শহর এবং শহরতলিতে জমি, বাড়ির দাম লাফিয়ে বাড়ছে। আর সেই কারণেই মধ্যবিত্তের পক্ষে আর নগদ টাকায় বাড়ি, ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তার বদলে লোনের উপরই করতে হচ্ছে ভরসা।
কিন্তু মুশকিল হল, মানুষ বারবার হোম লোন নেয় না। তাই অধিকাংশের কাছেই গৃহ ঋণের বিষয়ে কোনও সঠিক তথ্যই থাকে না। আর সেই কারণেই বিপদ বাড়ে। অনেক বেশি টাকা হয় খরচ।
হোম লোন নেওয়ার আগেই কিছু ভুল সম্পর্কে জেনে নিন। সেগুলি করবেনই না। ব্যাস, তাতেই খেলা ঘুরে যাবে। দেখবেন অনায়াসে বেশ কিছুটা টাকা বাঁচিয়ে ফেলবেন।
অনেকেই ব্যাঙ্ক থেকে যতটা পরিমাণ টাকা ঋণ দেওয়া হয়, ঠিক ততটাই নিয়ে ফেলেন। আর তাতেই বিপদ বাড়ে। নিজের বাজেট থেকে বেশি টাকা লোন নিয়ে ফেলেন।
বেশি টাকা লোন নিলে ইএমআই দিতে হবে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে আয়ের বেশি টাকাই ইএমআই দিতে দিতেই চলে যায়। আর এটাই সমস্যার বিষয়।
অনেকেই লোন নেওয়ার আগে প্রসেসিং ফি-এর কথাটা মাথায় রাখেন না। লোন পাশ হওয়ার সময় এককালীন অনেকটা টাকা চলে যায়। আর এটাই সমস্যার বিষয়। তখন আঙুল কামড়ানো ছাড়া উপায় থাকে না।
কোনও একটা ব্যাঙ্কে গিয়ে লোন নেওয়া ঠিক হবে না। বরং চেষ্টা করতে হবে একাধিক ব্যাঙ্কে গিয়ে লোন নেওয়ার। তাতেই দেখবেন হাতে আসবে কম টাকা।
অনেকেই ইএমআই কম দেবেন বলে লোন টেনিয়র বাড়িয়ে নেন। আর সেই কারণে আদতে বেশি টাকা ইন্টারেস্ট হিসেবে শোধ দিতে হয়। তাই এমন ভুল নয়। বরং কম সময়ের জন্য লোন নিন।