শীত আর কাশি প্রায় সমার্থক। ঠান্ডা বাড়লেই কাশিতে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ট্রেন, বাসে উঠলেই শোনা যায় কাশির বিকট শব্দ। অনেকেই মুখে হাত দিয়ে কাশতে থাকেন।
আর এমন পরিস্থিতিতে কাশি হলেই অনেকে খেয়ে নিচ্ছেন কাফ সিরাপ। সেটাই বিপদ বাড়াচ্ছে। কারণ, কথায় কথায় কাফ সিরাপ খাওয়া কোনও কাজের কথা নয়। এর জন্য শরীরের হাল বিগড়ে যেতে পারে।
তাই কাফ সিরাফ এড়িয়ে যেতে হবে। তার বদলে ঘরোয়া টোটকা মেনে চলতে হবে। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে।
এখন থেকেই খেতে শুরু করে দিন মধু। এই প্রাকৃতিক মিষ্টি খাবারে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। তাই মধু খেলে অনায়াসে কমিয়ে ফেলা যাবে কাশি।
তুলসী পাতা নিয়মিত সেবন করতে ভুলবেন না। তুলসী শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই নিয়মিত তুলসী পাতা সেবন করলে দেখবেন কাশি কমে যাবে। উঠে আসবে কফ।
আদাও কাশির সমস্যা সমাধানে একাই একশো। এতে রয়েছে জিজ্ঞেরল নামক একটি উপকারী উপাদান। তাই নিয়মিত আদা খেলে অনায়াসে কাশি থেকে মুক্তি পাবেন। শরীর থাকবে সুস্থ।
হলুদ খেতে হবে। হলুদের অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি গুণ রয়েছে। তাই নিয়মিত হলুদ খেলে উপকার মিলবে হাতেনাতে। শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে।
লেবু জাতীয় ফল খেতে হবে। এতে রয়েছে ভিটামিন সি। আর এই ভিটামিন ইমিউনিটি বাড়িয়ে দিতে পারবে। যার ফলে সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন জলদি।
কাশি হলে খাওয়া যাবে না কোনও ঠান্ডা খাবার। পাশাপাশি কোল্ড ড্রিংক এবং মদও এড়িয়ে যেতে হবে। তাতেই সুস্থ থাকতে পারবেন। দেখবেন কাশি কমে যাবে।