
Sonia Gandhi: এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)-কে পাশে নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ইউপিএ বলে কিছু নেই। সেই শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)-এর সঙ্গে বৈঠক করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বিরোধীদলের তাবড় নেতারা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। মনে করা হচ্ছে, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে এক বড়সড় ধাক্কা।
১০ জনপথে
সোনিয়া গান্ধীর বাসভবন ১০ জনপথের ওই বৈঠকে অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আব্দুল্লাহ (Farooq Abdullah), শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut), ডি এম কে-র টি আর (T R Baloo) বালু প্রমুখ।
মমতার উদ্যোগ
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এককাট্টা করতে চাইছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশি কিছুদিন ধরে সেই কাজে হাত দিয়েছেন তিনি।
তাঁরা আরও জানাচ্ছেন, তবে তিনি সেই জোটের মুখ হতে চাইছেন যেন। আর তাই এই উদ্যোগ। এখন এই প্রক্রিয়ায় একটু ধাক্কা খেয়ে গেল সোনিয়ার তৎপরতায়।
মুম্বই সফরে ইউপিএ-কে নাকচ
দিন কয়েক আগে তিনি গিয়েছিলেন মুম্বাই সফরে। যেখানে তাঁর একগুচ্ছ কর্মসূচি ছিল। তখন শরদ পাওয়ার এবং শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে বৈঠক করেন। তার পরেই তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন যে ইউপিএ বলে কিছু নেই।
কী আলোচনা হল হাইভোল্টেজ ওই বৈঠকে?
জানা গিয়েছে, রাজ্যসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে প্রতিবাদ করবে বিরোধী দলগুলি। সে নিয়ে রণকৌশল ঠিক করার কথা হয়েছে। তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছে।
ফারুক আব্দুল্লাহ কী জানালেন
প্রবীণ নেতা ফারুক আব্দুল্লাহ (Farooq Abdullah) এই বৈঠক নিয়ে বলেছেন, এই বৈঠক দেশের সঙ্গে যুক্ত। আমরা এ ব্যাপারে কথা বলেছি যে একসঙ্গে কী করে কাজ করতে পারি। এবং এগিয়ে যেতে পারি।
তিনি আরও জানান, দেশ এক মুশকিল পরিস্থিতিতে রয়েছে। তার থেকে দেশকে কী করে বের করা যাবে, সেসব বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত নিয়ে আলোচনা করেছি। ভাল আলোচনা হয়েছে।
সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) জানান, এই বৈঠকে আমাদের মুখ্য এজেন্ডা ছিল রাজ্যসভায় বিরোধীদের একজোট হওয়া। মানে বিভিন্ন রাজ্য মিলে একসঙ্গে হওয়া। এটা প্রথম আলোচনা ছিল। বুধবার আর এক দফা বৈঠক হবে। সেখানে শরদ পাওয়ার থাকবেন।
সাংসদদের সাসপেন্ড নিয়ে
প্রহ্লাদ যোশীর বক্তব্য নিয়ে সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) বলেন, কোনও ক্ষমা স্বীকার করা হবে না। কেউ পিছিয়ে আসবে না। আমরা লড়ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেছেন, কংগ্রেস এবং বাকি দলের নেতারা ভুল স্বীকার করলে এবং দুঃখপ্রকাশ করার পর তাঁরা সংসদে আসুন। সরকার এই বিষয়ে কথা বলতে চায়।