
মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্র। জঙ্গিপুর লোকসভার এই বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত। ২০২৩ সালের উপনির্বাচন নিয়ে এখানে মোট ১৮ বার ভোট হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল। সেই জেলার আর সব আসনের মতো সাগরদিঘিতেও কংগ্রেসের আধিপত্য ছিল। অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম সাতটির মধ্যে ছটিতেই জিতেছিল কংগ্রেস। তবে ১৯৬৯ সালে বাংলা কংগ্রেস সেই ধারা ভেঙে দেয়। ১৯৭৭ সাল থেকে সিপিআইএম-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট ক্ষমতা দখল করার পর ওই আসন তাদের দখলে চলে যায়। ৩৪ বছরের শাসন আমলে সাতটি ভোটেই জেতে তারা। তবে ২০১১ সালে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা সেখানে জেতেন। বাম প্রার্থী ইসমাইল শেখকে ৪৫৭৪ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালেও তিনি জেতেন। স...
মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্র। জঙ্গিপুর লোকসভার এই বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত। ২০২৩ সালের উপনির্বাচন নিয়ে এখানে মোট ১৮ বার ভোট হয়েছে।
মুর্শিদাবাদ একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল। সেই জেলার আর সব আসনের মতো সাগরদিঘিতেও কংগ্রেসের আধিপত্য ছিল। অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম সাতটির মধ্যে ছটিতেই জিতেছিল কংগ্রেস। তবে ১৯৬৯ সালে বাংলা কংগ্রেস সেই ধারা ভেঙে দেয়। ১৯৭৭ সাল থেকে সিপিআইএম-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট ক্ষমতা দখল করার পর ওই আসন তাদের দখলে চলে যায়। ৩৪ বছরের শাসন আমলে সাতটি ভোটেই জেতে তারা। তবে ২০১১ সালে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা সেখানে জেতেন। বাম প্রার্থী ইসমাইল শেখকে ৪৫৭৪ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালেও তিনি জেতেন। সেবার কংগ্রেস দ্বিতীয় স্থানে চলে আসে, তৃতীয়তে সিপিআইএম। কিন্তু সেখানে ক্ষমতা বাড়াতে থাকে বিজেপি। ২০২১ সালে মাফুজা খাতুনকে তিনি ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে পরপর তিনবার নির্বাচিত হোন।
তবে সুব্রত সাহা তাঁর মেয়াদ শেষের আগেই মারা যান। ২০২৩ সালে উপনির্বাচন হয়। বামফ্রন্ট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস তৃণমূলের দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারিয়ে আসনটি পুনরুদ্ধার করেন। ফের কংগ্রেস রাজ প্রতিষ্ঠিত হয় সেখানে। তবে জেতার পরপরই তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। যা নিয়ে বিতর্ক হয় বিস্তর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটে সব দলকেই পরীক্ষা দিতে হবে এই আসনে। যদিও ২০২৪ লোকসভা ভোটে এই কেন্দ্র থেকে ৩৩,৭৭৩ ভোটে লিড দেয় তৃণমূল।
২০২১ সালে সাগরদিঘি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ২,৩৬,৮৮৫। ২০১৬ সালে ২০৬,০৪৯। ২০১১ সালের আদমসুমারি অনুয়ায়ী, এই কেন্দ্রে মুসলিম ভোটার ছিল ৬৩.৫০। তফশিলি জাতি ও উপজাতি ছিল যথাক্রমে ১৮.৭৮ শতাংশ ও ৬.৩৮ শতাংশ। এই বিধানসভা ক্ষেত্র সম্পূর্ণরূপে গ্রামীণ। উল্লেখযোগ্যভাবে, এখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও বাইরন বিশ্বাসের আগে কোনও মুসলিম প্রার্থী নির্বাচিত হননি।
ভৌগোলিকভাবে সাগরদিঘি মুর্শিদাবাদ জেলার মাঝখানে অবস্থিত। এর অনেকটা অংশ বাংলাদেশ, নদিয়া ও বীরভূমের সঙ্গে সীমানা ভাগ করে। এর পাশ দিয়ে ভাগীরথী নদী প্রবাহিত হয়। তাই জমি উর্বর ও সমতল। প্রধান জীবিকা চাষবাস। ধান, পাট, সর্ষে এখানে সবথেকে বেশি ফলে। সাগরদিঘিতে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। সেখানেও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়ছে।
সাগরদিঘির নিকটতম প্রধান শহর জঙ্গিপুর প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জেলা সদর বহরমপুরের দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। কলকাতা ২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে। ঐতিহাসিকভাবে মুর্শিদাবাদ খুব গুরুত্বপূর্ণ জেলা। মুঘল আমলে এটা বাংলার রাজধানী ছিল। তার ছাপ এখনও সাগরদিঘিতে আছে।
পশ্চিমবঙ্গের যে সব আসনে শাসক-বিরোধীদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে তার মধ্য়ে অন্যতম সাগরদিঘি আসন। যদি তৃণমূল বাইরন বিশ্বাসকে প্রার্থী করে তাহলে তিনি কেমন ভোট পাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আগের উপনির্বাচনই প্রমাণ করে দিয়েছে, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস জোট এখানে ভালো ফল এনে দিতে পারে। তবে বিজেপিও ভালো ভোট পেতে পারে এই আসন থেকে।
Khatun mafuja
BJP
Sk m hasanuzzaman (bappa)
INC
Nure mahaboob alam
AIMIM
Nota
NOTA
Supal murmu
BMUP
Abdut tawab
SDPI
Dhananjay banerjee
BSP
Mirza lutful hoque
SUCI
Santa bhattacherjee
IND
Aminul islam
INC
Rajab ali mallick
CPM
Samsul hoda
IND
Debsharan ghosh
BJP
Badrul sk
SDPI
Nota
NOTA
Kanika chakroborty (das)
IND
Mirza lutful hoque
SUCI