
স্টিং ভিডিওকাণ্ডের পর একের পর এক প্রার্থী, নেতা ও কর্মী দল ছেড়েছেন। তবে নিজের মেজাজেই আছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। এদিন সকাল সকাল ভোট দিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে সোমপাড়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের বুথে ভোট দেন তিনি।
হুমায়ুন কবীর বলেন, 'বিগত ২০ বছর ধরে আমিই আমার বুথে প্রথম ভোট দিয়ে আসছি, আজ আমরা দলীয় কার্যালয় থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব।'
এদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার শিবনগর এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোটগ্রহণের ঠিক আগেই এই অশান্তিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খানের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বাধীন ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’-র আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।
গতকাল রাতে নওদা বিধানসভার শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে আচমকাই বোমাবাজি শুরু হয়। উল্লেখ্য, ওই বিদ্যালয়টি একটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র, যেখানে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সেই নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। বোমাবাজির ঘটনায় এক মহিলা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।তৃণমূলের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে ভোটদান থেকে বিরত রাখতেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে।ঘটনার সময় কাছাকাছি এলাকাতেই উপস্থিত ছিলেন নওদা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মমতাজ খান। তবে তিনি অক্ষত রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।
এদিকে ভোটের আগের রাতে গ্রেফতার হয়েছেন হুমায়ুন কবীরের ভাইপো। শক্তিপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ভরতপুরের বিধায়কের ভাইপোকে। রেজিনগর থানায় হুমায়ুনের ভাইপো রাজা শেখের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে হুমায়ুনের ভাইপোকে। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, থানা ঘেরাও করব, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি বা AJUP প্রধান।