Advertisement

BJP Win Stats: রেকর্ড! বাংলায় এতগুলি আসনে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছে বিজেপি

West Bengal Election 2026: শুধু সরকার গঠনই নয়, বিপুল ব্যবধানে জয়ের নিরিখেও রেকর্ড গড়ল বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতা আসনগুলির প্রায় ৬০ শতাংশই গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে।

বিজেপির জয়ের পরিসংখ্যান সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো।বিজেপির জয়ের পরিসংখ্যান সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 06 May 2026,
  • अपडेटेड 11:14 PM IST
  • শুধু সরকার গঠনই নয়, বিপুল ব্যবধানে জয়ের নিরিখেও রেকর্ড গড়ল বিজেপি।
  • কমিশনের তথ্য বলছে, ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতা আসনগুলির প্রায় ৬০ শতাংশই গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে।
  • গেরুয়া ঝড়ে, টানা ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটল বাংলায়।

West Bengal Election 2026: শুধু সরকার গঠনই নয়, বিপুল ব্যবধানে জয়ের নিরিখেও রেকর্ড গড়ল বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতা আসনগুলির প্রায় ৬০ শতাংশই গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় ২০৭টি আসন জিতেছে বিজেপি। অর্থাৎ, হিসেব বলছে, দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। আর এই গেরুয়া ঝড়ে, টানা ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটল বাংলায়।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের অন্তত ৩৯টি কেন্দ্রে জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজারের বেশি। তার মধ্যে বিজেপি জিতেছে ২৩টি আসনে। তৃণমূল পেয়েছে ১৫টি আসন। বাকি একটি আসন গিয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির দখলে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ফল বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি এবং ভোটব্যাঙ্কের বিস্তারের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় এসেছে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্র থেকে। সেখানে বিজেপি প্রার্থী আনন্দময় বর্মন তৃণমূলের শঙ্কর মালাকারকে ১ লক্ষ ৪ হাজার ২৬৫ ভোটে হারিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের এই বিপুল ব্যবধান রাজনৈতিক মহলে আলাদা করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রেও বিজেপির দাপট স্পষ্ট। সেখানে গেরুয়া প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৯৮ হাজার ভোটে তৃণমূলের রঞ্জন শীল শর্মাকে হারিয়েছেন। ইংলিশবাজার কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুড়ি ৯৩ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন। উত্তরবঙ্গের একাধিক কেন্দ্রে বিজেপির এই বড় ব্যবধানেই এটা প্রমাণ হয় যে, ওই অঞ্চলে বিজেপির জমি বেশ শক্ত।

শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, শিলিগুড়ি, কোচবিহার উত্তর, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের মতো কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থীরা ৬০ থেকে ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে হিন্দি ও রাজবংশী ভোটব্যাঙ্কের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়ায় এই ফলাফল।

তবে তৃণমূলও কিছু কেন্দ্রে শক্ত ঘাঁটি ধরে রাখতে পেরেছে। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ বাহারুল ইসলাম AISF প্রার্থী আরাবুল ইসলামকে ৯১ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন। গোলপোখরে মহম্মদ গুলাম রব্বানি বিজেপির সরজিৎ বিশ্বাসকে ৮৩ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন।

Advertisement

কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি কেন্দ্রেও তৃণমূলের দাপট বজায় রয়েছে। চোপড়া, বালিগঞ্জ, চাঁচল এবং কলকাতা পোর্ট কেন্দ্রে হামিদুল রহমান, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিম ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন। এই ফল থেকে স্পষ্ট, কিছু এলাকায় এখনও তৃণমূলের সংগঠন যথেষ্ট শক্তিশালী।

তবে সামগ্রিকভাবে বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। বিজেপির বিপুল জয় শুধু আসন সংখ্যাতেই সীমাবদ্ধ নয়, জয়ের ব্যবধানেও তা স্পষ্ট। অনেক কেন্দ্রেই তৃণমূল দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বিজেপির ভোটের ব্যবধান বিরোধীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির সামনে এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা প্রশাসন চালানো। আর তৃণমূলের কাছে লড়াইটা এখন ক্ষমতা ধরে রাখার নয়, বরং রাজনীতিতে নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা ফের প্রতিষ্ঠা করার।

Read more!
Advertisement
Advertisement