Advertisement

লাইফস্টাইল

বাড়ির বারান্দা-কিংবা ছোট্ট বাগানে সূর্যমুখী ফুলে গিজগিজ করবে, এভাবে করুন

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 31 Jan 2026,
  • Updated 12:03 AM IST
  • 1/8

শহরের ব্যস্ত জীবনে মাটির ছোঁয়া পাওয়া সত্যিই কঠিন। তাই অনেকের কাছেই প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র জায়গা হয়ে উঠেছে ফ্ল্যাটের ব্যালকনি। অল্প জায়গাতেই যদি রঙিন আনন্দ চান, তাহলে সূর্যমুখীর মতো প্রাণবন্ত ফুলের বিকল্প খুব কমই আছে।

  • 2/8

তবে ব্যালকনিতে চাষের জন্য বড় আকারের সূর্যমুখী নয়, বরং বামন বা ডোয়ার্ফ জাতের সূর্যমুখী বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ‘সানস্পট’ বা ‘টেডি বিয়ার’ জাতের সূর্যমুখী সাধারণত ১ থেকে ২ ফুটের বেশি লম্বা হয় না, ফলে টবে সহজেই মানিয়ে যায়।

  • 3/8

এই ফুল চাষের জন্য খুব বড় টবের প্রয়োজন নেই। ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি গভীর টব হলেই যথেষ্ট। টবের নিচে জল বেরোনোর ছিদ্র থাকা অত্যন্ত জরুরি, না হলে জল জমে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে।

  • 4/8

মাটি তৈরির সময় সাধারণ বাগানের মাটির সঙ্গে সমপরিমাণ গোবর সার বা ভার্মিকম্পোস্ট মেশান। সঙ্গে অল্প পরিমাণ বালি দিলে মাটি ঝরঝরে হবে এবং শিকড় ভালোভাবে বাড়তে পারবে।

  • 5/8

নামেই যার সূর্য, সেই গাছের জন্য রোদ যে সবচেয়ে জরুরি, তা বলাই বাহুল্য। ব্যালকনির এমন জায়গায় টব রাখুন, যেখানে দিনে অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ আসে। রোদ কম হলে ফুল ঠিকমতো ফোটে না।

  • 6/8

জল দেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সাবধানতা দরকার। প্রতিদিন জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মাটির উপরিভাগ শুকিয়ে গেলে তবেই জল দিন। অতিরিক্ত জল সূর্যমুখীর সবচেয়ে বড় শত্রু।

  • 7/8

গাছ একটু বড় হলে সার দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। সপ্তাহে একবার সরষের খোল ভেজানো জল বা সবজির খোসা ভেজানো জল দিলে গাছ শক্তপোক্ত হয়। গাছ নুয়ে পড়া ঠেকাতে ছোট কঞ্চি বা কাঠি দিয়ে সাপোর্ট দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

 

  • 8/8

কংক্রিটের শহরে নিজের হাতে ব্যালকনিতে ফোটানো এই হলুদ ফুল শুধু ঘরের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, মনকেও করে হালকা ও প্রাণবন্ত। এক টব সূর্যমুখী যেন শহুরে জীবনে ছোট্ট একটা রোদের হাসি।

Advertisement
Advertisement