ব্লাড প্রেশার কমাতেই হবে। নইলে কিডনি, চোখ, হার্ট সহ শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার রয়েছে আশঙ্কা। বহু জটিল অসুখ নিতে পারে পিছু। তাই সাবধান হতে হবে।
এই কারণেই বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রেশার লেভেল ১৩০/৯০ এমএমএইচজি-এর নীচে রাখতে হবে। তাহলেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন। কোনও জটিল অসুখ আপনার পিছু নিতে পারবে না।
তাই যেভাবেই হোক হাই ব্লাড প্রেশারকে কাবু করতে হবে। আর সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে শুধুই এক্সারসাইজ। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।
এখন প্রশ্ন হল, দিনে কতটা সময় ব্যায়াম করলে উপকার মিলবে হাতেনাতে? কমে যাবে প্রেশার লেভেল? আর সেই উত্তরটা রইল নিবন্ধটিতে।
এক্সারসাইজ করলে রক্তনালী অনেকটা বড় হয়ে যায়। যার ফলে কমে যেতে পারে বিপি। তাই চেষ্টা করুন রোজ নিয়ম করে ব্যায়াম করার।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দিনে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতেই হবে। এর থেকে বেশি সময় করতে পারেন। তবে এর থেকে কম নয়। তাহলেই দেখবেন অনায়াসে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে প্রেশার।
তবে যাঁরা ব্যায়াম করতে পারছেন না, তাঁরা নিয়মিত হাঁটুন। দিনে ৩০ মিনিট হাঁটলেই লাভ পাবেন। তবে এক্ষেত্রে হালকা গতিতে হাঁটলে কাজ হবে না। বরং জোরে হাঁটুন।
যদিও প্রেশার খুব বেশি থাকলে বা হার্টের অসুখ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তিনি যদি হাঁটতে বা এক্সারসাইজ করতে বলেন, তাহলেই করুন। নইলে করা চলবে না।
এছাড়া নিয়ম করে নিজের ওষুধ খেতে হবে। তাহলেই বিপি নিয়ে আর সমস্যা হবে না। অঙ্গগুলি সুরক্ষিত থাকবে। সুতরাং এই নিয়মটা মেনে চলুন।