
এই আসনে আপাতত অ্যাডভান্টেজ তৃণমূল। তবে তাদের পিছনেই রয়েছে বিজেপি। এখন এটাই দেখার যে ২০২৬-এর ভোটের রেজাল্ট কোন দিকে যায়। আসলে হুগলি জেলার শ্রীরামপুর সাবডিভিশনের একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র হল চণ্ডীতলা। এটি শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ডানকুনি পৌরসভা, চণ্ডীতলা ১ ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং চণ্ডীতলা ২ ব্লকের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত। বছরের পর বছর ধরে কলকাতা থেকে মানুষ এসে চণ্ডীতলায় বাস করছেন। আসলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা কলকাতার খরচ সামলাতে পারেন না, তারা এখানে চলে এসেছেন। ডানকুনি শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা চণ্ডীতলা কলকাতার একটি উপশহর হিসেবে কাজ কর...
এই আসনে আপাতত অ্যাডভান্টেজ তৃণমূল। তবে তাদের পিছনেই রয়েছে বিজেপি। এখন এটাই দেখার যে ২০২৬-এর ভোটের রেজাল্ট কোন দিকে যায়। আসলে হুগলি জেলার শ্রীরামপুর সাবডিভিশনের একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র হল চণ্ডীতলা। এটি শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভার মধ্যে একটি। চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ডানকুনি পৌরসভা, চণ্ডীতলা ১ ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং চণ্ডীতলা ২ ব্লকের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত। বছরের পর বছর ধরে কলকাতা থেকে মানুষ এসে চণ্ডীতলায় বাস করছেন। আসলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা কলকাতার খরচ সামলাতে পারেন না, তারা এখানে চলে এসেছেন। ডানকুনি শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা চণ্ডীতলা কলকাতার একটি উপশহর হিসেবে কাজ করে। এখানকার ঘরের ভাড়া কম। পাশাপাশি রেল এবং সড়ক যোগাযোগ ভাল। ১৯৬২ সালের নির্বাচনের আগে প্রতিষ্ঠিত হয় চণ্ডীতলা বিধানসভা। এখনও পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ১৫ বার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী)বা সিপিআইএম এই কেন্দ্রে সাতবার জিতেছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস তিনবার করে এই আসনটা জিতেছে। এছাড়া ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রার্থী আব্দুল লতিফ ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ সালে দুইবার এই আসনে জিতেছিলেন। ২০১১ সালের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে চণ্ডীতলা আসনে জিতে আসছে। এখানে তাদের প্রার্থী হলেন স্বাতী খন্দকার। তিনি ২০১১ ও ২০১৬ সালে সিপিআই(এম)-এর মহম্মদ সেখ আজিম আলিকে যথাক্রমে ১৬,৯২০ ও ১৪,১৭৬ ভোটে পরাজিত করেছেন। তবে ২০২১ সালে বিজেপি বাম-কংগ্রেস জোটকে পিছনে ফেলে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসে। তবে সেই ভোটেও জিতে যান স্বাতী খন্দকার। তিনি বিজেপির দেবাশিস দাসগুপ্তকে ৪১,৩৪৭ ভোটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে সিটটা নিজের দখলে রাখেন। চণ্ডীতলা বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পূর্ণ আধিপত্য রয়েছে। ২০০৯ সালের পর চারটি লোকসভা নির্বাচনে এখানে TMC-এর লিড রয়েছে। ২০০৯ সালে ১৪,৮৬২ ভোটে এবং ২০১৪ সালে ১৬,০৩০ ভোটে সিপিএম-এর থেকে এগিয়েছিল তারা। এরপর অবশ্য বিজেপি সিপিআই(এম)-কে পিছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান নেয়। তবে ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির থেকে ১৭,২১৬ ভোটে এগিয়েছিল। আবার ২০২৪ সালে ব্যবধান আরও বাড়ে। এই ভোটে ৩৫,৩৫০ ভোটের লিড পায় তৃণমূল। চণ্ডীতলায় ২০২৪ সালে ২,৭২,৪০৫ জন ভোটার ছিলেন। যা ২০২১ সালের ২,৬৩,২৫৭, ২০১৯ সালের ২,৫২,৬৩৪ এবং ২০১৬ সালের ২,৪০,৩৮৩-এর তুলনায় বেড়েছে। এই কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা বেশি। এই সম্প্রদায়ের সংখ্যা ২৮.১০ শতাংশ। এরপর ১৪.৪৮ শতাংশ SC ভোটার রয়েছে এখানে। মাথায় রাখতে হবে যে, চণ্ডীতলা একটি আধা-শহুরে এলাকা। এখানে ৭৪.০৪ শতাংশ শহুরে ভোটার এবং ২৫.৯৪ শতাংশ গ্রামীণ ভোটার রয়েছে। এখানে ভোটাদানের হারও ভাল। ২০১১ সালে ৮১.৫২ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৭৯.১৮ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৭.০৪ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৭৮.৬৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। চণ্ডীতলা হুগলি জেলার দক্ষিণে অবস্থিত। এখানকা ভূমি সমতল ও উর্বর। এখানকার অর্থনীতিতে কৃষির ভূমিকা রয়েছে। তবে ডানকুনি শহরের উপস্থিতি এখানকার শিল্প ও বাণিজ্যকে বাড়িয়ে তুলেছে। ডানকুনি হল একটি বড় ট্রান্সপোর্ট হাব। এটি বড় রেলওয়ে জংশন। শুধু তাই নয়, এখানে ন্যাশনাল হাইওয়ে ১৯ ও দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে রয়েছে। কলকাতা থেকে চণ্ডীতলার দূরত্ব ২৫ কিমি। এছাড়া বালি ১৫ কিমি এবং হাওড়া ২০ কিমি দূরে। একটা কথা পরিষ্কার যে ২০০৯ সালের পর থেকে চণ্ডীতলা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস সমস্ত নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে বিজেপি প্রধান বিরোধী হিসেবে উঠে এসেছে। কিন্তু এখনও অ্যাডভান্টের তৃণমূল। বাম-কংগ্রেস জোট যদি মুসলিম ভোট না ভাঙতে পারে, তাহলে কোনও চান্সই নেই বিজেপির কাছে।
Debashish dasgupta(yash d guptaa)
BJP
Md. salim
CPI(M)
Nota
NOTA
Abdul rahim mollick
IND
Onkar majumder
IND
Azim ali md. sk.
CPM
Sudipta chattopadhyay
BJP
Nota
NOTA
Raghuwansh dwiwedy
SHS
Moidul islam laskar
IUC
Dinabandhu dutta
SUCI