Advertisement

ভাঙড়ে প্রার্থী ১৯ জন, EVM-এ আঁটছে না, সব বুথে ডাবল মেশিন দিচ্ছে কমিশন

একটি ইভিএমে সর্বাধিক ১৬টি বোতাম থাকে, যেখানে ১৫ জন প্রার্থী এবং একটি ‘নোটা’ অপশন রাখা যায়। ফলে প্রার্থীর সংখ্যা ১৬ ছাড়ালেই অতিরিক্ত ব্যালট ইউনিট বা দ্বিতীয় ইভিএমের প্রয়োজন হয়। ভাঙড়ে সাতজন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পাশাপাশি রয়েছেন ১২ জন নির্দল প্রার্থী। তাই একটি ইভিএমে ১৬ জনের নাম রাখা হবে, আর বাকি প্রার্থী ও ‘নোটা’ থাকবে দ্বিতীয় ইভিএমে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:55 AM IST
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র এবার এক বিরল নজির গড়তে চলেছে।
  • সাধারণত ভোটকক্ষে একটি ইভিএমই দেখতে অভ্যস্ত ভোটাররা, কিন্তু এবারের নির্বাচনে ভাঙড়ে ব্যবহার করা হবে দুটি ইভিএম।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র এবার এক বিরল নজির গড়তে চলেছে। সাধারণত ভোটকক্ষে একটি ইভিএমই দেখতে অভ্যস্ত ভোটাররা, কিন্তু এবারের নির্বাচনে ভাঙড়ে ব্যবহার করা হবে দুটি ইভিএম। কারণ, এই কেন্দ্রে প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯, যা একটি ইভিএমের ধারণক্ষমতার বাইরে।

একটি ইভিএমে সর্বাধিক ১৬টি বোতাম থাকে, যেখানে ১৫ জন প্রার্থী এবং একটি ‘নোটা’ অপশন রাখা যায়। ফলে প্রার্থীর সংখ্যা ১৬ ছাড়ালেই অতিরিক্ত ব্যালট ইউনিট বা দ্বিতীয় ইভিএমের প্রয়োজন হয়। ভাঙড়ে সাতজন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর পাশাপাশি রয়েছেন ১২ জন নির্দল প্রার্থী। তাই একটি ইভিএমে ১৬ জনের নাম রাখা হবে, আর বাকি প্রার্থী ও ‘নোটা’ থাকবে দ্বিতীয় ইভিএমে।

গোটা রাজ্যের মধ্যে একমাত্র ভাঙড়েই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখানে মোট বুথের সংখ্যা ৩০৪, ফলে প্রতিটি বুথেই দু’টি করে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট রাখতে হবে। এতে যেমন খরচ বাড়বে, তেমনই প্রশাসনিক চাপও অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। ভোটকর্মীদের অতিরিক্ত যন্ত্র বহন থেকে শুরু করে সংরক্ষণের ব্যবস্থাপনা, সবকিছুতেই বাড়তি দায়িত্ব নিতে হচ্ছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষকে।

স্ট্রংরুমে এত সংখ্যক ইভিএম রাখার জায়গা নিয়েও চিন্তা দেখা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত যন্ত্রগুলো একটির উপর আরেকটি রেখে সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ভোটগ্রহণের সময় বুথের ভেতরে দু’টি ইভিএম পাশাপাশি বসানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, রাজ্যের অন্যান্য কয়েকটি কেন্দ্র, যেমন কোচবিহার দক্ষিণ, করণদিঘিইটাহার, একটুর জন্য এই পরিস্থিতি এড়াতে পেরেছে। সেখানে প্রার্থীর সংখ্যা ১৫-এ সীমাবদ্ধ থাকায় একটি ইভিএমেই ভোটগ্রহণ সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের কোনও কেন্দ্রেই দু’টি ইভিএম ব্যবহার করতে হয়নি। তবে গত লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর ও কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় জোড়া ইভিএমের প্রয়োজন পড়েছিল। এবারে সেই নজির ফের ফিরতে চলেছে ভাঙড়ে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement