
কোচবিহার জেলার অন্তর্গত দিনহাটা মহকুমার ব্লকস্তরের শহর সিতাই। আসনটি তপশিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্ত। কোচবিহার লোকসভার অন্তর্গত এই আসনটি সিতাই ব্লক, দিনহাটা ১ নম্বর ব্লক ও ১১ টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আসনটি ১৫ টি বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের উপনির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেসের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আগে কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীরা সিতাই দখল করত।
১৯৬৭ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে অনুষ্ঠিত আটটি ভোটে কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লক চারবার করে আসনটি দখল করেছিল। এই ক্রম ভেঙে দেন মহম্মদ ফজলে হক। তিনি আগে কংগ্রেস দলের হয়ে জিততেন। পরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতেছিলেন। তবে ২০০৬ সালে তিনি কংগ্রেসের হয়ে...
কোচবিহার জেলার অন্তর্গত দিনহাটা মহকুমার ব্লকস্তরের শহর সিতাই। আসনটি তপশিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্ত। কোচবিহার লোকসভার অন্তর্গত এই আসনটি সিতাই ব্লক, দিনহাটা ১ নম্বর ব্লক ও ১১ টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আসনটি ১৫ টি বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের উপনির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেসের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আগে কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীরা সিতাই দখল করত।
১৯৬৭ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে অনুষ্ঠিত আটটি ভোটে কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লক চারবার করে আসনটি দখল করেছিল। এই ক্রম ভেঙে দেন মহম্মদ ফজলে হক। তিনি আগে কংগ্রেস দলের হয়ে জিততেন। পরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতেছিলেন। তবে ২০০৬ সালে তিনি কংগ্রেসের হয়ে আসনটি দখল করেছিলেন। ফলে একাই ওই আসন থেকে ৬ বার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এই আসন থেকে কংগ্রেস দল ৬ বার, ফরওয়ার্ড ব্লক ৫ বার ও তৃণমূল ৩ বার আসনটি দখল করেছে। এর মধ্য়ে ২০২৪ সালের উপনির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০১১ সালে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস জোট প্রার্থী কেশবচন্দ্র রায় ফরওয়ার্ড ব্লকের দীপক কুমার রায়কে ১৫৭৭ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ২০১৬ সালে দুই দলের জোট ভেঙে যায়। তারপর সেখান থেকে জেতেন তৃণমূলের জগদীশ চন্দ্র বাসুনিয়া। কেশবচন্দ্র রায়কে ২৫,২৫১ ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালেও ওই আসন থেকে জেতেন বাসুনিয়া। সেবার তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে বিজেপিতে যোগদানকারী দীপক কুমার রায়। এরপর বাসুনিয়ার মৃত্যুর ফলে উপনির্বাচন হয় ওই আসন থেকে। সেবার ঘাসফুল শিবিরের টিকিটে জয়ী হন সঙ্গীতা রায়। হারের মুখ দেখতে হয় দীপক কুমার রায়কে।
২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে এই আসন থেকে ১০ হাজারেরও বেশি ভোটে লিড দিয়েছিল ফরওয়ার্ড ব্লক। তবে তারপর এই আসন থেকে তৃণমূল লিড পেতে থাকে। ২০১৪ সালের পর থেকে পরবর্তী সবগুলো লোকসভা আসনে ১২, ৩২১, ৩৪,৬৬১ ও ২৮,৩৭৭ ভোটে এগিয়েছিলেন রাজ্যের শাসকদলের প্রার্থীরা।
২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তারিখে প্রকাশিত, সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের খসড়া ভোটার তালিকায় ২৯১,৪২১ জন ভোটার ছিলেন। ২০২৪ সালে ৩০৪,২৩৮ জন নিবন্ধিত ভোটারের তুলনায় ১২,৮১৭ জন ভোটার কমে যায়। এর আগে, ২০২১ সালে এটি ২৯০,৫৬৮, ২০১৯ সালে ২৭৬,৯৫৮, ২০১৬ সালে ২৬২,৫৬৫ এবং ২০১১ সালে ২০৯,৫৮০ জন ভোটার ছিলেন। তার মধ্যে তপসিলি জাতি ৫০.৫৬ শতাংশ ও মুসলিম ছিল ৩৮.১০ শতাংশ। এখানে কোনও শহুরে ভোটার নেই।
সীতাই উত্তরবঙ্গের তরাই অঞ্চলে পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশের সমতল পলিমাটি সমভূমিতে অবস্থিত। নদীর জালের কারণে এই অঞ্চলটি বন্যা এবং পলি জমার ঝুঁকিতে রয়েছে। জলঢাকা, সিঙ্গিমারি, গিরিধারীর মতো প্রধান নদী এবং তিস্তা ও তোর্সার উপনদীগুলি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বা কাছাকাছি প্রবাহিত হয়। এই হিমালয় নদীগুলি প্রায়শই গতিপথ পরিবর্তন করে। পলি বহন করে। যার ফলে মৌসুমী বন্যা এবং ক্ষয় হয়।
এই এলাকার অর্থনীতি প্রায় সম্পূর্ণরূপে কৃষির উপর নির্ভরশীল। ধান, পাট, আলু, শাকসবজি, ডাল, গম, ভুট্টা, নারকেল, সুপারি এখানকার প্রধান অর্থকরী ফসল। অনেকে মৎস্যচাষও করেন। এখানকার সব গ্রামে বিদ্যুৎ এবং পানীয় জল রয়েছে। তবে পাকা রাস্তা, পরিবহন, যোগাযোগ এবং ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে। নিকটতম রেলস্টেশনটি জলঢাকা নদীর ওপারে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে দিনহাটায় অবস্থিত।
সিতাইয়ের কাছাকাছি শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে দিনহাটা। ৩৪ কিলোমিটার দূরে কোচবিহার, ৩৬ কিলোমিটার দূরে মাথাভাঙ্গা, ২৩ কিলোমিটার দূরে শীতলকুচি, ৫৫ কিলোমিটার দূরে তুফানগঞ্জ, প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে আলিপুরদুয়ার এবং ৭০০ থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দূরে রাজ্যের রাজধানী কলকাতা। সিতাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে অবস্থিত। এই এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে।
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার সময় যদি SIR-পরবর্তী খসড়া তালিকা কমবেশি অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে এর কিছুটা প্রভাব পড়বে ভোটে। কারণ বাদ পড়া ভোটারদের সংখ্যা ২০২১ সালের তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ের ব্যবধানের চেয়ে বেশি। বর্তমানে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোট এখানে রাজনৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে লড়াই হবে।
Dipak kumar roy
BJP
Keshab chandra ray
INC
Sunil mahanta
IND
Lalchand barman
IND
Nota
NOTA
Anil chandra barman roy
SUCI
Kashikanta barman
IND
Proshanta barman
LJP
Prasanna kumar roy
AMB
Keshab chandra ray
INC
Bhaben chandra ray
BJP
Nota
NOTA
Tapas barman
AMB
Mani mahanta
BSP
Anil chandra barman roy
SUCI