Advertisement

দেশ

Hindu Kush Himalaya: হিন্দুকুশ হিমালয়ে তুষারের স্থায়িত্ব তলানিতে, প্রবল জলসঙ্কটের আশঙ্কা, ঠিক কী পরিস্থিতি?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 27 Apr 2026,
  • Updated 11:45 AM IST
  • 1/9

আফগানিস্তান থেকে মায়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃতি হিন্দুকুশ হিমালয়ে যে বিশাল তুষারের চাদর রয়েছে, তার ঘনত্ব ২৩ বছরে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। যার নির্যাস, লক্ষ লক্ষ মানুষ জলসঙ্কটের কবলে পড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
 

  • 2/9

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্টের রিপোর্টে হিন্দুকুশ হিমালয় স্নো আপডেট ২০২৬ বলছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত, এই সময়সীমায় তুষারের স্থায়ীত্ব ২৭.৮ শতাংশ নীচে। 
 

  • 3/9

অর্থাত্‍ হিন্দুকুশ হিমালয় পর্বতাঞ্চলে তুষারপাতের পরে মাটিতে তা কদিন স্থায়ী থাকছে,তা মেপেছেন বিজ্ঞানীরা। 
 

  • 4/9

আসলে মরশুমের তুষারপাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলিতে জলের সরবরাহের জন্য। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলের উপর নির্ভরশীল ১২টি প্রধান নদী অববাহিকায় বার্ষিক মোট জলপ্রবাহের (রানঅফ) প্রায় এক-চতুর্থাংশই আসে তুষার গলে যাওয়ার ফলে।
 

  • 5/9

এই নদীগুলি মাঠে সেচের জল জোগায়, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালায় এবং কাবুল থেকে কলকাতা পর্যন্ত শহরগুলির কলেও জল পৌঁছে দেয়। এই পতন সমানভাবে হয়নি। মেকং নদী উপত্যকায় সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে, স্বাভাবিকের তুলনায় ৫৯.৫ শতাংশ কম। 

  • 6/9

অন্যদিকে তিব্বত মালভূমি অঞ্চলে ঘাটতি ৪৭.৪ শতাংশ। হলুদ নদী এবং আমু দরিয়া অববাহিকাতেও উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে। 
 

  • 7/9

তবে ভারতের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবরও রয়েছে। গাঙ্গেয় উপত্যকায় শীতে তুষারের স্থায়িত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় ১৬.৩ শতাংশ বেশি রেকর্ড হয়েছে, যা উত্তর ভারতের কিছু অংশের জন্য সাময়িক স্বস্তি এনে দিতে পারে।


 

  • 8/9

এটি টানা চতুর্থ শীতকাল, যখন স্বাভাবিকের তুলনায় কম তুষারপাত হয়েছে। আর ২০০৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৪টি শীতকালেই এমন ঘাটতি নথিভুক্ত হয়েছে। এই অঞ্চলের হিমবাহ, প্রকৃতির জমাট বাঁধা জলাধার, এখন ২০০০ সালের আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে গলছে। 
 

  • 9/9

হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে এর ফলে দীর্ঘ ও শুষ্ক গ্রীষ্মের আশঙ্কা আরও বেড়ে যাচ্ছে। তাই বিজ্ঞানীদের অনুরোধ, ভবিষ্যতে প্রবল জলসঙ্কটের মুখে যাতে পডতে না হয়, তাই আরও বেশি করে জল স্টোর করার ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষ করে চাষ ও বিদ্যুত্‍ ক্ষেত্রের মধ্যে কো-অর্ডিনেশন বাড়ানো দরকার। 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement