Advertisement

ন্যায়বিচার পেতে ভোট ময়দানে হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রীরাও, দেখা গেল BJP-র প্রচারে

মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আরজি করের নির্যাতিতার মা। পানিহাটি থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন তিনি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁকে। প্রচারে বেরিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েছেন। তৃণমূলকে রাজ্য থেকে উৎখাতের করতেই তিনি বিজেপির হাত ধরেছেন বলে দাবি আরজি করের নির্যাতিতার মা। কামদুনির প্রতিবাদী টুম্পা কয়ালও সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এসে আন্দোলন করতেই তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগ বলে দাবি করেছেন টুম্পা কয়াল। এবার বিজেপির হয়ে প্রচার শুরু করলেন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার জাফরাবাদ গ্রামে মৃত হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের স্ত্রী পারুল দাস ও পিঙ্কি দাস।

BJP-র প্রচারে হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রীরাBJP-র প্রচারে হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রীরা
Aajtak Bangla
  • সামসেরগঞ্জ,
  • 09 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:25 PM IST

মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আরজি করের নির্যাতিতার মা। পানিহাটি থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন তিনি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁকে। প্রচারে বেরিয়ে বিক্ষোভের মুখেও পড়েছেন।  তৃণমূলকে রাজ্য থেকে উৎখাতের করতেই তিনি বিজেপির হাত ধরেছেন বলে দাবি আরজি করের নির্যাতিতার মা।  কামদুনির প্রতিবাদী টুম্পা কয়ালও সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় এসে আন্দোলন করতেই তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগ বলে দাবি করেছেন  টুম্পা কয়াল।  এবার বিজেপির হয়ে প্রচার শুরু করলেন মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার জাফরাবাদ গ্রামে মৃত হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের স্ত্রী পারুল দাস ও পিঙ্কি দাস। 

 গত বছরের এপ্রিলে ওয়াকফ আইন লাগু হওয়ার পর তার বিরোধিতায় পথে নেমে বিক্ষোভে শামিল হন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো বঙ্গেও তার সাময়িক আঁচ পড়ে। মুর্শিদাবাদ, মালদা, সুন্দরবন এলাকায় অশান্তির ছবি দেখা গিয়েছিল। তার মাঝে গত বছরের ১২ এপ্রিল সামশেরগঞ্জের জাফরাবাদে এই ওয়াকফ হিংসার প্রতিবাদের সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পর্ক না থাকলেও প্রাণ গিয়েছিল স্থানীয় দাস পরিবারের বাবা-ছেলের। অভিযোগ ওঠে, বিক্ষোভের মাঝে পড়ে যাওয়ায় বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে কুপিয়ে খুন করা হয়। এতে আগুনে নতুন করে ঘি পড়ে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। এবার সেই হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসের স্ত্রীরা গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রচারে ঝাঁপালেন।

মৃতদের পরিবার বাম কর্মী-সমর্থক ছিলেন। তবে গত কয়েকমাসে বদলে গেছে পরিস্থিতি।   বুধবার দুপুরে সামশেরগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী ষষ্ঠীচরণ ঘোষের সমর্থনে প্রচার করেন পারুল দাস ও পিঙ্কি দাস। বিজেপির মহিলা মোর্চার একটি অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। দুজনকে  গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে।

Advertisement

ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলনের সময় মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জে খুন হওয়া হরগোবিন্দ দাস এবং তাঁর পুত্র চন্দন দাসের  খুনের ঘটনায় গত ডিসেম্বরে ১৩ জন দোষীকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা দিয়েছিল জঙ্গিপুর আদালত। তবে আদালতের রায়ে খুশি ছিল না হরগোবিন্দ-চন্দনের পরিবার। ফাঁসির দাবিতে অনড় তারা। উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য তাদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের দাবি, হরগোবিন্দ দাসের জমানো টাকাতেই চলছে সংসার। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সাহায্যে মেলেনি। এই আবহে দাস পরিবারের সদস্যদের বিজেপি শিবিরে উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যের।  বুধবার পারুল দাস ও পিঙ্কি দাসের উপস্থিতি নিয়ে বিজেপি  জেলা নেতৃত্বের দাবি, শাসকদলের সন্ত্রাসে স্বজনহারাদের পাশে থাকাই পদ্ম শিবিরের লক্ষ্য। 

Read more!
Advertisement
Advertisement