
প্রাচীনতম জনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম পশ্চিবঙ্গের তমলুক। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সদর শহর। তমলুক লোকসভার সাতটি বিধানসভার মধ্যে এটিও একটি। ১৯৫১ সালে কেন্দ্রটি তৈরি হয়। তমলুক ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ঐতিহাসিক নথিতে বন্দর শহর তাম্রলিপ্তের উল্লেখ রয়েছে। যা একসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল। রূপনারায়ণ নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ভ্রমণের জন্যও জায়গাটি প্রসিদ্ধ ছিল। এখন সেই তমলুক অতীত। যদিও প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রটি তমলুক পুরসভা, শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক ও তমলুকের চারটি ব্লক নিয়ে গঠিত। এই বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ বার ভোট হয়েছে। যার মধ্যে ১৯৬৭ সালের উপনির্বাচনও...
প্রাচীনতম জনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম পশ্চিবঙ্গের তমলুক। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সদর শহর। তমলুক লোকসভার সাতটি বিধানসভার মধ্যে এটিও একটি। ১৯৫১ সালে কেন্দ্রটি তৈরি হয়। তমলুক ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ঐতিহাসিক নথিতে বন্দর শহর তাম্রলিপ্তের উল্লেখ রয়েছে। যা একসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল। রূপনারায়ণ নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ভ্রমণের জন্যও জায়গাটি প্রসিদ্ধ ছিল। এখন সেই তমলুক অতীত। যদিও প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রটি তমলুক পুরসভা, শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক ও তমলুকের চারটি ব্লক নিয়ে গঠিত। এই বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ বার ভোট হয়েছে। যার মধ্যে ১৯৬৭ সালের উপনির্বাচনও রয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস ৭ বার, বাংলা কংগ্রেস ৩ বার ও তৃণমূল ৩ বার জিতেছে। বামেরাও এই আসনটি ৫ বার জিতেছিল। সিপিআইএম প্রার্থীরা ৪ বার ও সিপিআই একবার আসনটি দখল করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আসনটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখার্জির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল একসময়। এই কেন্দ্র থেকেই তিনি সাতবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই আসনটিতে বাম ও কংগ্রেস জিতে আসতে থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে ধরণ বদলাতে শুরু করে। ২০১৬ সালে সিপিআইএম প্রার্থী অশোক দিন্দা তৃণমূলের নির্বেদ রায়কে মাত্র ৫২০ ভোটে পরাজিত করেন। ২০২১ সালের ভোটে আসনটি দখল করে নেয় তৃণমূল। ২০১১ সালে এই আসন থেকে জিতেছিলেন সৌমেন মহাপাত্র। তিনিই এবার পরাজিত করেন বিজেপির হরেকৃষ্ণ বেরাকে। জয়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৭৯৩ ভোটের। বামেরা শেষ করে তৃতীয় স্থানে। তাদের প্রার্থী ভোট পেয়ছিলেন মাত্র ৬.২৪ শতাংশ। তমলুকে বিজেপির উত্থানের শুরু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে। সেবছরই ওই আসনে বামেদের পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। সেবার ঘাসফুলের ৩ শতাংশ ভোটে পিছিয়ে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ২০,৪৬১ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৪ সালে ২,৭৮,৫০৫ জন ভোটার নিবন্ধিত ছিলেন। ২০২১ ও ২০১৯ সালে ছিল যথাক্রমে ২৬৬,৮৮১ এবং ২৫৫,৩২১ জন। মুসলিম ভোটার ১৪.১০ এবং তপসিলি জাতি ৫.৩০ শতাংশ। গ্রামীণ ভোটারদের আধিপত্য রয়েছে। শহরাঞ্চলের ভোটার প্রায় ২৫ শতাংশ। ভোটদানের হারও এখানে বেশি। ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৮.৫৭ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৮৭.৮৩ শতাংশ। তমলুক রূপনারায়ণ এবং হলদি নদীর মিলনস্থলে সমতল বদ্বীপীয় সমভূমিতে অবস্থিত। এখানকার জমি কৃষির জন্য উপযুক্ত। ভূখণ্ডটি মূলত সমতল। স্থানীয় অর্থনীতি ধান চাষ, মাছ ধরা ও ছোটো ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। এখানকার বাসরুট তমলুককে হলদিয়া, কাঁথি ও মেচেদার সঙ্গে যুক্ত করে। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা প্রায় ৮০ কিমি দূরে অবস্থিত। তমলুকে ক্ষমতা বাড়ালেও বিজেপি কখনও বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারেনি। ২০২১ সালে সামান্য ব্যবধানে এই আসনে হেরে গেলেও ২০২৪ সালের লোকসভায় লিড তুলে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে ২০২৬ সালে এই আসনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
Hare krishna bera
BJP
Goutam panda
CPI
Jnanananda roy
SUCI
Nota
NOTA
Bhim patra
IND
Sandip batabyal
IND
Sulalit mallick
AMB
Nirbed ray
AITC
Biswajit dutta (mana)
BJP
Satish sau
SUCI
Nota
NOTA
Gautam dutta
IND
Ranjan malakar
BHNP
Tapas chakraborty
RAJSP
Rejman mullick
IUC