
বনগাঁ উত্তর। উত্তর ২৪ পরগনার তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা আসন। এটি বনগাঁ লোকসভা আসনের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভার অন্যতম। সীমানা পুনর্বিন্যাস কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ২০১১ সালে নতুন করে গঠিত হয় এই আসন। গতবার এই আসনটি জেতে বিজেপি। ২০১১ ও ২০১৬ সালে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
বনগাঁ উত্তর আসনে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিশ্বজিৎ দাস ২০১১ এবং ২০১৬ সালে জয়ী হন। প্রথমবার সিপিএমের বিশ্বজিৎকুমার বিশ্বাসকে ২৩,৬২০ ভোটে এবং দ্বিতীয়বার ফরওয়ার্ড ব্লকের সুশান্ত বাওয়ালিকে ৩৩,১৯২ ভোটে হারান। ২০১৯ সালের ভোটের আগে বিশ্বজিৎ দাসের বিজেপিতে যোগ দেন। ওই বছরই তৃণমূলে ফিরে যান। বাগদা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিজেপি এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে। বনগাঁ উত্তরে তৃ...
বনগাঁ উত্তর। উত্তর ২৪ পরগনার তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা আসন। এটি বনগাঁ লোকসভা আসনের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভার অন্যতম। সীমানা পুনর্বিন্যাস কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ২০১১ সালে নতুন করে গঠিত হয় এই আসন। গতবার এই আসনটি জেতে বিজেপি। ২০১১ ও ২০১৬ সালে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
বনগাঁ উত্তর আসনে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিশ্বজিৎ দাস ২০১১ এবং ২০১৬ সালে জয়ী হন। প্রথমবার সিপিএমের বিশ্বজিৎকুমার বিশ্বাসকে ২৩,৬২০ ভোটে এবং দ্বিতীয়বার ফরওয়ার্ড ব্লকের সুশান্ত বাওয়ালিকে ৩৩,১৯২ ভোটে হারান। ২০১৯ সালের ভোটের আগে বিশ্বজিৎ দাসের বিজেপিতে যোগ দেন। ওই বছরই তৃণমূলে ফিরে যান। বাগদা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিজেপি এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে। বনগাঁ উত্তরে তৃণমূলের শ্যামল রায়কে ১০,৪৮৮ ভোটে হারান পদ্মশিবিরেরঅশোক কীর্তনীয়া। বনগাঁ উত্তরে বিজেপির উত্থানের ইঙ্গিত প্রথম পাওয়া গিয়েছিল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে। তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ে ২৮,৩৭০ ভোটে এগিয়ে ছিল পদ্ম শিবির। ২০২৪ সালেও এই লিড বজায় ছিল। তা সামান্য কমে হয় ২৫,০৩০ ভোট।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোটার ছিল ২,৫১,৩৮৭। মোট ভোটারের একটি বড় অংশ তফশিলি জাতির। ৩৯.৪১% তপশিলি ভোটার। অন্যদিকে মুসলিম ভোটার ১৩.৯০ শতাংশ। ৬২.৭০% গ্রামীণ এলাকার ভোটার। ৩৭.৩০% শহরাঞ্চলে বাস করেন। ভোটের হার বরাবরই বেশি ছিল। ২০২১ সালে ৮১.৮৬ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৮১.৪০ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৮২.৮০ শতাংশ। বনগাঁর ইতিহাস দেশভাগ এবং শরণার্থীদের সঙ্গে জড়িত। দেশভাগের পর এই এলাকাটি পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে আসা শরণার্থীদের বসতিতে পরিণত হয়। এই অঞ্চলে মতুয়া সম্প্রদায়ের উপস্থিতিও রয়েছে।
এখানকার ভূমি সমতল এবং ঊর্বর। কাছাকাছি ইছামতি নদী। সেচ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কৃষিই অধিকাংশ পরিবারের প্রধান জীবিকা। ধান, পাট এবং সবজি এখানকার প্রধান ফসল। এলাকায় শিল্পের সংখ্যা খুব কম। কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। বহু মানুষ কাজের সন্ধানে কলকাতায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেন।
রাজধানী কলকাতা থেকে প্রায় ৭৫ কিমি এবং জেলা সদর বারাসত থেকে প্রায় ৬০ কিমি দূরে অবস্থিত বনগাঁ উত্তর। উত্তরে নদিয়ার সীমানা। বনগাঁ থেকে রানাঘাটের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি এবং কৃষ্ণনগর প্রায় ৬৫ কিমি দূরে। পেট্রাপোল হয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত এখান থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে অবস্থিত।
গত দুটি লোকসভা এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভিত্তিতে এখানে সুবিধাজনক অবস্থানে বিজেপি। মতুয়া ভোট এখানে ফ্যাক্টর। সেই সঙ্গে পূর্ববঙ্গ থেকে এপারে আসা বহু মানুষের বাস। তাঁরা মূলত বিজেপির ভোটার। ফলে বনগাঁ উত্তরে কঠিন লড়াইয়ের মুখে শাসক দল তৃণমূল।
Shyamal roy
AITC
Pijush kanti saha
CPI(M)
Nota
NOTA
Dinesh das
IND
Suniti mallick
BSP
Subhasis biswas
IND
Arpita mondal
AMB
Arabinda biswas
IND
Shyamsundar haldar
SUCI
Subrata biswas
BMUP
Sushanta bowali
AIFB
K.d. biswas
BJP
Suniti mallick
BSP
Nota
NOTA
Juran chandra panday
RPI(A)
Shyamsundar halder
SUCI
Pinaki ranjan bharati
TRMRPPI