
জয়নগর লোকসভার অন্তর্গত ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র। জেনারেল ক্যাটাগরির এই আসনটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের সাতটি ও ভাঙরের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এখানকার মাটি নিচু, জলাভূমি ও নদী দ্বারা এলাকাটি বেষ্টিত। মূল ক্যানিং বিধানসভা আসনটি ১৯৫৭ সালে তৈরি হয়। ১৯৫৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে কংগ্রেস দল পাঁচবার জেতে। বাংলা কংগ্রেস একবার। ১৯৭৭ সালে, সীমানা নির্ধারণ কমিশন আসনটিকে ক্যানিং পূর্ব এবং ক্যানিং পশ্চিমে বিভক্ত করে দেয়। তারপর থেকে ক্যানিং পূর্ব ১০ বার নির্বাচনের সাক্ষী হয়েছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) টানা আটবার এই আসন থেকে জিতেছে। প্রতিবারই প্রার্থী ছিলেন আবদুর রেজ্জাক মোল্লা। তাঁকে ১৯৯১ থেকে ২০১১...
জয়নগর লোকসভার অন্তর্গত ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র। জেনারেল ক্যাটাগরির এই আসনটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের সাতটি ও ভাঙরের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। সুন্দরবনের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এখানকার মাটি নিচু, জলাভূমি ও নদী দ্বারা এলাকাটি বেষ্টিত। মূল ক্যানিং বিধানসভা আসনটি ১৯৫৭ সালে তৈরি হয়। ১৯৫৭ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে কংগ্রেস দল পাঁচবার জেতে। বাংলা কংগ্রেস একবার। ১৯৭৭ সালে, সীমানা নির্ধারণ কমিশন আসনটিকে ক্যানিং পূর্ব এবং ক্যানিং পশ্চিমে বিভক্ত করে দেয়। তারপর থেকে ক্যানিং পূর্ব ১০ বার নির্বাচনের সাক্ষী হয়েছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) টানা আটবার এই আসন থেকে জিতেছে। প্রতিবারই প্রার্থী ছিলেন আবদুর রেজ্জাক মোল্লা। তাঁকে ১৯৯১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত মন্ত্রিসভার সদস্যও করেছিল বামফ্রন্ট। তিনি এই আসন থেকে ২০১১ সালে কংগ্রেসের ইব্রাহিম মোল্লাকে ২১,১১৩ ভোটে হারিয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু ২০১৪ সালে সিপিআই(এম) থেকে বহিষ্কৃত হন। তারপর তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১৬ সালে ভাঙর থেকে রাজ্যের শাসকদলের টিকিটে নির্বাচিত হন তিনি। সেবার এই আসনে দাঁড়ান তৃণমূলের সওকত মোল্লা। রেজ্জাক মোল্লা সিপিআইএম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরপরই এই আসনে বামেদের আধিপত্য কমে যায়। ২০১৬ সালে এখানে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূলের সওকত মোল্লা। সেবার বাম প্রার্থী আজিজের রহমান মোল্লাকে ৫৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারতে হয়। ২০২১ সালে এখানে বামেরা প্রার্থী না দিয়ে আইএসএফকে সমর্থন করে। তবে সওকত মোল্লা সেবারও বিপুল ভোটের ব্য়াবধানে হারিয়ে দেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে। ২০১৪ সালেল লোকসভা ভোটের সময় থেকে ক্যানিং পূর্ব আসনে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেবার আরএসপি প্রার্থীর চেয়ে ৪৫ হাজারের বেশি ভোট পায় তৃণমূল। ২০১৯ ও ২০১৪ সালের লোকসভায় যথাক্রমে ১৪৩,১৭৩ ও ১৬৬,২২৪ ভোটের লিড পান তৃণমূল প্রার্থী। ক্যানিং পূর্বে ২০২৪ সালে ২৭৬,২৫৬ জন ভোটার নিবন্ধিত ছিলেন। ২০২১ সালে ২৬২,৪৩৯ এবং ২০১৯-এ ২৩৯,৪৬৯ জন। নির্বাচনী এলাকাটা মূলত গ্রামীণ। মাত্র ১২.৩৭ শতাংশ শহরাঞ্চলের। মুসলিম রয়েছে ৫৫.৭০ শতাংশ। ভোটার উপস্থিতি ধারাবাহিকভাবে বেশি। ২০১১ সালে ৯০.৫৯ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৮৭.৭৪ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৮৬.১৩ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৮৮.৭২ শতাংশ। বিধানসভা কেন্দ্রটি সুন্দরবন বদ্বীপের ধারে অবস্থিত। এখানকার জলবায়ু বছরের বেশিরভাগ সময় আর্দ্র। মাটি উর্বর হলেও বর্ষাকালে বন্যার ঝুঁকি থাকে। এই অঞ্চলে ধান এবং মৎস্য চাষ হয়। একানকার বেশিরভাগ গ্রাম ক্যানিং শহরের সঙ্গে সংযুক্তপাকা রাস্তার মাধ্যমে। ক্যানিং শহর নির্বাচনী এলাকার মাঝখান থেকে প্রায় ৮ কিমি দূরে। কলকাতা প্রায় ৪৫ কিমি দূরে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সদর দপ্তর বারুইপুর প্রায় ২৫ কিমি দূরত্বে অবস্থিত। মুসলিম ভোট বেশি পাওয়ার কারণে এই আসনটি তৃণমূল শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির পক্ষে আসনটি জেতা কঠিন। তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বামফ্রন্টকে ছাড়িয়ে তারা দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলে সেটাও তাদের সাফল্য বলে মানতে হবে। বামফ্রন্ট এই আসন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে এটি রাজ্যের শাসকদলের জন্য নিরাপদ আসন।
Gazi shahabuddin siraji
RSSCMJP
Kalipada naskar
BJP
Rafik akunje
SUCI
Nota
NOTA
Ajay haldar
IND
Ajijer rahaman molla
CPM
Sudarshan goswami
BJP
Nota
NOTA
Sujit naskar
SUCI