Advertisement

দেশ

Rainfall Prediction July: ১০ হাজার কিমি বিস্তৃত বৃষ্টির দানবীয় সিস্টেম, বঙ্গোপসাগরে পৌঁছলেই তাণ্ডব, কী পরিস্থিতি?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 13 Jul 2026,
  • Updated 11:47 AM IST
  • 1/10

এল নিনো-র (El Nino) প্রভাবে বর্ষায় খামখেয়ালিপনা ব্যাপক ভাবে চোখে পড়ছে। কোথাও কম বৃষ্টি, কোথাও অতিবৃষ্টি। কোথাও আবার টানা বৃষ্টির পরে দীর্ঘদিন বর্ষণই নেই।

  • 2/10

কিন্তু এ বার বর্ষা বড় খেলা দেখাতে চলেছে। বঙ্গোপসাগর থেকে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার কিলোমিটার ইন্টারট্রপিক্যাল কনভার্জেন্স জোন (ITCZ)।

  • 3/10

এই সিস্টেম দ্রুত অ্যাক্টিভ হচ্ছে। ভারতের কাছাকাছি চলে এলে জুলাইয়ের শেষের দিকে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। বর্ষাকালে ITCZ ভারতের আকাশে চলে আসে, কিন্তু এবারে দেখা যাচ্ছে, অনেকটা পূর্বে অবস্থান করছে।

  • 4/10

বঙ্গোপসাগর থেকে শুরু হয়ে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত এই জোন বিস্তার করেছে। এর মধ্যে একাধিক ট্রপিক্যাল সিস্টেম রয়েছে, যা উত্তর-পশ্চিম দিশায় এগোচ্ছে। এগুলির মধ্যে যদি একটি সিস্টেমও চলে আসে, তাহলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। তবে এই সিস্টেম কতটা শক্তিশালী হয়ে আসতে পারে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

  • 5/10

আবহাওয়া দফতর এবং আন্তর্জাতিক মডেল অনুসারে, এই ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়গুলি ২০ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রভাব ফেলতে পারে। আইটিসিজেড (ITCZ) এগিয়ে এলে দুর্বল হয়ে পড়া মৌসুমী বায়ু আবার সক্রিয় হয়ে উঠবে। বৃষ্টিপাতের ঘাটতিতে থাকা অনেক রাজ্য কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।

  • 6/10

বিশেষ করে বিহার, ঝাড়খণ্ড, পূর্ব উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানের মতো অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই সিস্টেমটি উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

  • 7/10

এমন পরিস্থিতিতে, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাইজনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের তাদের ফসল রক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

  • 8/10

ভারতীয় মৌসুমী বায়ু মূলত ITCZ-এর অবস্থানের উপর নির্ভর করে। যখন ITCZ উত্তর দিকে সরে যায়, তখন দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ভারতের দিকে আকৃষ্ট হয়। এবার, ITCZ-এর পূর্বমুখী অবস্থান মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতিকে প্রভাবিত করেছে।

  • 9/10

এখন যদি এই অঞ্চলটি পশ্চিম দিকে সরে যায়, তাহলে মৌসুমী অক্ষরেখাও সক্রিয় হয়ে উঠবে। গত কয়েক বছরে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আইটিসিজেড-এর আচরণ আরও অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। কখনও এটি আরও উত্তরে, কখনও আরও দক্ষিণে সরে যাচ্ছে। এর ফলে খরা ও বন্যা উভয়েরই প্রকোপ বাড়ছে।

  • 10/10

বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত এর ওপর নজর রাখছেন, কারণ আইটিসিজেড-এর এই গতিবিধি শুধু ভারতেই নয়, সারা বিশ্বের আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে।

Advertisement
Advertisement