Advertisement

Mamata Banerjee: 'ব্যাকডোর দিয়ে খেলছেন কেন, সামনা সামনি খেলুন,' ECI-এর বিজ্ঞপ্তিতে BJP-র সিম্বল নিয়ে তোপ মমতার

নির্বাচন কমিশনের একটি বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গিয়েছে BJP-র সিম্বল। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে গিয়েছে। সরাসরি তিনি নিশানা করেছেন কমিশনের বিরুদ্ধে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Mar 2026,
  • अपडेटेड 2:17 PM IST
  • 'ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে গিয়েছে'
  • কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে BJP-র সিম্বল
  • সরাসরি নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

'ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে পড়েছে।' নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে BJP-র সিম্বল নিয়ে বিতর্কের মাঝেই সরাসরি তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাওয়ার আগে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একটি সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনের কাটিং দেখিয়ে মমতা বলেন, 'কথায় আছে না, ঠাকুর ঘরে কে আমি তো কলা খাইনি। নাও দ্য ক্যাট ইজ আউট অফ দ্য ব্যাগ। এই দেখুন নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে BJP-র স্ট্যাম্প।'

সরাসরি কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, 'ব্যাকডোর দিয়ে খেলছেন কেন, সামনা সামনি খেলুন।' তবে এটাই প্রথম নয় এর আগেও তিনি একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, BJP-র অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। এদিন আরও একটু সুর চড়িয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, 'এই নির্বাচন কমিশন যে নিরপক্ষ নয়, তার প্রমাণ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে BJP-র ভোটের সিম্বল। তাহলে কার ইশারায় চলছে, বুঝতেই পারছেন। নন্দীগ্রামের BDO চলে আসছে ভবানীপুরে, কারণ গদ্দারের নিজের লোক বলে। ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে চেঞ্জ করা হয়েছে। এর আগে চিফ সেক্রেটারি, হোম সেক্রেটারি, DG, CP সহ প্রায় ৬০ জনকে অন্য রাজ্যে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয়েছে।' 

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের এই ভাইরাল হওয়া চিঠিটি ২০১৯ সালের। দিল্লির মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তর থেকে সেই চিঠি যায় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। সেই চিঠির তলায় 'ভারতীয় জনতা পার্টি, কেরালা' লেখা পদ্মফুলের সিল ছিল। নির্বাচন কমিশনের দাবি, এটি একেবারেই ‘Clerical Error’ বা ‘করণিক ত্রুটি’। কমিশনের ব্যাখ্যা, সম্প্রতি BJP-র কেরালা শাখার পক্ষ থেকে ২০১৯ সালের প্রার্থীদের অপরাধমূলক রেকর্ড সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকার বিষয়ে জানতে চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনের সঙ্গে তারা পুরোনো নির্দেশিকার যে ফটোকপি জমা দিয়েছিল, তাতেই BJP-র সিল ছিল। নজরদারির অভাবেই নাকি ভুল করে BJP-র সিল থাকা ওই কপিটিই অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে পাঠানো হয়, জানানো হয়েছে এমনটাই। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement