বাংলা টেলিভিশনে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। পুরনো মেগার গল্পে আসছে নতুন নতুন ট্যুইস্ট,পাল্টাচ্ছে সম্প্রচারের সময়ও। বহুক্ষেত্রে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বন্ধ হচ্ছে সিরিয়াল। আবার শুরু হচ্ছে একগুচ্ছ নতুন ধারাবাহিক। মাসখানেক আগেই 'কনে দেখা আলো ' সিরিয়ালের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল। এরপর, প্রযোজক বদল হয়ে নতুনভাবে এগোচ্ছে ধারাবাহিক।
'কনে দেখা আলো'-র গল্পে একের পর এক ট্যুইস্ট আসায়, রেটিং চার্টেও দারুণ স্কোর করছে মেগা সিরিয়ালটি। শেষ প্রকাশ্যে আসা রেটিং চার্টে ৪.২ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে এই মেগা।
'কনে দেখা আলো'-তে চলছে ধামাকাদার পর্ব। ধারাবাহিকের বর্তমান ট্র্যাক অনুযায়ী, বনলতার কথায়, সুদেব মিথ্যে বলে লাজুকে রাজি করিয়েছে গ্রামে যাওয়ার জন্য। সুদেবকে আপাতত ডিভোর্স দিচ্ছে না লাজু। দু'দিনের ছুটিতে শ্বশুরবাড়িতে যেতে রাজি হয় সে। তবে শর্ত দেয়, তার সঙ্গে কেউ খারাপ ব্যবহার করতে পারবে না এবং পড়াশোনা কোনও মতেই ছাড়বে না।
এদিকে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগে লাজু- সুদেবের সঙ্গে দেখা হয় অনুভবের। এরকম সিদ্ধান্ত বদলের জন্য লাজুর উপর রাগ করে সে। লাজুর এই আচরণের মনে আঘাত লাগে অনুভবের এবং বাড়ির সময় বড় দুর্ঘটনা হয় তার।
ডাক্তার জানায়, আশঙ্কাজনক অবস্থা অনুভবের। জ্ঞান ফেরেনি এবং মাথায় ভেতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ফলে দ্রুত অস্ত্রোপচার করলেই প্রাণে বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে।
দুর্ঘটনার জেরে জীবন-মরণের সীমানায় দাঁড়িয়ে অনুভব। তবে লাজু যাতে কোনও ভাবে অনুভবের অবস্থা জানতে না পারে সেই চেষ্টায় মরিয়া বনলতা।
এদিকে জ্ঞান ফিরে, অনুভব ঘোরের মধ্যে লাজুর নাম করে। এটা দেখে লাজুকে খবর দেয় ঠাম্মি। হাসপাতালে ছুটে আসে লাজু। তাকে দেখে বিরক্ত বনলতা, চেষ্টা চালিয়ে যায় অপমান করার।
অনুভব- লাজুকে কাছাকাছি না আসতে দেওয়ার, বনলতা- সুদেবের পরিকল্পনা কি ভেস্তে যাবে? নাকি ফের কাছাকাছি আসবে? এবার দেখার কোন দিকে এগোয় গল্প।