
২০২৬ সালে জামুরিয়া কেন্দ্রে এগিয়ে শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তার ঠিক পিছনেই রয়েছে বিজেপি। তাই এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিম বর্ধমান জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র হল জামুরিয়া। এটি আসানসোল শহরের পাশেই অবস্থিত। এটি একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র। মাথায় রাখতে হবে লোকসভা আসনের অধীনে যেই ৭টা বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে, তার মধ্যে একটি হল জামুরিয়া। এটি আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১–১২ এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে। আসলে ২০১৫ সালের পরই আসানসোল পৌরসভার কিছুটা অংশ এই বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে আনা হয়।
১৯৫৭ সালে জামুরিয়া বিধানসভা কেন্দ্র গঠিত হয়। এখনও পর্যন্ত এখানে ১৬টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধ...
২০২৬ সালে জামুরিয়া কেন্দ্রে এগিয়ে শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তার ঠিক পিছনেই রয়েছে বিজেপি। তাই এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিম বর্ধমান জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র হল জামুরিয়া। এটি আসানসোল শহরের পাশেই অবস্থিত। এটি একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র। মাথায় রাখতে হবে লোকসভা আসনের অধীনে যেই ৭টা বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে, তার মধ্যে একটি হল জামুরিয়া। এটি আসানসোল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ১–১২ এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে। আসলে ২০১৫ সালের পরই আসানসোল পৌরসভার কিছুটা অংশ এই বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে আনা হয়।
১৯৫৭ সালে জামুরিয়া বিধানসভা কেন্দ্র গঠিত হয়। এখনও পর্যন্ত এখানে ১৬টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জামুরিয়া ছিল বাম দুর্গ। সিপিআই(এম) এখানে ১০ বার জিতেছে। তারা ১৯৭৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত নয়বার ধারাবাহিকভাবে এখানে জিতে এসেছে। এছাড়া কংগ্রেস তিনবার জিতেছে, আর প্রজা সোশালিস্ট পার্টি, সংযুক্ত সোশালিস্ট পার্টি ও তৃণমূল কংগ্রেস একবার করে জিতেছে এই আসন।
জামুরিয়ায় ১৯৫৭ সালে প্রজা সোশালিস্ট পার্টির প্রতীক নিয়ে প্রথমবার জয়ী হন অমরেন্দ্র মন্ডল। পরে তিনি কংগ্রেসের প্রতীকে তিনবার জিতে আসেন। তবে ১৯৭৭–১৯৯১ পর্যন্ত সিপিআই(এম)-এর বিকাশ চৌধুরী এই সিটে বিজয়ী হন।
এমনকী পরিবর্তনের ২০১১ সালেও এই সিটে জেতে সিপিআই(এম)। সেই ভোটে সিপিআইএম-এর জাহানারা খান তৃণমূলের প্রভাত কুমার চট্টোপাধ্যায়কে ১৩,৮৭৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
২০১৬ সালেও তিনি আবার জিতে যান। সেই ভোটে তৃণমূলের ভি. শিবদাসনের বিরুদ্ধে ৭,৭৫৭ ভোটের ব্যবধানে জিতে আসেন তিনি। যদিও ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জিতে যায়। তাদের প্রার্থী হারেরাম সিং বিজেপির তাপস কুমার রায়কে ৮,০৫১ ভোটে পরাজিত করেন। এই ভোটে অবশ্য সিপিআই(এম)-এর আশিস ঘোষ তৃতীয় স্থানে চলে যান।
মাথায় রাখতে হবে লোকসভা ভোটেও জামুরিয়ার জমি বামেদের দিক থেকে তৃণমূল ও বিজেপির দিকে সরে গিয়েছে। ২০০৯ সালে সিপিআই(এম) তৃণমূলের থেকে ৩৫,৫২৫ ভোটে এগিয়ে ছিল এই আসনে। তবে ২০১৪ সালে ব্যবধান কমে মাত্র ২৬৩ ভোটে নেমে যায়। আর ২০১৯ সালে বিজেপি এগিয়ে যায় এই আসনে। তাদের লিড ছিল ১৮,০৫২ ভোটের। অবশ্য ২০২৪ সালে তৃণমূল এখানে লিড পেয়ে যায়। সেই ভোটে ১১,৮৭১ ভোট এগিয়ে গিয়েছে তারা।
২০২৪ সালে জামুরিয়ার ভোটার সংখ্যা ছিল ২,৩২,৯৩২। এই সংখ্যা ২০২১ সালের ২,২১,৪১৯ এবং ২০১৯ সালের ২,০৮,৮৬১ থেকে বেশ কিছুটা বেড়েছে। এখানে SC ভোটারের সংখ্যা ২৮.৩৭ শতাংশ এবং ST ভোটার ৭.৯৫ শতাংশ। মুসলিম ভোটাররা প্রায় ১৭ শতাংশ।
এখানে ৭১.৪৯ শতাংশ ভোটার শহরে বসবাস করেন। আর ২৮.৫১ শতাংশ বাস করেন গ্রামে। ভোটের অংশগ্রহণ হার ২০১১ সালে ৭৮.২০ শতাংশ থেকে ধীরে ধীরে কমে ২০২৪ সালে ৭৩.৬২ শতাংশে নেমে গিয়েছে।
জামুরিয়া পশ্চিমবঙ্গের কয়লা উত্তোলন ক্ষেত্রের অংশ। এটি আসানসল-রানিগঞ্জ শিল্পাঞ্চলের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত। এখানকার এলাকা উঁচু-নিচু। এখানে কয়লা খনি থেকে শুরু করে বনাঞ্চল রয়েছে।
এখানকার স্থানীয় অর্থনীতি কয়লাখনি, ছোট শিল্প, পরিবহণ, বাণিজ্যের উপর নির্ভরশীল। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে শ্রমিকরা এখানে আসেন। তারা খনি, কারখানা ও নির্মাণ কাজে জায়গা করে নেন।
জামুরিয়া আসানসোল শহরের মূল কেন্দ্র থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিমি দূরে। দুর্গাপুর প্রায় ৫৫–৬৫ কিমি দূরে। এছাড়া কলকাতা ২০০–২২০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, ধানবাদ ৪৫–৫৫ কিমি পশ্চিমে অবস্থিত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জামুরিয়ায় তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারে। তাদের পিছনে রয়েছে বিজেপি। লড়াই এখানে জমজমাট। তবে বামেদের প্রভাব এখন প্রায় নেই বললেই চলে। এখন দেখার ২০২৬ সালে ঠিক কোন দিকে যায় পরিস্থিতি।
Tapas kumar roy
BJP
Aishe ghosh
CPI(M)
Bhanu pratap sharma
BSP
Nota
NOTA
Lakhiram hansda
BMUP
Gouri sankar banerjee
JD(U)
V. sivadasan (dasu)
AITC
Santosh singh
BJP
Nota
NOTA
Kripamay das
IND
Pradip ruidas
BMUP