বর্তমানে শহরে বা শহরতলিতে বাড়ি বা ফ্ল্যাটের দাম খুবই বেড়েছে। তাই নগদ টাকায় এটি কেনা কঠিন। যেই কারণে অনেকেই বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে Home Loan নেন। তাই বর্তমানে এই লোনের চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে।
যদিও মাথায় রাখতে হবে, হোম লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে টেনিয়র বা সময়টা মাথায় রাখা খুবই জরুরি। নইলে বিপদ বাড়তে পারে। অনেক বেশি টাকা শোধ করতে হতে পারে। এমনকী শেষের দিকে গিয়ে লোন শোধ নিয়েও সমস্যায় পড়তে পারেন।
তাই হোম লোন টেনিওর সঠিকভাবে প্ল্যান করা উচিত। আর আজকের নিবন্ধে সেই বিষয়টা নিয়েই আলোচনা হল। তাই সেভিংস বাড়াতে চাইলে বিষয়টা জেনে নিন।
হোম লোন টেনিওর সর্বোচ্চ ৩০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। তার থেকে কম সময়ের জন্য লোন নিতে পারেন। যদিও এর থেকে বেশি সময়ের জন্য লোন নেওয়া যাবে না।
তবে হিসেব না করে ৩০ বছরের টেনিওর বা মেয়াদ নেবেন না। তাতে অনেক ক্ষতি হতে পারে। আপনাকে বেশি টাকা সুদ হিসেবে দিতে হতে পারে।
সবার প্রথমে দেখুন আপনার চাকরি কত দিন রয়েছে। সেটা দেখেই প্ল্যান করুন। যদি চাকরি অনেক দিন থাকে, তাহলে বেশি মেয়াদের লোন নিতে পারেন।
নিজের আয়টা মাথায় রাখুন। আপনার আয় যদি কম হয়, তাহলে বেশি দিনের প্ল্যানিং করতে হবে। আর আয় বেশি হলে কম দিনের প্ল্যানিং করুন। তাহলেই হাতে বাঁচবে টাকা।
পরিশেষে বলি, হোম লোনের ইন্টারেস্ট কম। এক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ বছরের মতো লোন টেনিওর রাখা বেস্ট। এই সময় যেই পরিমাণ টাকা বাঁচবে, সেটা বিনিয়োগ করুন। তাহলেই খেলা ঘুরে যাবে। দেখবেন বেশি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন।