
একটি গ্রামীণ বিধানসভা আসন হল হরিপাল। বর্তমানে এই অঞ্চলে ফুটছে ঘাসফুল। তবে একটা সময় এখানে লাল পতাকা উড়ত। অবশ্য সেই দিন এখন অতীত। আজ এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হল বিজেপি। ১৯৬৭ সালে তৈরি হয় এই আসন। এটি তৈরি হয়, হরিপাল কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লক এবং সিঙ্গুর ব্লকের ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে। এখানকার অধিকাংশ জায়গাই গ্রামীণ। শুধু কিছুটা অংশকে শহর হিসেবে ধরা যায়।
হরিপাল বেশ পুরনো আসন। এখানে ১৪ বার ভোট হয়েছে। CPI(M) এই আসনে সাতবার ধারাবাহিক জয় পেয়েছে। ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত লাল পতাকা উড়েছে এই কেন্দ্রে। তার আগে সংযুক্ত সোশালিস্ট পার্টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টি অফ ইন্ডিয়াও দুইবার এখানে জিতেছে। তবে ২০১১ সাল থেকে এখানে জিতেছে তৃণমূল। তারা ধারাবাহিকভাবে ৩ বার আস...
একটি গ্রামীণ বিধানসভা আসন হল হরিপাল। বর্তমানে এই অঞ্চলে ফুটছে ঘাসফুল। তবে একটা সময় এখানে লাল পতাকা উড়ত। অবশ্য সেই দিন এখন অতীত। আজ এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ হল বিজেপি। ১৯৬৭ সালে তৈরি হয় এই আসন। এটি তৈরি হয়, হরিপাল কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লক এবং সিঙ্গুর ব্লকের ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে। এখানকার অধিকাংশ জায়গাই গ্রামীণ। শুধু কিছুটা অংশকে শহর হিসেবে ধরা যায়।
হরিপাল বেশ পুরনো আসন। এখানে ১৪ বার ভোট হয়েছে। CPI(M) এই আসনে সাতবার ধারাবাহিক জয় পেয়েছে। ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত লাল পতাকা উড়েছে এই কেন্দ্রে। তার আগে সংযুক্ত সোশালিস্ট পার্টি এবং ওয়ার্কার্স পার্টি অফ ইন্ডিয়াও দুইবার এখানে জিতেছে। তবে ২০১১ সাল থেকে এখানে জিতেছে তৃণমূল। তারা ধারাবাহিকভাবে ৩ বার আসনটি ধরে রেখেছে। এই কেন্দ্রে TMC-এর বেচারাম মান্না ২০১১ সালে সিপিআই(এম)-এর ভারতী মুখোপাধ্যায়কে ২২০৭৩ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালে বেচারাম আবার জয়লাভ করেন। এ বার তিনি জোগিয়ানন্দ মিশ্রাকে ৩১৪৭৫ ভোটে হারান। আবার ২০২১ সালে বেচারামের স্ত্রী এই কেন্দ্রে টিকিট পান। তাঁর স্ত্রী করবী মান্না BJP-এর সমীরণ মিত্রকে ২৩০৭২ ভোটে পরাজিত করেন।
এখানে লোকসভাতেও বর্তমানে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। ২০১৪ সালে TMC ৪০৩৬০ ভোটে এই কেন্দ্র থেকে সিপিআইএম-এর চেয়ে এগিয়ে ছিল। তবে ২০১৯ সালে BJP দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। সেই ভোটে TMC ৯৫৬৪ এগিয়ে ছিল। তবে ২০২৪ সালে সেই লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩২৪৫৯ ভোটের। ২০২৪ সালে এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২৭৭৪৮৪। SC ভোটার ২৬.০৪ শতাংশ, ST ভোটার ৫.৭৪ শতাংশ, মুসলিম ভোটার ২১.৩০ শতাংশ। এখানে গ্রামীণ ভোটারের সংখ্যা ৯৬.৯৮ শতাংশ। শহরের ভোটার ৩.০২ শতাংশ।
এখানে বরাবরই ভোটে উপস্থিতির হার বেশি। ২০১১ সালে এখানে ৮৫.৪৫ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৮৪.৫৮ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৮৪.৫৮ শতাংশ, ২০২১ সালে ৮২.১৩ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮০.৭৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। হরিপাল শহরটি হল এখানকার ব্লক সদর দফতর। এটি চন্দননগর সাবডিভিশনের অন্তর্ভুক্ত। এলাকাটি হুগলি জেলার উর্বর মাটিতে অবস্থিত। এখানে রয়েছে নদী ও খাল। এই এলাকার প্রধান ফসল ধান, আলু, পাট ও শাকসবজি। এলাকায় গ্রামীণ রাস্তা, বাজার, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে।
হরিপাল কলকাতা এবং জেলার অন্যান্য শহরের সঙ্গে রেল ও সড়কপথে সংযুক্ত। এখান থেকে হাওড়া-তারকেশ্বর সাবার্বান রেললাইনে রয়েছে। কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ৪৫–৫০ কিমি। জেলা সদর চুঁচুড়া থেকে এটি ৩৫ থেকে ৩৬ কিমি দূরে। সিঙ্গুর, তারকেশ্বর, জঙ্গীপাড়া ২০ থেকে ৪০ কিমির মধ্যে অবস্থিত। রাজনৈতিকভাবে এখানে বিজেপি এখন দ্বিতীয় স্থানে। যদিও ২০২৪-এ তৃণমূল এখানে লিড বাড়িয়ে নিয়েছে। এটাই মূল চ্যালেঞ্জ বিজেপির। মাথায় রাখতে হবে, ১৯৭৭ সাল থেকেই সরকারের পক্ষেই ভোট দেয় হরিপাল। তাই এবারও বড় কোনও অঘটন না ঘটলে তৃণমূলই এগিয়ে থাকতে পারে এখানে।
Samiran mitra
BJP
Simal saren
RSSCMJP
Nota
NOTA
Totan bag
BSP
Biswanath ghosh
SUCI
Jogiyananda mishra
CPM
Ramkrishna pal
BJP
Nota
NOTA
Sk. rafiuddarajat (badsha)
SUCI
Sukumar mandi
JDP
L.k. singh
IUC