Advertisement

লাইফস্টাইল

Monsoon Forest Travel Of Dooarsini: জঙ্গল মানেই ডুয়ার্স কিংবা সুন্দরবন নয়, বর্ষায় সুন্দরী হয়ে ওঠে রাজ্যেরই এই ফরেস্ট

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • দুয়ারসিনি (পুরুলিয়া),
  • 15 Jun 2026,
  • Updated 8:27 PM IST
  • 1/8

প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হতেই বাঙালির মন আবার ব্যাকুল হয়ে উঠেছে পাহাড় আর জঙ্গলের টানে। মেঘলা আকাশে বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা পড়তেই ভ্রমণের কথা উঠলে সবার আগে মাথায় আসে উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স। তবে ডুয়ার্স ভ্রমণ বেশ অনেকটাই ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ বিষয়।

  • 2/8

তাই অনেকে আবার সুন্দরবনে যেতে চান। প্রথমত সুন্দরবন বর্ষায় ভয়ঙ্কর। খরচও নেহাত কম নয়। তাহলে জঙ্গল দর্শন কি এই বর্ষায় হবে না? খরচ বাঁচিয়ে ঘোরার সাধ তো সকলেরই থাকে। তাই কম খরচে ও অল্প সময়ে যারা জঙ্গল ও পাহাড়ের যুগলবন্দী উপভোগ করতে চান তাঁদের জন্য এই বর্ষায় এক অনবদ্য অফবিট ঠিকানা হতে পারে পুরুলিয়া জেলার দুয়ারসিনি। 

  • 3/8

পুরুলিয়া এবং ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত এই দুয়ারসিনির প্রাকৃতিক রূপ বর্ষার মরশুমে এতটাই মনোরম হয়ে ওঠে যা উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সকেও অনায়াসে টেক্কা দিতে পারে। চারদিকের পিন ড্রপ সাইলেন্স বা নিস্তব্ধতার মাঝে শুধু পাখির কিচিরমিচির আর দূর থেকে ভেসে আসা বন্য জন্তুদের আওয়াজ পর্যটকদের এক লহমায় ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। 

  • 4/8

শহুরে কোলাহল থেকে দূরে দুদিনের ছুটিতে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে এবং প্রকৃতির একদম কাছাকাছি রাত্রিবাসের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন দফতরের নিজস্ব কিছু চমৎকার ইকো কটেজ রয়েছে এখানে। এই সুন্দর চিত্র আঁকা কটেজগুলিতে থাকার জন্য অনলাইন এবং অফলাইন দুই ভাবেই বুকিং করার সুবন্দোবস্ত রয়েছে। এখানকার চমৎকার আতিথেয়তা এবং স্নিগ্ধ পরিবেশ যে কোনও ভ্রমণপিপাসু মানুষের মন ভালো করতে বাধ্য।

  • 5/8

দুয়ারসিনির গহীন জঙ্গলে সুরক্ষার কোনও অভাব নেই তাই ভয়ডরহীন ভাবে প্রকৃতির আদিম সৌন্দর্য মনভরে উপভোগ করা যায়। কেউ যদি এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখতে বা সাইটসিইং করতে চান তবে কটেজ কর্তৃপক্ষকেই জানালে তাঁরা গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন। ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলা থেকে এই জায়গার দূরত্ব মাত্র ২০ কিলোমিটারের কাছাকাছি।

  • 6/8

ঘাটশিলা থেকে কটেজে যাওয়ার পাহাড়ি পথেই দেখা মিলবে পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত জাগ্রত রঙ্কিণী মাতার মন্দির। এছাড়া দুয়ারসিনি ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হল এখানকার পাহাড় লেক জঙ্গল ঝরনা এবং সাত গুরুং নদী। একই সঙ্গে পর্যটকরা এখানে এলে দুয়ারসিনি মাতার মন্দির এবং অপরূপ গিরি জলপ্রপাতের জলধারার সাক্ষী হতে পারবেন যা বর্ষার দিনে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

  • 7/8

কলকাতা বা হাওড়া থেকে এই মায়াবী অফবিট ঠিকানায় পৌঁছানো অত্যন্ত সহজ এবং এর জন্য মূলত দুটি পথ রয়েছে। প্রথমত হাওড়া স্টেশন থেকে যে কোনো ট্রেনে চেপে সরাসরি পুরুলিয়া স্টেশনে চলে আসা যায় এবং সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে সহজেই দুয়ারসিনি পৌঁছানো সম্ভব।

 

  • 8/8

দ্বিতীয়ত কেউ চাইলে হাওড়া থেকে ট্রেনে চড়ে প্রথমে ঘাটশিলা স্টেশনে নেমে পড়তে পারেন। ঘাটশিলা স্টেশন চত্বর থেকে দুয়ারসিনি ফরেস্ট কটেজ যাওয়ার জন্য সারাদিনই প্রচুর অটো বা গাড়ি পাওয়া যায় যা মাত্র ২০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে পর্যটকদের পৌঁছে দেবে প্রকৃতির এই সবুজ স্বর্গে।

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement