
রেজিনগর হল মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর লোকসভার অন্তর্গত একটি বিধানসভা কেন্দ্র। বেলডাঙ্গা ২ ও বেলডাঙ্গা ১ ব্লকের বেগুনবাড়ি, কাপাসডাঙ্গা এবং মির্জাপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে এই কেন্দ্র গঠিত। ২০১১ সালে এই বিধানসভা গঠিত হয়। তারপর থেকে এখানে মোট চারবার ভোট হয়েছে। তার মধ্য়ে ২০১৩ সালেরটা উপনির্বাচন।
২০১১ সালে এই আসনে প্রথম জেতেন হুমায়ুন কবির। সেবার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। হুমায়ুন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরএসপির সিরাজুল ইসলামকে ৮৭৬১ ভোটে হারিয়েছিলেন। তবে পরে তৃণমূলে যোগ দেন হুমায়ুন। ফলে ২০১৩ সালে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। কিন্তু তাঁর এই সিদ্ধান্ত ভালোভাবে নেননি ভোটাররা। এবার তৃতীয় স্থানে শেষ করেন নির্বাচনী লড়াই। জেতেন কংগ্রেস প্রার্থী র...
রেজিনগর হল মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর লোকসভার অন্তর্গত একটি বিধানসভা কেন্দ্র। বেলডাঙ্গা ২ ও বেলডাঙ্গা ১ ব্লকের বেগুনবাড়ি, কাপাসডাঙ্গা এবং মির্জাপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে এই কেন্দ্র গঠিত। ২০১১ সালে এই বিধানসভা গঠিত হয়। তারপর থেকে এখানে মোট চারবার ভোট হয়েছে। তার মধ্য়ে ২০১৩ সালেরটা উপনির্বাচন।
২০১১ সালে এই আসনে প্রথম জেতেন হুমায়ুন কবির। সেবার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। হুমায়ুন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরএসপির সিরাজুল ইসলামকে ৮৭৬১ ভোটে হারিয়েছিলেন। তবে পরে তৃণমূলে যোগ দেন হুমায়ুন। ফলে ২০১৩ সালে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। কিন্তু তাঁর এই সিদ্ধান্ত ভালোভাবে নেননি ভোটাররা। এবার তৃতীয় স্থানে শেষ করেন নির্বাচনী লড়াই। জেতেন কংগ্রেস প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। সেবারও দ্বিতীয় হন সিরাজুল। ১১,৭২২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
এরপর ২০১৬ সালে সেই আসনটি ধরে রাখেন রবিউল। নির্দল হিসেবে দাঁড়ানো নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হুমায়ুন কবিরকে ৫,৫৬০ ভোটে পরাজিত করেন। এরপর রবিউল ২০২১ সালের নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে ভোটে দাঁড়িয়ে ফের জেতেন। ততদিনে আরএসপি ও কংগ্রেসের মাটি সেখানে দুর্বল হয়েছে। মাটি শক্ত করেছে বিজেপি। ফলে গেরুয়া প্রার্থী অরবিন্দ বিশ্বাস দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে এই কেন্দ্র থেকে ভালো লিড পায় তৃণমূল কংগ্রেস। বহরমপুর লোকসভার প্রার্থী অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ইউসুফ পাঠান ৪২ হাজার ১২৮ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
২০২১ সালে রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার ছিল ২৫৯,৭৭১ জন। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তা বেড়ে হয় ২৭১,৫২৪। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে মুসলিম ভোটার ছিল ৬৫ শতাংশেরও বেশি। প্রায় ৭ শতাংশ ছিল তফশিলি জাতি। এই নির্বাচনী এলাকার পুরোটাই গ্রামীণ। এই কেন্দ্রে বরাবরই বেশি ভোট পড়ে। ২০১৬ সালে ৮২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তবে ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৭৭ শতাংশে।
ভৌগোলিকভাবে রেজিনগর বহরমপুর মহকুমায় অবস্থিত। ভাগীরথী ও জলঙ্গি নদী পাশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জমি সমতল ও উর্বর। ধান, পাট ও সর্ষে এখানকার প্রধান ফসল। এখানে বিড়ি কারখানাও রয়েছে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক, রানাঘাট-লালগোলা রেলপথ এখানকার লাইফ লাইন। ১৯০৫ সালে রেজিনগর স্টেশন তৈরি হয়েছিল। যা এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি।
রেজিনগরের নিকটতম শহর বেলডাঙ্গা। জেলা সদর বহরমপুর অবস্থিত ২০ কিলোমিটার দূরে। কাছাকাছি অন্য শহর হল রেজিনগর ও সালার। রাজধানী কলকাতা প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রেজিনগর না হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে সীমানা ভাগ করে মুর্শিদাবাদের অনেক এলাকা। সেই কারণে মুসলিম জনঘনত্ব বেশি বলে মনে করা হয়। তবে গত কয়েক দশক ধরে জনসংখ্যার গঠন স্থিতিশীল রয়েছে।
২০২১ সালের বিধানসভা ও ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে তৃণমূল এই আসনে এগিয়ে থাকায় ছাব্বিশের ভোটেও তারা আশাবাদী। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস ও বামেরা জোট বেঁধে লড়লেও তারা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। তার থেকে স্পষ্ট, সেখানে ওই দুই দলের জনপ্রিয়তা কমছে। যদিও বিজেপি সেখানে শক্তি বাড়িয়েছে। বাম-কংগ্রেস জোট যদি ভালো মুসলিম ভোট কাটতে পারে সেক্ষেত্রে একমাত্র বিজেপি জিততে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
Arabinda biswas
BJP
Kafiruddin sk
INC
Nota
NOTA
Md. babar ali
SUCI
Mujibur rahaman
IUML
Hasanur zaman sk
HAMS
Humayun kabir
IND
Begum siddika
AITC
Bankim karmakar
BJP
Nota
NOTA
Babar ali
SUCI
Rabiul islam sekh
BSP
Abdus sukur
IUML