শীত বিদায় নিলেও বাজার থেকে এখনও পুরোপুরি বিদায় নেয়নি কমলালেবু। আর রসালো এই ফল খাওয়ার পর আমরা অবলীলায় যার খোসাটি ডাস্টবিনে ফেলে দিই, সেটিই কিন্তু আপনার ত্বকের জন্য হতে পারে পরম বন্ধু।
দামী পার্লারের ফেশিয়াল বা রাসায়নিক প্রসাধনী ছাড়াই ঘরে বসে কীভাবে রূপটান সারবেন? উত্তর লুকিয়ে আছে ওই কমলার খোসাতেই। ত্বক বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র, সবাই বলছে, অকাল বার্ধক্য রুখতে এবং ত্বকের হারানো জেল্লা ফেরাতে কমলার খোসা এক অব্যর্থ দাওয়াই।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
প্রথমে কমলার খোসাগুলি রোদে ভালো করে শুকিয়ে নিন। ঝরঝরে হয়ে গেলে সেগুলিকে মিক্সিতে গুঁড়ো করে একটি কাঁচের শিশিতে ভরে রাখুন।
তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যায় এই গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল ও মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। মিনিট পনেরো পর ধুয়ে ফেললেই দেখবেন ম্যাজিক।
যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা খোসার গুঁড়োর সঙ্গে দুধের সর বা দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। এটি কেবল মরা চামড়া দূর করে না, বরং ত্বকের কালো ছোপ বা ট্যান দূর করতেও দারুণ কাজ দেয়।
কেন কাজ করে?
আসলে কমলার খোসায় লেবুর রসের চেয়েও বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এটি ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, ফলে বলিরেখা পড়ার ভয় থাকে না।
নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয় মোলায়েম ও উজ্জ্বল। তাই এবার থেকে কমলালেবু খেয়ে খোসাটি ফেলার আগে দু’বার ভাবুন। সামান্য পরিশ্রমে ঘরেই যদি মেলে রাজকীয় জেল্লা, তবে আর চিন্তা কিসের!