
কলকাতার অত্যন্ত নামী এলাকা যাদবপুর। কলকাতা জেলার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা আসন। কিছুটা অংশ পড়ে যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। যাদবপুর লোকসভা আসনও রয়েছে। তবে বিধানসভা আসনটি কলকাতা কর্পোরেশনের ১০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ৭টি বিধানসভার মধ্যে একটি। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক ভাবেই নয়, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিরও পীঠস্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। নিঃসন্দেহে হাইপ্রোফাইল সিট। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ সেন্টার, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স-এর মতো নামী প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই কেন্দ্রে। বামেদের একদা শক্তঘাঁটি ১৯৬৭ সালে তৈরি হয়েছিল এই কেন্দ্র। সিপিআইএম-এর একদা শক্ততম ঘাঁটিগুলির একটি। ১৯...
কলকাতার অত্যন্ত নামী এলাকা যাদবপুর। কলকাতা জেলার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা আসন। কিছুটা অংশ পড়ে যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। যাদবপুর লোকসভা আসনও রয়েছে। তবে বিধানসভা আসনটি কলকাতা কর্পোরেশনের ১০টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ৭টি বিধানসভার মধ্যে একটি। যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক ভাবেই নয়, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিরও পীঠস্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। নিঃসন্দেহে হাইপ্রোফাইল সিট। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ সেন্টার, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স-এর মতো নামী প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই কেন্দ্রে। বামেদের একদা শক্তঘাঁটি ১৯৬৭ সালে তৈরি হয়েছিল এই কেন্দ্র। সিপিআইএম-এর একদা শক্ততম ঘাঁটিগুলির একটি। ১৯৮৩ সালের উপনির্বাচন সহ ১৫টি ভোটের সাক্ষী যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ১৫ টি ভোটের মধ্যে ১৩ বারই জিতেছে সিপিএম। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ৫ বার জিতেছেন এই কেন্দ্রে। ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বুদ্ধদেবকে জিতিয়েছে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ। ২০১১ সালে এই কেন্দ্রে প্রথম জয় পায় তৃণমূল কংগ্রেস। ১৬ হাজার ৬৮৪ ভোটে জেতেন তৃণমূল প্রার্থী মণীশ গুপ্ত। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে টার্নিং পয়েন্ট। সেই বছরই ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান হয় বাংলায়। তবে পরে ২০১৬ সালে ফের ওই কেন্দ্রে জিতে যায় সিপিএম। প্রার্থী ছিলেন সুজন চক্রবর্তী। বিজেপির উত্থান তাত্পর্যপূর্ণভাবে এই কেন্দ্রে বরাবরই হেভিওয়েট প্রার্থী দেয় সব দল। ২০২১ সালে সুজনকে হারিয়ে দেন তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার। ৩৮ হাজার ৮৬৯ ভোটে হারান সুজনকে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের প্রার্থী সায়নী ঘোষ বিপুল ভোটে জমিতেছেন। বামপ্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য তৃতীয় স্থানে নেমে যান। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। তাত্পর্যপূর্ণ হল, যাদবপুর লোকসভায় প্রথমবার দ্বিতীয়স্থানে উঠে আসে বিজেপি। আপাদমস্তক শহুরে কেন্দ্র ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুরে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮২৮। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ১৮৬। এই আসনে তফসিলি জাতি ভোটারদের সংখ্যা মোট ভোটারদের প্রায় ১১.৬৮ শতাংশ, আর মুসলিম ভোটারদের সংখ্যা আনুমানিক ৮ শতাংশ। যাদবপুর সম্পূর্ণ শহুরে এলাকা, এখানে কোনও গ্রামীণ ভোটার নেই। তবুও ভোটদানের হার ধারাবাহিকভাবে ৮০ শতাংশের ওপরে থেকেছে, যা রাজনৈতিক সচেতনতার দিক থেকে এই এলাকার সক্রিয় ভূমিকারই প্রমাণ। ঐতিহাসিকভাবে, যাদবপুর বুদ্ধিজীবী এবং শিল্প আন্দোলনের একটি পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আজ ভারতের অন্যতম সেরা গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা বিজ্ঞান, প্রকৌশল, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রেখেছে। গড়িয়া, টালিগঞ্জ ও ঢাকুরিয়ার মতো জনবহুল এলাকা ঘেরা বাম আমলে এই অঞ্চলের বহু ছোট ও মাঝারি শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, ফলে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ মারাত্মকভাবে কমে যায়। বর্তমানে যাদবপুরের অর্থনীতি নির্ভর করে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, খুচরো ব্যবসা এবং পরিষেবা খাতের উপর। ভৌগলিক দিক থেকে যাদবপুর কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির অংশ। সমতল, ঘনবসতিপূর্ণ ও সম্পূর্ণ নগর। এখানে যাদবপুর রেলস্টেশন শহরতলির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। সেন্ট্রালকলকাতা থেকে যাদবপুরের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। গড়িয়া, টালিগঞ্জ ও ঢাকুরিয়ার মতো জনবহুল এলাকা ঘেরা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল এখনই পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন, তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, যাদবপুরে ত্রিমুখী লড়াই অনিবার্য।
Dr. sujan chakraborty
CPI(M)
Rinku naskar
BJP
Nota
NOTA
Sujoy naskar
BSP
Megha chatterjee
IND
Monalisa gupta (debroy)
PDS
Mistoo das
IND
Nripendra krishna roy
IND
Tanujit das
IND
Atanu chatterjee
IND
Ashutosh dey
IND
Manish gupta
AITC
Dr. mohit kumar ray
BJP
Nota
NOTA
Subhas chandra naskar
BSP
Shyamal guha majumdar
SUCI
Rahul bose
IND
Pintu karmakar
IND
Sankar prasad das
IND
Gautam patranabish
IND