
পাথারকান্দি অসমের বরাক উপত্যকার শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রটি করিমগঞ্জ লোকসভা আসনের অন্তর্গত ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রের একটি। এই আসনটি জেনারেল (আনরিজার্ভ) ক্যাটেগরির আসন।
১৯৫১ সালে এই কেন্দ্র গঠনের পর থেকে পাথারকান্দিতে মোট ১৫টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রথম দিকে কংগ্রেসের প্রভাব থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপি এখানে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। কংগ্রেস ও বিজেপি, দু’দলই এখানে পাঁচবার করে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে নির্দল প্রার্থীরা চারবার জিতেছেন। এছাড়াও, সিপিআই এই আসনে একবার জয়লাভ করেছেন।
২০১১ সালে কংগ্রেসের মনিলাল গোয়ালা বিজেপির কার্তিক সেনা সিনহাকে হারিয়ে জয়ী হন। তবে ২০১৬ সালে বিজেপির কৃষ্ণেন্দু পাল এআইইউডিএফ প্রার্থীক...
পাথারকান্দি অসমের বরাক উপত্যকার শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রটি করিমগঞ্জ লোকসভা আসনের অন্তর্গত ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রের একটি। এই আসনটি জেনারেল (আনরিজার্ভ) ক্যাটেগরির আসন।
১৯৫১ সালে এই কেন্দ্র গঠনের পর থেকে পাথারকান্দিতে মোট ১৫টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রথম দিকে কংগ্রেসের প্রভাব থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপি এখানে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। কংগ্রেস ও বিজেপি, দু’দলই এখানে পাঁচবার করে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে নির্দল প্রার্থীরা চারবার জিতেছেন। এছাড়াও, সিপিআই এই আসনে একবার জয়লাভ করেছেন।
২০১১ সালে কংগ্রেসের মনিলাল গোয়ালা বিজেপির কার্তিক সেনা সিনহাকে হারিয়ে জয়ী হন। তবে ২০১৬ সালে বিজেপির কৃষ্ণেন্দু পাল এআইইউডিএফ প্রার্থীকে প্রায় ৯,২৬৮ ভোটে পরাজিত করে আসনটি দখল করে। ২০২১ সালেও বিজেপি এই আসন ধরে রাখে, যদিও জয়ের ব্যবধান কমে প্রায় ৪,৪৬৭ ভোটে নেমে আসে।
লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০০৯ সালে কংগ্রেস এগিয়ে থাকলেও, ২০১৪-তে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। ২০১৯ সালে বিজেপি কংগ্রেসকে প্রায় ২৯,৯৫৯ ভোটে হারায় এবং ২০২৪ সালে সেই ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৭৮,৮১৩ ভোটে।
২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১,৭৮,৪৮৪ জব। যদিও ২০২৩ সালের ডিলিমিটেশন এবং SIR ২০২৫-এর পর ভোটারের সংখ্যা কিছুটা কমে গিয়েছে। তবুও ভোটদানের হার বরাবরই বেশি। ২০২৪ সালে এখানে ৮০.৩৪ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
জনসংখ্যার দিক থেকে এখানে মুসলিম ভোটার প্রায় ৪৪.৬ শতাংশ, তফসিলি জাতি প্রায় ১১.৪৮ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুসলিম ভোটার সংখ্যা বেশি হলেও বিজেপি এখানে একাধিকবার জয় পেয়েছে। এর মূল কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা জানান, মুসলিম ভোটের বিভাজন এবং হিন্দু ভোটের একজোট হওয়া।
ভৌগোলিকভাবে পাথারকান্দি বারাক নদী ও তার শাখানদীগুলির তীরবর্তী সমতল ভূমি। এলাকায় জলাভূমি, বিল এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি রয়েছে। ধান চাষ, মাছ চাষ ও ছোটখাটো ব্যবসাই মূল জীবিকা। তবে বর্ষাকালে বন্যার আশঙ্কা থাকে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে জাতীয় সড়ক ৬ এবং অন্যান্য সড়কপথে সংযোগ রয়েছে। নিকটবর্তী শহর করিমগঞ্জ (১২-১৫ কিমি), বদরপুর (২০-২৫ কিমি) এবং নিলামবাজার রয়েছে। গুয়াহাটি প্রায় ৩০০ কিমি দূরে। রেল যোগাযোগও রয়েছে।
২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি তাদের বর্তমান বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পালের উপরই ভরসা রেখেছে। অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে দলবদলকারী নেতা কার্তিক সেনা সিনহাকে। এছাড়াও, আম আদমি পার্টি, এসইউসিআই (সি), ফরওয়ার্ড ব্লক এবং একাধিক নির্দল প্রার্থীও লড়াইয়ে রয়েছেন।
রাজনৈতিক সমীকরণে দেখা যাচ্ছে, মুসলিম ভোটের বিভাজন এবং হিন্দু ভোটের একত্রীকরণ আবারও বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাশাপাশি, বিজেপির টানা দুইবারের জয় এবং সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে থাকা তাদের কিছুটা বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। সব মিলিয়ে পাথারকান্দি বিধানসভা কেন্দ্র ২০২৬-এ অত্যন্ত আকর্ষণীয় লড়াইয়ের সাক্ষী হতে চলেছে।
Sachin sahoo
INC
Nota
NOTA
Shihab uddin ahmed
IND
Sahin uz jaman
IND
Sabbir ahmed
AGP
Ibrahim ali
IND
Humayun kabir
ASMJTYP
Sanjoy kumar malakar
IND
Jayanta sinha
RPI
Md. bahar uddin
RUC
Chandan das
IND
Yashobanta kuamr das
IND
Yeafus ali
IND
Bulu chanda
SUCI
Nurul islam
AIFB
Debendra kumar sinha
AIUDF
Moni lal gowala
INC
Kripesh ranjan dasgupta
CPM
Nota
NOTA
Kabir ahmed
IND
Rahim uddin ahmed
IND
Misbaque uddin
SP
Debangshu nath
SUCI
Asad uddin ahmed
IND
Nitai dey
IND
Nihar ranjan deb nath
IND