
এই কেন্দ্রে এগিয়ে থেকেই ছাব্বিশে শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পিছনেই রয়েছে বিজেপি। তারাও খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। প্রসঙ্গত, ইসলামপুর হল পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি সাবডিভিশন স্তরের শহর। এটি রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে থাকা সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। এটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র। এটি পুরো ইসলামপুর পৌরসভা এবং ইসলামপুর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে তৈরি। এক সময় এটি বিহারের পুর্নিয়া জেলার অংশ ছিল। ১৯৫৬ সালে স্টেট রেকগনিজশন কমিশনের সুপারিশে ইসলামপুরকে পশ্চিমবঙ্গে স্থানান্তর করা হয়। উত্তরবঙ্গকে বাকি রাজ্যের সঙ্গে যোগ করার জন্যই এটাকে পশ্চিমবঙ্গে যোগ করা হয়। ১৯৫৭ সালে এটি বিধানসভা কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয...
এই কেন্দ্রে এগিয়ে থেকেই ছাব্বিশে শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পিছনেই রয়েছে বিজেপি। তারাও খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। প্রসঙ্গত, ইসলামপুর হল পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি সাবডিভিশন স্তরের শহর। এটি রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে থাকা সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। এটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র। এটি পুরো ইসলামপুর পৌরসভা এবং ইসলামপুর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে তৈরি। এক সময় এটি বিহারের পুর্নিয়া জেলার অংশ ছিল। ১৯৫৬ সালে স্টেট রেকগনিজশন কমিশনের সুপারিশে ইসলামপুরকে পশ্চিমবঙ্গে স্থানান্তর করা হয়। উত্তরবঙ্গকে বাকি রাজ্যের সঙ্গে যোগ করার জন্যই এটাকে পশ্চিমবঙ্গে যোগ করা হয়। ১৯৫৭ সালে এটি বিধানসভা কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আর ১৯৫৯ সালে পৌরসভা হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। ইসলামপুর বিধানসভা তৈরির পর থেকে ১৭টি বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার মধ্যে ২০১৯ সালের উপনির্বাচনও রয়েছে। এখানে সবথেকে সফল দল হল কংগ্রেস। এই দলটি ১০ বার জিতেছে। তৃণমূল কংগ্রেস চারবার, কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) দু'বার এবং একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৯৭৭ সালে জিতেছে এই আসন। আব্দুল করিম চৌধুরী ইসলামপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখগোগ্য নাম। তিনি এ পর্যন্ত ১২বার জিতেছেন এই আসনে। এর মধ্যে সাতবার কংগ্রেসের হয়ে, চারবার তৃণমূলের হয়ে এবং একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি জেতেন। তাঁর প্রথম জয় ১৯৬৭ সালে। শেষবার জেতেন ২০২১ সালে। বর্তমানে তিনি আসনটি ধরে রেখেছেন। ২০১৯ সালের উপনির্বাচন এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি জিতেছেন। উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল তখনকার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কানাইয়া লাল আগরওয়ালের পদত্যাগের কারণে। ২০১৯ সালের ওই নির্বাচনে আবদুল করিম চৌধুরী বিজেপি প্রার্থী সুম্যরূপ মণ্ডলকে ২১,৩৮৭ ভোটে পরাজিত করেন। আবার ২০২১ সালে পুনরায় ৮,২১৩ ভোটে জয়ী হন। জনসংখ্যার ভিত্তিতে ইসলামপুরকে গ্রামীণ আসন বলা যায়। প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার গ্রামে এবং ৩০ শতাংশ ভোটার পৌরসভা ও অন্যান্য নগর এলাকায় বাস করেন। মুসলমানরা ভোটারের সংখ্যা এখানে ৫৬.৩০ শতাংশ। ২০১১ সালের সেন্সাস অনুযায়ী, ইসলামপুর পৌরসভা ও ব্লকের সংযুক্ত এলাকার এসসি প্রায় ৩০ শতাংশ এবং এসটি প্রায় ৩ শতাংশ ভোটার রয়েছে। এই এলাকায় ভোটার উপস্থিতি চিরকালই ভাল। ২০১১ সালে ৭৯.১৬ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭৯.৪৩ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৮.৪৩ শতাংশ, ২০২১ সালে ৭৭.৩৫ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭.৫০ শতাংশ ছিল ভোটের হার। ইসলামপুর উত্তরবঙ্গের সমভূমিতে বিহারের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেমে আসা নদী দ্বারা এটা ঘেরা। এখানে পাট, ধান চাষ এবং চায়ের বাগান স্থানীয় অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখে। ইসলামপুর জাতীয় সড়ক ২৭-এর উপর অবস্থিত। এটি শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ ও কলকাতার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ করে। এখানকার রেল যোগাযোগও মোটের উপর ভালই। মাথায় রাখতে হবে, এখানে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার। ফলে তৃণমূল এই কেন্দ্রে বিজেপির থেকে টিএমসি এগিয়ে থাকে। আর সেই ধারা বজায় থাকতে পারে ২০২৬ সালে। এই আসন ধরে রাখার জন্য তৃণমূলের পছন্দের প্রার্থী হতে পারেন আব্দুল করিম চৌধুরী। ও দিকে বিজেপির আশা করতে পারে কংগ্রেস-লেফট ফ্রন্ট জোটের পুনরুত্থান। তাহলে তৃণমূলের ভোট কেটে যেতে পারে। যেমনটা হয়েছে ২০১৪ সালে। তবে বর্তমানে জোট এখন এখানে খুবই কম ভোট পায়। ২০২১ সালে মাত্র ২.০৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮.৯৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাই যদি ভোট কাটাকাটি না হয়, তাহলে ইসলামপুর সম্ভবত তৃণমূল কংগ্রেসেরই থাকবে।
Saumyaroop mandal
BJP
Sadiqul islam
INC
Nota
NOTA
Birendra nath sinha
SUCI
Md. naiyar alam
IND
Abdul karim chowdhary
AITC
Saumyaroop mandal
BJP
Nota
NOTA
Md arsad
JD(U)
Sefali roy mondal
BSP
Altamas chowdhury
GOJAM
Abdus subhan
SP
Dayal singha
SUCI