
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর লোকসভার অন্তর্গত রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র। জঙ্গিপুর মহকুমার ব্লকস্তরের শহর এই রঘুনাথগঞ্জ। শহরের দুই নম্বর ব্লক, সুতি এক নম্বর ও লালগোলা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে বিধানসভাটি তৈরি হয়েছে। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভা এখনও পর্যন্ত তিনটি ভোটের সাক্ষী থেকেছে। প্রতিবারই জিতেছেন আখরুজ্জামান নামের এক প্রার্থী। ২০১১ ও ২০১৬ সালের ভোটে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন। তবে ২০২১ সালে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হন। বর্তমানে রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ দফতরের মন্ত্রীও তিনি। ২০১১ সালে কংগ্রেস প্রার্থী আখরুজ্জামান RSP প্রার্থী আবুল হাসনাতকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালে সেই জয়ের ব্যবধান বেড়ে যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের আ...
পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর লোকসভার অন্তর্গত রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র। জঙ্গিপুর মহকুমার ব্লকস্তরের শহর এই রঘুনাথগঞ্জ। শহরের দুই নম্বর ব্লক, সুতি এক নম্বর ও লালগোলা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে বিধানসভাটি তৈরি হয়েছে। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভা এখনও পর্যন্ত তিনটি ভোটের সাক্ষী থেকেছে। প্রতিবারই জিতেছেন আখরুজ্জামান নামের এক প্রার্থী। ২০১১ ও ২০১৬ সালের ভোটে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন। তবে ২০২১ সালে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হন। বর্তমানে রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ দফতরের মন্ত্রীও তিনি। ২০১১ সালে কংগ্রেস প্রার্থী আখরুজ্জামান RSP প্রার্থী আবুল হাসনাতকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালে সেই জয়ের ব্যবধান বেড়ে যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের আবুল কাসেম মোল্লাকে প্রায় ২৪ হাজার ভোটে হারিয়ে দেন। তবে ২০১৮ সালে আখরুজ্জামান ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন। ২০২১ সালেও তাঁকেই প্রার্থী করা হয় রাজ্যের শাসকদলের তরফে। নিকটতম বিজেপি প্রার্থী গোলাম মোদাশ্বরকে প্রায় এক লাখ ভোটে হারতে হয় ওই কেন্দ্রের ২ বারের বিধায়কের কাছে। আখুরুজ্জামান তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পর থেকে রঘুনাথগঞ্জে তৃণমূলের সংগঠন শক্তিশালী হয়। কারণ, ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস দল সিপিআই(এম)-এর চেয়ে ১৬,৭৯০ ভোটে এবং ২০১৪ সালে ১,৩২৬ ভোটে এগিয়ে ছিল। তবে,২০১৯ সালে তৃণমূল ৬২,৫৫৮ ভোটে এগিয়ে যায়। ২০২৪ সালে যদিও লিড কমে হয় ৩,৭৫৭। কংগ্রেস দল এই দুটি নির্বাচনেই দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিল। রঘুনাথগঞ্জ মুসলিমপ্রধান বিধানসভা কেন্দ্র। এখানে মোট ভোটারের প্রায় ৮০ শতাংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। যেখানে তপসিলি জাতির ৮.৫৬ শতাংশ। বাংলাদেশের সঙ্গে সীমানা ভাগ করায় রঘুনাথগঞ্জে জনসংখ্যায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। ২০১১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এক দশকে, মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ৮০,৬৯৯ জন বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বেড়েচে আরও ১২,৯৫৬। মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ২০১১ সালে ১৬৮,৮৬০, ২০১৬ সালে ২০৭,৯৮৭, ২০১৯ সালে ২৩১,৩৯৯, ২০২১ সালে ২৪৯,৫৫৯ এবং ২০২৪ সালে ২৬২,৫১৫ জন। রঘুনাথগঞ্জে গ্রামীণ ভোটার প্রায় ৫৫ শতাংশ। শহরাঞ্চলের ৪৫ শতাংশ। তবে ২০১১ সালের পর থেকে এখানে ভোটদানের হার কমছে। সেই বছর ভোট পড়েছিল ৮৬.৭৫ শতাংশ। তবে তারপর থেকে ভোট পড়ে যথাক্রমে ২০১৬ সালে ৭৯.৮৮ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৭.৯৮ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৭৬.৩১ শতাংশ। ভৌগোলিকভাবে রঘুনাথগঞ্জ গঙ্গা-পদ্মা নদীর বাম তীরের কাছাকাছি অবস্থিত। ভূখণ্ডটি নিম্ন গঙ্গা অববাহিকার সমতল পলিমাটি সমভূমির অংশ। চাাষাবাদ এখানে হয়। স্থানীয় বাসিন্দের অনেকেই ইটভাটায় কাজ করেন। এখানকার নির্মাণ শ্রমিকরা দেশ-বিদেশে কাজ করতে যান। রঘুনাথগঞ্জ নামের সঠিক উৎপত্তি সরকারি রেকর্ডে স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত নয়। 'গঞ্জ' প্রত্যয়টি বাজার শহরকে নির্দেশ করে। 'রঘুনাথ' একটি হিন্দু নাম। যা ইঙ্গিত দেয়, স্থানটি ঐতিহাসিকভাবে ভগবান রঘুনাথের উদ্দেশ্যে নিবেদিত মন্দিরের নাম অনুসারে বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। তবে নামের সঙ্গে জনসংখ্যার বিন্যাসের মিল নেই। কারণ, এই এলাকায় মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। রঘুনাথগঞ্জ মহকুমা সদর দপ্তর জঙ্গিপুর শহর থেকে সড়কপথে মাত্র ৬ কিলোমিটারেরও কম দূরে অবস্থিত। এটি জেলা সদর দপ্তর বহরমপুর থেকে প্রায় ৫৩ কিলোমিটার দূরে। জঙ্গিপুর রোড এবং হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি করিডোরের সঙ্গে সংযোগকারী লুপ লাইনের অন্যান্য স্টেশনগুলির মাধ্যমে নিয়মিত সড়ক ও রেল যোগাযোগ রয়েছে এই শহরের। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা প্রায় ২২০ থেকে ২৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরুব করলে এই কেন্দ্রে মোট সাতবার ভোট হয়েছে। তার মধ্য়ে কংগ্রেস দল চারবার ও তৃণমূল কংগ্রেস তিনবার এগিয়ে থেকেছে। তবে গত লোকসভা ভোটে খুল অল্প ভোটেই লিড পেয়েছে রাজ্যের শাসকদলের প্রার্থী। ফলে ছাব্বিশের বিধানসভায় তৃণমূলের জেতার পথ যে পরিষ্কার তা এখন থেকেই বলা যাবে না। পাশাপাশি, আখরুজ্জামানের উপর অধিক নির্ভরশীলতা তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণও হতে পারে।
Golam modaswer
BJP
Nasir saikh
IND
Abul kashem biswas
INC
Nota
NOTA
Md. jakir hossain
SDPI
Rabiul alam
SUCI
M a hannan
WPOI
Abul kasem molla
AITC
Abul hasnat
RSP
Golam modashbar
BJP
Mojibur rahaman
SDPI
Nota
NOTA
Rabiul alam
SUCI