
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহকুমা শহর রামপুরহাট, যা একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র এবং বীরভূম লোকসভা আসনের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা এলাকার একটি। এই কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে রামপুরহাট পুরসভা, রামপুরহাট–১ ব্লক এবং মহম্মদবাজার ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে এলাকাটি মূলত গ্রামীণ, যেখানে একটি ছোট শহুরে কেন্দ্র রয়েছে।
রামপুরহাট বীরভূমের সবচেয়ে জনবহুল মহকুমা এবং ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এখান থেকে ঝাড়খণ্ডের দুমকা ও দেওঘরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ। এলাকাটি মন্দির ও ধর্মীয় কেন্দ্রের জন্য পরিচিত, যা প্রতিবেশী জেলা ও ঝাড়খণ্ড থেকে পর্যটক ও তীর্থযাত্রী আকর্ষণ করে। তবে অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি, পাথর খাদান, ক্রা...
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মহকুমা শহর রামপুরহাট, যা একটি জেনারেল ক্যাটাগরির বিধানসভা কেন্দ্র এবং বীরভূম লোকসভা আসনের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা এলাকার একটি। এই কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে রামপুরহাট পুরসভা, রামপুরহাট–১ ব্লক এবং মহম্মদবাজার ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে এলাকাটি মূলত গ্রামীণ, যেখানে একটি ছোট শহুরে কেন্দ্র রয়েছে।
রামপুরহাট বীরভূমের সবচেয়ে জনবহুল মহকুমা এবং ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এখান থেকে ঝাড়খণ্ডের দুমকা ও দেওঘরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ। এলাকাটি মন্দির ও ধর্মীয় কেন্দ্রের জন্য পরিচিত, যা প্রতিবেশী জেলা ও ঝাড়খণ্ড থেকে পর্যটক ও তীর্থযাত্রী আকর্ষণ করে। তবে অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি, পাথর খাদান, ক্রাশিং ইউনিট এবং স্থানীয় বাজার। রামপুরহাট বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৯৫১ সালে গঠিত হয় এবং এখনও পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সবকটি বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। প্রথমদিকে এটি দ্বি-সদস্যবিশিষ্ট আসন ছিল (১৯৫১ ও ১৯৫৭)। পরে ১৯৬২ সাল থেকে একক সদস্যের আসনে পরিণত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ফরওয়ার্ড ব্লক, কংগ্রেস, CPIM এবং জনতা পার্টি এখানে জয়লাভ করলেও, ২০০১ সাল থেকে তৃণমূল টানা ৫ বার জয়ী হয়ে আধিপত্য বজায় রেখেছে।
গত প্রায় ২৫ বছর ধরে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ হয়ে রয়েছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০১ সালে তিনি প্রথম জয়ী হন এবং এরপর ২০০৬, ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১, প্রতিটি নির্বাচনে জয় ধরে রাখেন। ২০২১ সালে তিনি BJP-র প্রার্থী সুবাসিস চৌধুরীকে ৮ হাজার ৪৭২ ভোটে পরাজিত করেন। যেখানে BJP শক্তিশালী দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে।
লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলও এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক প্রবণতা স্পষ্ট করে। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে তৃণমূল এগিয়ে থাকলেও, ২০১৯ সালে BJP এখানে ১৩ হাজার ১২৫ ভোটে এগিয়ে যায়। তবে ২০২৪ সালে আবার তৃণমূল ৬ হাজার ৯৬১ ভোটে এগিয়ে থেকে নিজেদের প্রভাব পুনরুদ্ধার করে।
ভোটার সংখ্যার দিক থেকেও এই কেন্দ্র ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ সালে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৭১ হাজার ৩০১, যা ২০২১ ও ২০১৯ সালের তুলনায় বেশি। ধর্মীয় ও সামাজিক গঠনে মুসলিম ভোটার প্রায় ২৯.৪০%, তফসিলি জাতি ২৭.৬৪% এবং তফসিলি উপজাতি ১৪.৩২%। প্রায় ৮২% ভোটার গ্রামীণ এবং ১৭% শহুরে। ভোটদানের হারও বরাবরই বেশি, যা ২০১১ সালে সর্বোচ্চ ৮৬.০৯% ছিল।
ভৌগোলিকভাবে রামপুরহাট বীরভূমের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত, যেখানে লালমাটি ও অ্যালুভিয়াল জমির মিশ্রণ দেখা যায়। কৃষি, পাথর শিল্প এবং বনজ সম্পদ এখানে অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পাশাপাশি বারসাল এলাকায় একটি হালকা শিল্প পার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক থেকে রামপুরহাট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রামপুরহাট জংশন রেলপথের মাধ্যমে কলকাতা, আসানসোল এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত। সড়কপথেও এটি সিউড়ি, বোলপুর এবং পানাগড় শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত। ঝাড়খণ্ডের দেওঘর ও দুমকার সঙ্গে এর সরাসরি যোগাযোগ এটিকে একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে অপ্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে এসে BJP এই কেন্দ্রে তৃণমূলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ফলে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য লড়াই সহজ হবে না। BJP তাদের অবস্থান আরও মজবুত করতে চাইছে এবং কংগ্রেস-বাম জোট মুসলিম ভোটে ভাগ বসাতে পারলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
তবে যদি বিরোধী ভোট একজোট না হয়, তাহলে দীর্ঘদিনের এই শক্ত ঘাঁটিতে তৃণমূল কংগ্রেস সামান্য হলেও এগিয়ে থেকেই ২০২৬-এর নির্বাচনে প্রবেশ করবে।
Subhasis choudhury (khokan)
BJP
Sanjib barman (gopi)
CPI(M)
Nota
NOTA
Ibane rasul (angur miya)
BAHUMP
Bipad taran dom
BSP
Forida yasmin (keya)
SUCI
Syed siraj jimmi
INC
Dudh kumar mondal
BJP
Rabindranath soren (rabin)
IND
Nota
NOTA
Md hannan
AIFB
Tarak let
BSP
Ashis kumar pal
MPOI
M a zaman
SP
Md mursalim
SUCI