কথায় আছে সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে সকাল থেকেই ভিড় গঙ্গাসাগরে। পুণ্য স্নান সেরে কপিল মুনি আশ্রমে পুজো দেন ভক্তরা।
রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে মকর সংক্রান্তিতে সাগরে পুণ্যস্নানে আসেন ভক্তেরা। বলা হয়, সব তীর্থে বারবার গিয়ে যে পূণ্যলাভ হয়, গঙ্গাসাগরে মাত্র একবার গিয়ে সেই পরিমাণ পূণ্য লাভ হয়। ভক্তদের কাছে এই তীর্থস্থান পুণ্য মেলে। গঙ্গা ও সাগরের মিলনস্থল এটি।
কপিল মুনি আশ্রম প্রাঙ্গনে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো চলছে গঙ্গাসাগর মেলা। সাধুসন্ন্যাসী, নাগা সন্ন্যাসীদের তাঁবু তৈরি হয়েছে।
মকর সংক্রান্তির দিন এই দিনই সূর্য মকর রাশিতে প্রবেশ করবেন এবং সেই দিনেই পুণ্যস্নান, দান ও পুজোপাঠ করলে সর্বাধিক ফল লাভ করা যাবে। মকর সংক্রান্তির আর একটি তাৎপর্য হল উত্তরায়ণ। এই দিন থেকেই সূর্যের উত্তর দিকে যাত্রা শুরু হয়। শাস্ত্র মতে উত্তরায়ণ দেবতাদের দিন এবং দক্ষিণায়ন দেবতাদের রাত্রি হিসেবে বিবেচিত।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে ২০২৬ সালে ১৪ জানুয়ারি, বুধবার, ভারতীয় সময় বিকেল ৩টে ৭ মিনিটে শুরু সংক্রান্তি। সেই কারণেই বাংলায় এবং জ্যোতিষীয় বিচারে মকর সংক্রান্তি ১৪ জানুয়ারিতেই পালিত হবে।
পুন্যস্নানের আগে থেকেই গঙ্গাসাগরে পুন্যস্নানের জন্য মানুষের ঢল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও গঙ্গাসাগর মেলা দেখতে আসেন বহু মানুষ।
বলা হয়, গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানে মেলে শত জন্মের পুণ্য। যে কারণে পুণ্যার্থীরা কয়ের দিন এখানে কাটান, মেলাও উপভোগ করেন।
বাংলায় ১৪ জানুয়ারি বুধবার মকর সংক্রান্তির ছুটি রয়েছে। এদিনই রাজ্যে সরকারি ছুটি রয়েছে। স্কুল, কলেজ বন্ধ।