Advertisement

রাজ্যের মধ্যে সবথেকে কম ভোটার এবার জোড়াসাঁকোয়, ইতিহাসে প্রথম

এসআইআর এর পর রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। কোথাও কোথাও এই সংখ্যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এরই মধ্যে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো কেন্দ্রে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:42 AM IST
  • এসআইআর এর পর রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে।
  • কোথাও কোথাও এই সংখ্যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

এসআইআর এর পর রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। কোথাও কোথাও এই সংখ্যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এরই মধ্যে উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো কেন্দ্রে।

নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, জোড়াসাঁকো বিধানসভায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লক্ষ ২২ হাজার ৬৮৬। কলকাতারই আরেক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চৌরঙ্গিতেও ভোটার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৩৪৯। প্রবীণ ও অভিজ্ঞ মহলের মতে, নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটারের সংখ্যা দেড় লক্ষের নীচে নেমে এল।

এসআইআর প্রক্রিয়ার ফলে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, প্রকৃত ভোটারদের নামও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং যেসব কেন্দ্রে তৃণমূল আগে ভালো ফল করেছে, সেখানে বেছে বেছে এই কাজ করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষের দাবি, অবৈধ বা ‘ভূতুড়ে’ ভোটারদের বাদ দেওয়ার ফলেই তালিকা পরিষ্কার হয়েছে, যা তাঁদের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

চৌরঙ্গি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কলকাতা পুরসভার ৪৪ থেকে ৫৩ এবং ৬২ নম্বর ওয়ার্ড, মোট ১১টি ওয়ার্ড। অন্যদিকে ২২, ২৩, ২৫, ২৭, ৩৭ থেকে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত। এসআইআর শুরুর আগে এই দুই কেন্দ্রেই ভোটার সংখ্যা ছিল ২ লক্ষের বেশি। কিন্তু খসড়া তালিকা থেকে চূড়ান্ত তালিকা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই পরিস্থিতিতে দুই কেন্দ্রেই জয়ের ব্যবধান খুব কম হতে পারে। এমনিতেই শহরাঞ্চলে ভোটদানের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তার উপর এভাবে ভোটার সংখ্যা কমে যাওয়ায়, শেষ পর্যন্ত কতজন ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement

শুধু জোড়াসাঁকো বা চৌরঙ্গি নয়, কলকাতার শ্যামপুকুর এবং হাওড়ার বালি কেন্দ্রেও ভোটার সংখ্যা দেড় লক্ষের নিচে নেমে এসেছে। পাশাপাশি শহরের আরও কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষের নিচে নেমে গিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রও।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement