Advertisement

ভোট ঘোষণা হতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিল কমিশন, নতুন দায়িত্ব পেলেন কারা?

ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী সূচি প্রকাশের পরেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনল ECI। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে পদ থেকে সরিয়ে দিল কমিশন।

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দিল কমিশনরাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দিল কমিশন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:51 AM IST
  • ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।
  • রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনল ECI।
  • রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে পদ থেকে সরিয়ে দিল কমিশন।

ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী সূচি প্রকাশের পরেই  রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনল ECI। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে পদ থেকে সরিয়ে দিল কমিশন। পরিবর্তে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব হচ্ছেন দুষ্মন্ত নারিয়ালা। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। 

সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে নতুন দুই আধিকারিক নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নির্দেশ কার্যকর করার রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে এত বড় রদবদল নিয়ে রাজ্যজুড়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে রবিবার ভোট ঘোষণা হতেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। কমিশনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলি করার। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই রাজ্যের দুই শীর্ষস্থানীয় আমলাকে সরিয়ে দিল কমিশন।

জানা গিয়েছে, নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা  বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর ও কারা দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে। ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক তিনি।  অন্যদিকে, নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন। 

উল্লেখ্য, গতকালই পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।  এবার দু’দফায় ভোট হবে বঙ্গে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। সেদিন মোট ১৫২ আসনে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল, ১৪২ আসনে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। 

দ্বিতীয় দফায় ভোট ১৪২ আসনে। ২৯ এপ্রিলের সেই ভোট হবে। কলকাতা ও তার আশপাশের জেলাগুলিতে। সেগুলি হল, কলকতা, হাওড়া, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement