Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ

Sandakphu Snowfall: কয়েক ইঞ্চি বরফে ঢাকা পড়ল সান্দাকফু, আটকে শতাধিক পর্যটক

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Mar 2026,
  • Updated 4:54 PM IST
  • 1/7

শনিবার সকাল থেকেই সান্দাকফু ও তার সংলগ্ন উচ্চ পার্বত্য এলাকায় প্রবল তুষারপাত শুরু হয়েছে। প্রকৃতির এই আকস্মিক রূপবদলে পাহাড়ের চেনা সবুজ রঙ এখন ধবধবে সাদা বরফের চাদরে ঢাকা। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, রাস্তার ওপর প্রায় ছয় ইঞ্চি পুরু বরফের স্তর জমে গিয়েছে। যার ফলে জওহরলাল নেহরু রোড বা জেএন রোডের ১৫ মাইলের পরবর্তী অংশে যাতায়াত কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বরফের কারণে পিছল রাস্তায় গাড়ি চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় থমকে গিয়েছে জনজীবন।
 

  • 2/7

এই অকাল তুষারপাতের জেরে চরম বিপাকে পড়েছেন পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা। জানা গিয়েছে, সান্দাকফু ও তার আশপাশের চড়াই-উতরাই পথে অন্তত শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন। বরফের পুরু চাদরে রাস্তা ঢেকে যাওয়ায় পর্যটকবাহী গাড়িগুলি নিচে নামতে পারছে না। হঠাৎ এমন তুষারপাতকে ‘অস্বাভাবিক’ আখ্যা দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদদের একাংশ। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তরফে উদ্ধারকাজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
 

  • 3/7

তুষারপাতের হাত থেকে রেহাই পায়নি প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমও। উত্তর ও পূর্ব সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকায় তুষারপাত অব্যাহত থাকায় বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। লাচেন থেকে থাঙ্গু এবং থাঙ্গু থেকে গুরুদোংমার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী রাস্তাগুলি বরফের কারণে পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ ইউমথাং থেকে জিরো পয়েন্টের রাস্তাও এখন সাধারণের চলাচলের অযোগ্য। চুংথাং ও মঙ্গন এলাকায় হালকা যান চলাচলের অনুমতি থাকলেও পদে পদে জারি করা হয়েছে সতর্কতা।
 

  • 4/7

এদিকে দক্ষিণবঙ্গের ছবিটাও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে ইতিমধ্যেই রাজ্যে ‘কমলা সতর্কতা’ (Orange Alert) জারি করা হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগের ঝোড়ো হাওয়া। মেঘলা আকাশের কারণে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই নিচে নেমে গিয়েছে, যা চৈত্র মাসে শীতের আমেজ ফিরিয়ে এনেছে।
 

  • 5/7

উত্তরবঙ্গের সমতল জেলাগুলিতেও বৃষ্টির রেশ কাটার লক্ষণ নেই। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে গত কয়েকদিন ধরেই দফায় দফায় বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে যে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে, তার কারণেই এই জোড়া ফলার আক্রমণ, একদিকে বৃষ্টি আর অন্যদিকে তুষারপাত। এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন জারি থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ফলে কৃষিকাজে ক্ষতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
 

  • 6/7

বিপর্যস্ত পাহাড়ি রাস্তায় পর্যটকদের সুরক্ষায় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়ানোর পাশাপাশি পর্যটকদের হোটেল বা নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত উঁচু পার্বত্য এলাকাগুলিতে পর্যটকদের প্রবেশাধিকারও সীমিত করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে, সমতলে জমা জলের সমস্যা ও ঝোড়ো হাওয়ায় গাছ পড়ে বিপত্তির আশঙ্কায় পুরসভাগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে।
 

  • 7/7

বসন্তের এই অকাল দুর্যোগে একদিকে যেমন রোমাঞ্চপ্রিয় পর্যটকরা বরফ দেখে খুশি, ঠিক তেমনই সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি। চৈত্র সেলের বাজারে বৃষ্টির থাবায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। তুষারপাত ও বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলা আগামী সপ্তাহে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাখছেন রাজ্যবাসী। তবে আপাতত দুর্যোগের মেঘ কাটছে না বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement