
মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জঙ্গিপুর বিধানসভা। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত জঙ্গিপুর বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত ১৬ বার ভোট হয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস ৮ বার, RSP ৪ বার, নির্দল ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা ২ বার করে জয়ী হয়েছেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৬২ সালের প্রথম দুটি নির্বাচনে হিন্দু নেতারা আসনটি জিতেছিলেন। তারপর থেকে একবারও কোনও অমুসলিম প্রার্থী এই আসন থেকে জিততে পারেননি। জঙ্গিপুর পুরসভা, রঘুনাথগঞ্জ ১ নম্বর ব্লক, সুতি ১ ব্লকের আহিরন ও বাঁশাবতী গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত। জঙ্গিপুর আদতে মহকুমাস্তরের শহর। মহকুমার যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ এখানেই হয়। ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরে এক কিলোমিটার দীর্ঘ জঙ্গিপুর ব্যারেজ রয়েছে। গঙ্গা এবং ভাগীরথী নদ...
মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জঙ্গিপুর বিধানসভা। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত জঙ্গিপুর বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত ১৬ বার ভোট হয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস ৮ বার, RSP ৪ বার, নির্দল ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা ২ বার করে জয়ী হয়েছেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৬২ সালের প্রথম দুটি নির্বাচনে হিন্দু নেতারা আসনটি জিতেছিলেন। তারপর থেকে একবারও কোনও অমুসলিম প্রার্থী এই আসন থেকে জিততে পারেননি। জঙ্গিপুর পুরসভা, রঘুনাথগঞ্জ ১ নম্বর ব্লক, সুতি ১ ব্লকের আহিরন ও বাঁশাবতী গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত। জঙ্গিপুর আদতে মহকুমাস্তরের শহর। মহকুমার যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ এখানেই হয়। ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরে এক কিলোমিটার দীর্ঘ জঙ্গিপুর ব্যারেজ রয়েছে। গঙ্গা এবং ভাগীরথী নদীর মধ্যে জল প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এই ব্যারেজ। এই অঞ্চলে দুটি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রও রয়েছে। যথা ২,১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফরাক্কা সুপার থার্মাল পাওয়ার স্টেশন এবং ১,৬০০ মেগাওয়াটের সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। রাজ্যের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই দুই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময় ২৬৫,২২৯ ভোটার ছিলেন জঙ্গিপুরে। ২০২১ সালে ২৫৫,০৬৪ জন। ভোটদানের হার এই কেন্দ্রে বরাবরই বেশি। ২০২৪ সালে ৭৮.০৬ শতাংশ, ২০২১ সালে ৭৭.৭৮ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৮১.৯০ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৮৩.৮২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। মোট ভোটারের মধ্যে মুসলিম ভোটার ৫৪.৩০ শতাংশ, তপশিলি জাতির ২৩.০৫ শতাংশ। গ্রামীণ ও শহুরে ভোটার প্রায় সমান। ২০১১ সালে কংগ্রেসের মহম্মদ সোহরাব সিপিআইএম প্রার্থী পূর্ণিমা ভট্টাচার্যকে ৬ হাজারের কিছু বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। তবে ২০১৬ সালে সেই আসন এককভাবে দখল করে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী জাকির হোসেন শাসকদলের টিকিটে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামেদের সোমনাথ সিংহ রায় ২০.৬৩৩ ভোটে হারেন। ২০২১ সালেও জাকির হোসেন আসনটি ধরে রাখেন। তবে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। গেরুয়া প্রার্থী সুজিত দাস ওই আসন থেকে প্রায় ৪৪ হাজার ভোট পান। সেখানে RSP-র জানে আলম মিঞা ৩৯,০৬৭ ভোট পেয়েছিলেন। বিধানসভা ভোটে জাকির হোসেন বিজেপি প্রার্থীকে ৯২,৪৮০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করলেও লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে এই আসনে পিছিয়ে দেন পদ্মপ্রার্থী। তিনি এই আসন থেকে ৩,২৬৬ ভোটে লিড পান। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই আসনে যে লড়াই আর একতরফা হবে না তা প্রমাণ করে দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল। সেক্ষেত্রে বিজেপি ও তৃণমূলের জোর টক্কর হতে পারে। জঙ্গিপুরের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে বিড়ি শিল্পের উপর। সাধারণ সব সুযোগ সুবিধা এই শহরে মেলে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ উন্নত। এলাকায় বিদ্যুৎ রয়েছে, স্বাস্থ্য পরিষেবাও ভালো। তবে গ্রীষ্মে জলের সংকট থাকে। সব বাড়িতে সমানভাবে পৌঁছয় না। এটাই এই এলাকার অন্যতম অসুবিধে। নিকটতম রেলস্টেশন জঙ্গিপুর রেলস্টেশন। যা আজিমগঞ্জ ও ফরাক্কাকে যুক্ত করে। জেলার সদরশহর বহরমপুর এখান থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কলকাতা প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে। তবে এখান থেকে ঝাড়খণ্ডের পাকুড় মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে। বীরভূমও মাত্র ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে। বাংলাদেশ সীমান্তের একদম কাছে জঙ্গিপুর। প্রতিবেশী দেশটির রাজশাহি জেলার নবাবগঞ্জ ও শিবপুর যথাক্রমে ২৫ ও ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রাজনৈতিক মহলের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভা ভোটের ফলাফল থেকে স্পষ্ট এই কেন্দ্রে ২০২৬-র ভোটে একতরফা লড়াই হবে না। তবে এই আসনে এখনও সংগঠন রয়েছে বাম ও কংগ্রেসের। তারাও ভালো দাগ কাটতে পারে। যদিও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে।
Sujit das
BJP
Jane alam mian
RSP
Nota
NOTA
Swarajit sarkar
IND
Mirza nashiruddin
SUCI
Goutam kumar das
IND
Abu salem
JSTDVPMTP
Khokan sarkar
IND
Md mainul hoque
BAHUMP
Somnath singha ray
CPM
Md. sohrab
INC
Sudhan kumar das
BJP
Nota
NOTA
M. a. hannan
WPOI
Mirza nashiruddin
SUCI
Rukumuddin sk
IND
Mostafa sk
IND
Md saifuddin saikh
SP
Md. masudul hoque
IND
Khokan sarkar
IND