্যমে একে অপরকে সবাই টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কেউই যে কারও থেকে পিছিয়ে নেই! কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে হাজির হলেই বোঝা যায়।

অরবিন্দ সেতু সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমা এবং মণ্ডপ অরবিন্দ সেতু সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমা এবং মণ্ডপ
হাইলাইটস
  • কলকাতার বিভিন্ন দুর্গাপুজো যেভাবে সেজে ওঠে, তার সত্যিই অভিনব
  • বিষয়ে এত বৈচিত্র্য, শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি, নান্দনিক দৃষ্টিকোণ থাকে, তার দিকে তাকিয়ে তাক লেগে যেতে হয়
  • দীর্ঘদিনের ভাবনা প্রতিফলিত হয় এক একটি মণ্ডপে

কলকাতার বিভিন্ন দুর্গাপুজো যেভাবে সেজে ওঠে, তার সত্যিই অভিনব। বিষয়ে এত বৈচিত্র্য, শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি, নান্দনিক দৃষ্টিকোণ থাকে, তার দিকে তাকিয়ে তাক লেগে যেতে হয়। দীর্ঘদিনের ভাবনা প্রতিফলিত হয় এক একটি মণ্ডপে। শিল্পীদের কল্পনা, উদ্যোক্তাদের আন্তরিকতা মিলেমিশে গড়ে ওঠে এক অন্য আবহ।

ঘরে বসে বিশ্বভ্রমণ
কলকাতার পুজো দেখা মানে বিশ্বভ্রমণ। এ কথা বললে কেউ আপত্তি করবেন না। কোথাও লোকসংস্কৃতি তুলে ধরা, তো কোথাও সাম্প্রতিক কালের কোনও ঘটনা। আধুনিকতার এবং চিরাচরিত সপব জিনিসের মেলবন্ধন হিসেবে ফুটে ওঠে কলকাতার দুর্গাপুজোয়। 

থিমের চমক
গত কয়েক বছরে সত্যিই থিমের মাধ্যমে একে অপরকে সবাই টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কেউই যে কারও থেকে পিছিয়ে নেই! কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে হাজির হলেই বোঝা যায়। তেমনই ছবি অরবিন্দু সেতু সর্বজনীন (Aurobinda Setu Sarbojonin)-এর পুজোয়। এ বছর তাদের পুজো ৪৫ বছরে পড়ল বিষয়ে পাবনা ডাক। 

ডাক-যোগ
ভারতীয় ডাক ব্যবস্থা বিশ্বের নজির। এত বড় নেটওয়ার্ক আর কারও আছে কিনা প্রশ্ন। দেশের প্রান্তিক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে ডাক পরিষেবা। ইন্টারনেটের কারণে অনেকাংশে ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু তার যে নেটওয়ার্ক তা এখনও অতুলনীয়।

বলা হয়, এমন পরিষেবা দেয়, অন্য এহেন অনেক সংস্থা ভারতীয় ডাক পরিষেবাকে কাজে লাগায়! আর তারপর তারা দিব্যি রয়েছে। ডাকের এই ভূমিকা তার গুরুত্ব নিজেদের পুজোয় তুলে ধরেছে অরবিন্দ সেতু পুজো কমিটি (Aurobinda Setu Sarbojonin)। মণ্ডপ রূপায়ণের শিল্পী রাজু সূত্রধর, আবহসংগীত তৈরি করেছেন ক্যাকটাসের সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। প্রতিমা শিল্পী গোপাল পাল। 

চিঠি-স্মৃতি
সেখানে ফিরে ফিরে এসেছে চিঠি লেখা এবং চিঠি পড়ার মতো স্মৃতিকাতর বিষয়। ধরা হয়েছে রানারের কথা। সে কী করে ছুটে ছুটে ডাক চিঠি পৌঁছে দিত, উঠে এসেছে তাদের পুজোয়।

এই প্রজন্ম যেন ভুলতে বসেছে চিঠি লেখা। চিঠির ভাষা এক লুপ্ত সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এই প্রজন্মের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা চিঠে লেখে না। সারাদিন শেষ কেউ খাতা পেন নিয়ে বসে চিঠি লিখতে?

ছেলে গিয়েছে দূর দেশে। সারাদিন শেষ বাড়ি ফিরে মা-বাবাকে চিঠি লিখত। মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাবা মেয়ের খোঁজ নিতে লিখতে বসলেন চিঠি।

ডাকবাক্স অপেক্ষায় রয়েছে চিঠির। সেখানে আর চিঠি পড়ে না। ডাকটিকিট সংগ্রক করা এক অভ্যাস, শখ। তা-ও ধাক্কা খেয়েছে। সেই পুরনো দুনিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে অরবিন্দ সেতু (Aurobinda Setu Sarbojonin)-র পুজো। প্রতিমায় ডাকটিকিটের ছাপ। বাংলার বিশিষ্টদের লেখা চিঠি রাখা হয়েছে সেখানে।