Advertisement

South 24 Parganas Namkhana : অফিস থেকে ফেরার পথে নামখানার কাছে লাইনে তরুণীর রক্তাক্ত দেহ

South 24 Parganas, Namkhana: ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা (South 24 Parganas) জেলার কাকদ্বীপ (Kakdwip)-এর উকিলের হাট (Ukiler Haat) ও নামখানা (Namkhana) ষ্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায়। নিহত যুবতী নাম দেবিকা মাইতি। তিনি নামখানা (Namkhana)-র বাসিন্দা। 

রেল লাইন থেকে উদ্ধার তরুণীর দেহ (প্রতীকী ছবি)
প্রসেনজিৎ সাহা
  • নামখানা,
  • 10 Feb 2022,
  • अपडेटेड 11:17 AM IST
  • রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হল যুবতীর রক্তাক্ত মৃতদেহ
  • তিনি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন
  • এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে

South 24 Parganas, Namkhana: রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হল যুবতীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। তিনি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

নামখানার বাসিন্দা
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা (South 24 Parganas) জেলার কাকদ্বীপ (Kakdwip)-এর উকিলের হাট (Ukiler Haat) ও নামখানা (Namkhana) ষ্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায়। নিহত যুবতী নাম দেবিকা মাইতি। তিনি নামখানা (Namkhana)-র বাসিন্দা। 

আরও পড়ুন: ইতিহাসে কেরলের কুম্বালাঙ্গি! দেশের প্রথম স্যানিটারি ন্যাপকিন-মুক্ত গ্রাম

আরও পড়ুন: উপাচার্যকে কটূক্তি, মিউজিক থেরাপি নিয়ে গুচ্ছ বিধিনিষেধ বিশ্বভারতীর

অফিস থেকে ফিরতে দেরি
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাকদ্বীপ (Kakdwip)-এর একটি শপিং মলে কাজ করতেন দেবিকা মাইতি। নিত্য দিনের মতো সেরে বুধবার রাতেও শপিং মল থেকে ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু শপিং মল বন্ধ হওয়ার পর রাতে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়।

রক্তাক্ত দেহ
আর তাই পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। চারিদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেন। এরপর খবর পাওয়া যায় উকিলেরহাট ও নামখানার মধ্যবর্তী রেললাইন এলাকায় যুবতীর রক্তাক্ত দেহ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।

কী কারণে মৃত্যু?
দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে রেল পুলিশ। তবে কী কারণে মৃত্যু ওই যুবতীর সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের অনুমান, কেউ বা কারা তাঁকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে। না হয় তাকে ধর্ষণ করার পর রক্তাক্ত অবস্থায় রেললাইনে ফেলে দিয়ে গেছে। 

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রেল পুলিশ। কী করে তরুণীর মৃত্যু হল, তা দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর তরণীর পরিবারে শোকের ছায়া। কাজ সেরে ফেরার পথে এ ভাবে তাঁর মৃত্যু হবে, কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাঁরা ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement

RECOMMENDED

Advertisement