Advertisement

খেলা

IPL 2026 Champion: RCB-র সেলিব্রেশন অনুষ্কা-ময়, কেমন হল বিরাটদের জয়ের উত্‍সব? রইল সব ছবি

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • আহমেদাবাদ,
  • 01 Jun 2026,
  • Updated 9:37 AM IST
  • 1/14

আঠারো বছরের অপেক্ষা। অসংখ্য ব্যর্থতা। তিন-তিনটি ফাইনালে হার। প্রতি মরশুমে সমর্থকদের নতুন করে স্বপ্ন দেখা, আর শেষে সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া।
 

  • 2/14

একসময় আইপিএলের সবচেয়ে জনপ্রিয় অথচ সবচেয়ে হতভাগ্য দল বলেই পরিচিত ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কিন্তু সময় বদলেছে। আর সেই বদলটা এমনই নাটকীয় যে, এখন আরসিবিকে নিয়ে নতুন করে ইতিহাস লেখা হচ্ছে।
 

  • 3/14

২০২৫ সালে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু সেটি হয়তো একবারের সাফল্য। হয়তো আবেগ, ভাগ্য এবং কয়েকজন ক্রিকেটারের অসাধারণ পারফরম্যান্স মিলেই সেই ট্রফি এসেছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে ফের চ্যাম্পিয়ন হয়ে আরসিবি সব সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে দিল। তারা প্রমাণ করে দিল, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়। এটি একটি নতুন শক্তির উত্থান।

  • 4/14

আইপিএলের ইতিহাসে এর আগে শুধুমাত্র মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসই টানা দু’বার ট্রফি জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজিকেই আইপিএলের অভিজাত ক্লাব হিসেবে ধরা হত। 

  • 5/14

তাদের ট্রফি সংখ্যা, ধারাবাহিকতা এবং চাপের ম্যাচে জেতার ক্ষমতা অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আর শুধু নাম লেখানো নয়, নিজেদের জায়গা তারা দখল করে নিয়েছে দাপটের সঙ্গেই।
 

  • 6/14

আহমেদাবাদের বিশাল দর্শকাসনের সামনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে গুজরাত টাইটান্সকে কার্যত কোনও সুযোগই দেয়নি আরসিবি। ম্যাচের শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, দুটি দলের প্রস্তুতি এবং মানসিক অবস্থার মধ্যে বিরাট পার্থক্য রয়েছে। গুজরাট মাঠে নেমেছিল একটি স্বপ্ন নিয়ে। আরসিবি মাঠে নেমেছিল সেই স্বপ্ন ভেঙে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে।
 

  • 7/14

ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে সাধারণত চাপ কাজ করে। অনেক সময় শক্তিশালী দলও নিজেদের সেরাটা দিতে পারে না। কিন্তু আরসিবির ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা দেখা গেল। তারা এমন আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলল, যেন এই মঞ্চ তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। যেন শিরোপা জেতাই তাদের স্বাভাবিক কাজ।
 

  • 8/14

ব্যাট হাতে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল বেঙ্গালুরু। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বড় রান, দ্রুত রান তোলা এবং প্রতিপক্ষ বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি, সব কিছুই পরিকল্পনা মাফিক হয়েছে। অন্যদিকে বোলিং বিভাগও ছিল দুর্দান্ত। 
 

  • 9/14

গুজরাতের ব্যাটারদের এক মুহূর্তের জন্যও স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি তারা। উইকেটের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি, সুযোগ তৈরি করতে হয়নি। আরসিবি নিজেরাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।
 

  • 10/14

তবে এই সাফল্যের পেছনে শুধুমাত্র এক বা দুই ক্রিকেটারের অবদান নেই। গত দুই মরশুমে আরসিবির সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাদের দলগত ক্রিকেট। একসময় এই দলকে ঘিরে আলোচনা মানেই ছিল কয়েকজন তারকা ক্রিকেটারের নাম। এখন সেই জায়গায় এসেছে ভারসাম্যপূর্ণ দল, স্পষ্ট পরিকল্পনা এবং দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সংস্কৃতি।
 

  • 11/14

২০২৫ সালে প্রথম ট্রফি জয়ের পর দলের মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, সেটাই ২০২৬ সালে আরও শক্তিশালী হয়েছে। আরসিবি এখন আর এমন দল নয়, যারা শুধু সমর্থকদের আবেগে বেঁচে থাকে। তারা এখন ফলাফল দেয়। তারা জানে কীভাবে চাপ সামলাতে হয়, কীভাবে বড় ম্যাচ জিততে হয় এবং কীভাবে একটি সফল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হয়।
 

  • 12/14

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে মানসিকতায়। বহু বছর ধরে 'এবারও পারল না' তকমা বয়ে বেড়ানো দলটি এখন প্রতিপক্ষের কাছে ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ। আইপিএলের প্রতিটি দল জানে, আরসিবিকে হারাতে হলে বিশেষ কিছু করতে হবে। কারণ তারা শুধু প্রতিভার উপর নির্ভর করছে না, তারা একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট ইউনিট হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেছে।
 

  • 13/14

দুটি ট্রফি। পরপর দুই বছরে। প্রথমটির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১৮ বছর। দ্বিতীয়টির জন্য মাত্র ১২ মাস। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, কত দ্রুত নিজেদের ভাগ্য বদলে ফেলেছে বেঙ্গালুরু।
 

  • 14/14

একসময় সোশ্যাল মিডিয়ার মিম আর ট্রোলের বিষয় ছিল যে দল, আজ তারাই আইপিএলের নতুন সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে। লাল জার্সির সেই দল এখন শুধু জনপ্রিয় নয়, সফলও। আরসিবির সমর্থকদের জন্য এটি শুধুই একটি ট্রফি জয়ের গল্প নয়, এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর অর্জিত সম্মান, গর্ব এবং আধিপত্যের গল্প।
 

Advertisement

লেটেস্ট ফটো

Advertisement