Advertisement

দেশ

হিমালয়ে ২৮ শতাংশ কম তুষারপাত, গত ২০ বছরে সর্বনিম্ন রেকর্ড, এ কীসের ইঙ্গিত?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 26 Apr 2026,
  • Updated 4:40 PM IST
  • 1/9

হিমালয়ের পার্বত্য এলাকায় রেকর্ড ভাবে কমছে তুষারপাতের পরিমাণ। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের একটি তুষারপাত নিয়ে এই রিপোর্ট সামনে এসেছে।  (ছবি: গেটি)
 

  • 2/9

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে তুষারপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে ২৭.৮ শতাংশ কম হবে। গত ২০ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন তুষারপাত। (ছবি: গেটি)
 

  • 3/9

তুষারপাত কম হওয়ার কারণে, এশিয়া জুড়ে তীব্র জল সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ জল, কৃষি এবং বিদ্যুতের জন্য এই হিমালয়ের তুষারের উপর নির্ভরশীল। এই নিয়ে টানা চতুর্থ বছর হিন্দুকুশ হিমালয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে কম তুষারপাত হলো। (ছবি: গেটি)
 

  • 4/9

রিপোর্ট বলছে, ২০০৩ সাল থেকে ১৪টি শীতকালে কম তুষারপাত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তুষারপাত কম হওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পরিণত হচ্ছে। এছাড়াও, ২০০০ সাল থেকে হিন্দুকুশ হিমালয়ের হিমবাহগুলোও দ্বিগুণ দ্রুত গতিতে গলছে। তুষার ও হিমবাহ উভয়েরই এই দ্রুত হ্রাস এই অঞ্চলের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। (ছবি: গেটি)
 

  • 5/9

হিমালয়ের ১২টি প্রধান নদী অববাহিকার বার্ষিক জল সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জোগান দেয়। এই জল কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পানীয় জলের জন্য অপরিহার্য। (ছবি: Pexels)

  • 6/9

তুষারপাত কমে গেলে গ্রীষ্মকালে নদীর জলপ্রবাহ হ্রাস পাবে, যা সম্ভাব্য খরার কারণ হতে পারে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলনের পরিমাণ বাড়বে, যা ইতিমধ্যেই চাপের মধ্যে থাকা জল সরবরাহ ব্যবস্থারর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। (ছবি: গেটি)
 

  • 7/9

হিন্দুকুশ হিমালয়ের বরফ এশিয়ার প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত। কৃষি, বিদ্যুৎ এবং পানীয় জল- সবই এই বরফের ওপর নির্ভরশীল। টানা চার বছর ধরে কমতে থাকায় হিমালয়ের বরফ এখন রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। জল সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা অবিলম্বে জল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা করার পরামর্শ দিচ্ছেন। (ছবি: গেটি)

  • 8/9

আইসিআইএমওডি-র এই রিপোর্টটি সরকার ও জনগণকে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে, হিমালয়ের বরফ রক্ষা করা এবং জলের কার্যকর ব্যবস্থাপনা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। (ছবি: পিক্সাবে)

  • 9/9

সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে, এই অঞ্চলজুড়ে খাদ্য, জল এবং বিদ্যুৎ নিরাপত্তা গুরুতরভাবে হুমকির মুখে পড়তে পারে। এই সংকট মোকাবেলার একমাত্র উপায় হলো আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বিচক্ষণ পরিকল্পনা। (ছবি: পিক্সাবে)
 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement