Advertisement

Bhabanipur Mamata Banerjee: ভবানীপুরে প্রায় ৪৭ হাজার নাম বাদ, মমতার কাছে চ্যালেঞ্জ? BJP, TMC যা বলছে...

রাজ্য রাজনীতির হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর। এই কেন্দ্র থেকে জিতেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সারা বাংলার নজর থাকে এই বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে। আর SIR ফাইনাল লিস্ট বেরনোর পর সেই কেন্দ্রে থেকেই ৪৭১১২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তারপর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল BJP দাবি করতে শুরু করেছে যে এবারের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'খেলা শেষ'। এই সিটে তাঁর আর জেতা হল না। যদিও এর পাল্টা দিতে ছাড়েনি ঘাসফুল। তাঁরা জোর গলায় দাবি করেছে যে, যতই নাম বাদ দেওয়া হোক না কেন, এই কেন্দ্র থেকে জিতবে তৃণমূলই। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সায়ন নস্কর
  • কলকাতা,
  • 02 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:37 AM IST
  • রাজ্য রাজনীতির হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর
  • এই কেন্দ্র থেকে জিতেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • SIR ফাইনাল লিস্ট বেরনোর পর সেই কেন্দ্রে থেকেই ৪৭১১২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে

রাজ্য রাজনীতির হাই প্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুর। এই কেন্দ্র থেকে জিতেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সারা বাংলার নজর থাকে এই বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে। আর SIR ফাইনাল লিস্ট বেরনোর পর সেই কেন্দ্রে থেকেই ৪৭১১২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তারপর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল BJP দাবি করতে শুরু করেছে যে এবারের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'খেলা শেষ'। এই সিটে তাঁর আর জেতা হল না। যদিও এর পাল্টা দিতে ছাড়েনি ঘাসফুল। তাঁরা জোর গলায় দাবি করেছে যে, যতই নাম বাদ দেওয়া হোক না কেন, এই কেন্দ্র থেকে জিতবে তৃণমূলই। 

তবে যে পক্ষ যাই দাবি করুক না কেন, আমাদের কাজ ভোট অঙ্কটা একবার দেখে নেওয়ার। তাহলেই চিত্রটা কিছুটা হলেও পরিষ্কার হয়ে যাবে। 

ফিরে যাওয়া যাক...
ফ্ল্যাশব্যাকে যদি পরিবর্তনের ২০১১ সালে ফিরে যাওয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে সেই ভোটে প্রায় ৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন তৃণমূলের সুব্রত বক্সী। তবে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সুব্রত পদত্যাগ করেন। এই সিটে হয় উপনির্বাচন। দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জেতেন প্রায় ৭৩ হাজার ভোটে। সেই শুরু। এরপর তৃণমূলকে নিরাশ করেনি এই কেন্দ্র। ২০১৬ সালেও এই কেন্দ্রে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রায় ৬৫ হাজার ভোটে জেতেন। 

এরপর আসে ২০২১। সেই ভোটে প্রথমে নন্দীগ্রামে দাঁড়ান মমতা। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর সেই ভবনীপুরেই ফিরে আসেন মমতা। তিনি ৮৫ হাজারের বেশি ভোটে জেতেন। ভোটের শতাংশের বিচারে তৃণমূল পায় ৭১.৯৬ শতাংশ। আর সেই সিটেই SIR-এর ফাইনাল লিস্ট বেরনোর পর ৪৭ হাজার মানুষের নাম বাদ যাওয়ার খবর সামনে আসছে। 

এমন পরিস্থিতিতে যদি সহজ পাটিগণিতের অঙ্গে দেখা যায়, তাহলে ৪৭০০০ হাজার নাম বাদ যাওয়ার পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে অনেকটাই এগিয়ে থাকতে পারেন (২০২১ সালের হিসেবে)। তাই বিজেপির পক্ষে এই কেন্দ্রে মমতাকে হারান যে খুব একটা সহজ হবে না, সেটা মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

Advertisement

যদিও তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর বিষয়ে বদ্ধপরিকর বিজেপি। দলের যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, 'মানুষ তৃণমূলের উপর বিরক্ত। তাই ভবানীপুর থেকে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, সব জায়গাতেই বিজেপির জয় হবে। সাধারণ মানুষ এই দুর্নীতিবাজ সরকারকে চায় না।' যদিও তিনি SIR-এ নাম বাদ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর কথায়, 'SIR নির্বাচন কমিশন করে। এটা আগেও হয়েছে। এবার কিছুটা পরে হয়েছে। এই নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।'

তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার আবার এত নাম বাদ যাওয়ার তত্ত্ব মানতে চাননি। তাঁর কথায়, 'কত নাম বাদ গিয়েছে পরিষ্কার নয়। কোনও মন্তব্য করব না।'

তবে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাইনে এটাও জানিয়েছেন যে, যতই নাম বাদ দিক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জিতবেন।

এখন দেখার কার দাবি ঠিক হয়। এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি বিজেপি শেষ হাসি হাসে। তবে তার জন্য কিছুটা সময় আপেক্ষা করতে হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement