
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত একটি ব্লক সামসেরগঞ্জ। ধুলিয়ান পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড এবং সামসেরগঞ্জ ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত এই বিধানসভা কেন্দ্র। বিধানসভাটি ভৌগলিকভাবে মুর্শিদাবাদ জেলার ভিতরে হলেও মালদা দক্ষিণ লোকসভার অন্তর্গত। ২০১১ -র বিধানসভা ভোটের আগে এই বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত হয়। ফলে এখানে এখনও পর্যন্ত মাত্র তিনবার ভোট হয়েছে। প্রথমবার জেতেন সিপিআইএম-এর তোয়াব আলি। কংগ্রেসের মৌসুমী বেগম ৭,৭৮৯ ভোটে পরাজিত হয়ে পরাজিত হয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন। পরবর্তী দুটি অর্থাৎ ২০১৬ ও ২০২১-এর ভোটে তৃণমূলের আমিরুল ইসলাম জেতেন। ২০১৬ সালে সিপিআই(এম) তোয়াব আলির বিরুদ্ধে জেতেন ১,৭৮০ ভোটে এবং ২০২১-এ কংগ্রেসের জাইদুর ইসলামকে পরাজিত করেন...
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত একটি ব্লক সামসেরগঞ্জ। ধুলিয়ান পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড এবং সামসেরগঞ্জ ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত এই বিধানসভা কেন্দ্র। বিধানসভাটি ভৌগলিকভাবে মুর্শিদাবাদ জেলার ভিতরে হলেও মালদা দক্ষিণ লোকসভার অন্তর্গত। ২০১১ -র বিধানসভা ভোটের আগে এই বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত হয়। ফলে এখানে এখনও পর্যন্ত মাত্র তিনবার ভোট হয়েছে। প্রথমবার জেতেন সিপিআইএম-এর তোয়াব আলি। কংগ্রেসের মৌসুমী বেগম ৭,৭৮৯ ভোটে পরাজিত হয়ে পরাজিত হয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন। পরবর্তী দুটি অর্থাৎ ২০১৬ ও ২০২১-এর ভোটে তৃণমূলের আমিরুল ইসলাম জেতেন। ২০১৬ সালে সিপিআই(এম) তোয়াব আলির বিরুদ্ধে জেতেন ১,৭৮০ ভোটে এবং ২০২১-এ কংগ্রেসের জাইদুর ইসলামকে পরাজিত করেন। সেবার জয়ের ব্যবধান ছিল ২৬,৩৭৯ ভোটে। পরপর ২ বার বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস জিতলেও লোকসভা ভোটের ফলাফলে কংগ্রেসের আধিপত্য দেখা দিয়েছে। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস বামেদের থেকে লিড পেয়েছিল যথাক্রমে ১৫ হাজার ও সাড়ে ৫ হাজার ভোটে। তবে তারপর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে তৃণমূল। ২০১৯ সালে ওই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী লিড পায় প্রায় ৮ হাজার ভোটে। ২০২৪-এ বামেদের সঙ্গে জোট করে ঘরে তুলে নেয় প্রায় ১৪ হাজার বেশি ভোট। সামসেরগঞ্জে ভোটারের সংখ্য়া উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে তালিকায় ৪১,৬২০ জন ভোটার বেড়েছে। আবার ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৪১,৪৪৮ জন। ২০২১ সালের বিধানসভা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে ১২,৮৩৬ জন ভোটার যুক্ত হয়েছিল। ২০২৪ সালে ভোটার সংখ্যা ছিল ২৪৮,৪১২, ২০২১ সালে ২৩৫,৫৭৬, ২০১৯ সালে ২১৬,৭৩০, ২০১৬ সালে ১৯৪,১২৮ এবং ২০১১ সালে ১৫২,৫০৮। এই নির্বাচনী এলাকাটি মুসলিম প্রধান। প্রায় ৮০ শতাংশ। সামসেরগঞ্জে শহরাঞ্চলের ভোটারের সংখ্যা বেশি। প্রায় ৭৫ শতাংশ। আগে ভোটের হার বেশি ছিল। তবে ক্রমশ তা কমছে। ২০১১, ২০১৬, ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৪ সালে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৮৬.৩৪, ৮১.৯২, ৮১.১৫, ৮০.০৭ এবং সালে ৭৬.৯৩ শতাংশ। সমসেরগঞ্জ মুর্শিদাবাদ জেলার উত্তর অংশে হুগলি নদীর পূর্বে এবং গঙ্গার কাছাকাছি অবস্থিত। ভূখণ্ডটি সমতল এবং উর্বর। ফলে কৃষিকাজ হয়। যদিও ছোটোখাটো শিল্প রয়েছে। ধুলিয়ান সড়কপথে ১৫ কিলোমিটার দূরে জঙ্গিপুর, ৬০ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর দপ্তর বহরমপুর এবং ৩৫ কিলোমিটার দূরে মালদার সঙ্গে সংযুক্ত। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হল ধুলিয়ান। এলাকাটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছাকাছি। সামসেরগঞ্জের নিকটবর্তী শহর রঘুনাথগঞ্জ। যার দূরত্ব মাত্র ১২ কিলোমিটার। ২০ কিলোমিটার দূরে ফরাক্কা। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় সামসেরগঞ্জ থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সীমান্তের কাছে অবস্থিত হওয়ায় এলাকাটি স্পর্শকাতর। সমসেরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের মন বোঝা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দলগুলোর কাছে সহজ নয়। ইতিহাস তাই বলছে। লোকসভা ভোটে এলাকার ভোটারদের সমর্থন পেয়ে এসেছে কংগ্রেস আবার বিধানসভায় তৃণমূল। ফলে এবারের বিধানসভা রাজ্যের শাসকদল জিতবেই তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বাম-কংগ্রেস জোটের ভালো প্রভাব আছে।
Zaidur rahaman
INC
Milan ghosh
BJP
Md. modassar hossain
CPI(M)
Nota
NOTA
Saumitra singh
IND
Md. alauddin sk
SDPI
Tipu sultan
SUCI
Touab ali
CPM
Md. rejaul hoque(mantu biswas)
IND
Milan ghosh
BJP
Nota
NOTA
Dr. affan ali
SDPI
Md. eamen ali
IND
Tipu sultan
SUCI
Satrughna rabi das
BSP