পার্সোনাল লোন প্রয়োজন হতেই পারে। আপৎকালীন সময়ই মানুষ এই লোন নেন। তবে অনেকেই এই লোন নিতে গিয়ে বিপদে পড়েন।
আসলে পার্সোলান নিতে গিয়ে অনেকেই দেখেন যে ইন্টারেস্ট রেট কিছুটা বেশি রয়েছে। আর সেটাই তাঁদের সমস্যায় ফেলে। বেশি ইএমআই দিতে হয়।
এখন প্রশ্ন হল, কেন পার্সোনাল লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু মানুষকে বেশি ইন্টারেস্ট চাপায় ব্যাঙ্ক? আর সেই উত্তরটা রয়েছে নিবন্ধতে।
অনেকের সিভিল স্কোর থাকে কম। আর সেই কারণেই লোনের ইন্টারেস্ট চাপে বেশি। তাই চেষ্টা করুন লোনের ইন্টারেস্ট ৭৫০-এর উপরে রাখার।
কিছু মানুষ একাধিক লোন নেন। তাদের একসঙ্গে একাধিক ইএমআই দিতে হয়। আর সেটাও বিপদ ডেকে আনে। তখন বেশি ইন্টারেস্ট নেয় ব্যাঙ্ক। তাই এই ভুলও নয়।
আয় যদি অনিয়মিত হয়, তাহলে ব্যাঙ্কের লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ে। আর সেটাই কিন্তু বিপদের কারণ। তখন বেশি ইন্টারেস্ট চার্জ করে ব্যাঙ্ক।
কিছু মানুষের একসঙ্গে একাধিক লোন চলে। আর সেটা কোনও কাজের কথা নয়। এর জন্যও ব্যাঙ্ক বেশি সুদ নিতে পারে।
অনেকের লোন নেওয়ার হিস্ট্রি খুব খারাপ। তাঁরা অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক সময় টাকা মেটান না। আর এই জিনিসটা ব্যাঙ্কের চোখে পড়লেই তারা বেশি সুদে পার্সোনাল লোন দেন।
পরিশেষে বলি, পার্সোনাল লোন কোনও কাজের জিনিস নয়। তাই চেষ্টা করুন এটা এড়িয়ে যাওয়ার। নইলে আদতে লোন ট্র্যাপে পড়বেন।