
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ আসন হলো হাসান বিধানসভা কেন্দ্র। বীরভূম লোকসভা আসনের অন্তর্ভুক্ত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে এটি একটি। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হাসান মূলত রামপুরহাট-২ এবং নলহাটি-২ ব্লক নিয়ে গঠিত। গত ১৪টি নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে কংগ্রেস-৮ বার। এরপর ভারতের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (RCPI) ৪ বার জিতেছে। ফরোয়ার্ড ব্লক ও তৃণমূল দু’দলই একবার করে জয়লাভ করেছে। কংগ্রেস ১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে টানা পাঁচবার জিতে দুই দশক ধরে এই আসনে আধিপত্য বজায় রাখে।
২০১১-য় কংগ্রেসের অসিত কুমার মাল RCPI-এর কমল হাসানকে ২৬,৪৫২ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬-য় তৃণমূল তাকে প্রার্থী হিসেবে দিয়ে কংগ্রেসের ভোটভিত্তি ভাঙার চেষ্টা করলেও উল্টো ফল হয়-কংগ্...
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ আসন হলো হাসান বিধানসভা কেন্দ্র। বীরভূম লোকসভা আসনের অন্তর্ভুক্ত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে এটি একটি। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হাসান মূলত রামপুরহাট-২ এবং নলহাটি-২ ব্লক নিয়ে গঠিত। গত ১৪টি নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে কংগ্রেস-৮ বার। এরপর ভারতের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (RCPI) ৪ বার জিতেছে। ফরোয়ার্ড ব্লক ও তৃণমূল দু’দলই একবার করে জয়লাভ করেছে। কংগ্রেস ১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে টানা পাঁচবার জিতে দুই দশক ধরে এই আসনে আধিপত্য বজায় রাখে।
২০১১-য় কংগ্রেসের অসিত কুমার মাল RCPI-এর কমল হাসানকে ২৬,৪৫২ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬-য় তৃণমূল তাকে প্রার্থী হিসেবে দিয়ে কংগ্রেসের ভোটভিত্তি ভাঙার চেষ্টা করলেও উল্টো ফল হয়-কংগ্রেসের মিল্টন রশিদ ১৬,১৫৪ ভোটে জয় পান। রশিদই হাসান থেকে নির্বাচিত একমাত্র মুসলিম বিধায়ক।
২০২১ সালে অবশেষে তৃণমূল এই আসনে জয় পায়। দলের প্রার্থী অশোক কুমার চট্টোপাধ্যায় বিজেপির নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫০,৬১৩ ভোটে হারান। হাসানে বিজেপির উত্থান খুব দ্রুত নয়, কিন্তু ধারাবাহিক। ২০১৯ লোকসভায় তারা তৃণমূলের পরে ২৯,৯১০ ভোটে দ্বিতীয়। ২০২৪ লোকসভায় সেই ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮,৯৫৮ ভোটে। যা তাদের ভোটভিত্তি আরও স্থিতিশীল হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
২০২৪ সালে এই কেন্দ্রে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ২,৫৯,৬৭৪ জন।
এর আগে, ২০২১: ২,৪৮,১১৩। ২০১৯: ২,৩৫,৯৩৪। মুসলিম ভোটার: ৫৪.৫০%। তফসিলি জাতি (SC): ২৭.৪৯%। শহুরে ভোটার: মাত্র ২.৫৭%
অর্থাৎ হাসান মূলত একটি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্র।
ভোটার উপস্থিতি সবসময়ই উচ্চ
২০২৪: ৮১.১৮%।
২০২১: ৮৫.১১%।
২০১৯: ৮৪.৫২%।
২০১৬: ৮৪.৪৪%।
হাসান ময়ূরাক্ষী নদীর অববাহিকার উর্বর সমভূমিতে অবস্থিত। ব্রাহ্মণী ও বাঁশলোই নদী সেচে সাহায্য করে। ধান, সর্ষে, শাকসবজি প্রধান ফসল।
ইটভাটা, চালকল ও হস্তশিল্প অতিরিক্ত আয়ের উৎস।
রাস্তাঘাট মোটরযান উপযোগী, তবে বর্ষায় কিছু অংশ খারাপ হয়। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থিতিশীল। জল সরবরাহ প্রধানত টিউবওয়েল ও হ্যান্ড পাম্প নির্ভর। স্বাস্থ্যসেবার জন্য রামপুরহাট ও নলহাটি হাসপাতালকেই ভরসা করতে হয়। রামপুরহাট থেকে ২৮ কিমি। নলহাটি থেকে ৪১ কিমি। জেলা সদর সিউড়ি থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে।
তৃণমূল ২০২১ সালে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় ২০২৬-এও তারা স্পষ্টতই এগিয়ে রয়েছে। বিজেপি আস্তে আস্তে শক্তি বাড়ালেও তৃণমূলকে টেক্কা দিতে আরও সময় লাগবে। কংগ্রেস-বাম জোট গত দু’টি নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে থাকলেও পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক নয়। তাদের সামান্য পুনরুত্থানও তৃণমূলের ভোটে টান পড়াতে পারে, যদিও বড় বিপর্যয়ের সম্ভাবনা কম। সব মিলিয়ে, হাসান বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৬ সালের ভোট হবে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে প্রধান লড়াই, যেখানে তৃণমূল এখনও একধাপ এগিয়ে।
Nikhil banerjee
BJP
Miltan rasid
INC
Nota
NOTA
Juthika dhibar
SUCI
Sushen das
BSP
Asit kumar mal
AITC
Ruparani mondal
BJP
Nota
NOTA
Prabir mukhopadhyay
BSP
Bikash let
WPOI
Ali tanser
SP
Manik mal
CPI(ML)(L)
Amal mondal
SUCI
Kamal hasan
RCPI(R)