
নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত এবং রানাঘাট লোকসভা আসনের সাতটি কেন্দ্রের একটি। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আসন মোট ১৩ বার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৯৮৩, ২০১৫ এবং ২০১৯ সালের তিনটি উপনির্বাচন। কেন্দ্রটি কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক সম্পূর্ণ এবং হাঁসখালি ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে গঠিত।
দীর্ঘ সময় ধরে কৃষ্ণগঞ্জ সিপিআই(এম)-এর ঘাঁটি ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস বড় শক্তি হিসেবে ওঠার আগে বামফ্রন্ট টানা আটবার জয়ী হয়েছিল। সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী হিসেবে তিনবার জেতা সুশীল বিশ্বাস পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবং ২০১১ সালে ২০,৯৩৪ ভোটে জিতে আসনটি
ধরে রাখেন। তাঁর মৃত্যুর পর ২০১৫ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের সত্যজিৎ বিশ্বাস ৩৭,০৩৩ ভো...
নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রটি তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত এবং রানাঘাট লোকসভা আসনের সাতটি কেন্দ্রের একটি। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আসন মোট ১৩ বার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৯৮৩, ২০১৫ এবং ২০১৯ সালের তিনটি উপনির্বাচন। কেন্দ্রটি কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক সম্পূর্ণ এবং হাঁসখালি ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে গঠিত।
দীর্ঘ সময় ধরে কৃষ্ণগঞ্জ সিপিআই(এম)-এর ঘাঁটি ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস বড় শক্তি হিসেবে ওঠার আগে বামফ্রন্ট টানা আটবার জয়ী হয়েছিল। সিপিআই(এম)-এর প্রার্থী হিসেবে তিনবার জেতা সুশীল বিশ্বাস পরে তৃণমূলে যোগ দেন। এবং ২০১১ সালে ২০,৯৩৪ ভোটে জিতে আসনটি
ধরে রাখেন। তাঁর মৃত্যুর পর ২০১৫ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের সত্যজিৎ বিশ্বাস ৩৭,০৩৩ ভোটে জয়ী হন। এই নির্বাচনেই সিপিআই(এম) প্রথমবার তৃতীয় স্থানে নেমে আসে।
২০১৯ সালে বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের পর উপনির্বাচনে বিজেপির আশীষ কুমার বিশ্বাস ৩০,৮৬৬ ভোটে জিতে ঐতিহাসিক জয় পান। ২০২১ সালেও তিনি সেই ধারাকে বজায় রাখেন এবং তৃণমূলের তাপস মণ্ডলকে বড় ব্যবধানে হারান। একদা প্রভাবশালী সিপিআই(এম) এবার মাত্র ৪.৭১ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানেই রয়ে যায়। কংগ্রেস নিয়মিত লড়লেও এখনো জয়ের মুখ দেখেনি।
বিজেপির উত্থান সংসদীয় ভোটেও প্রতিফলিত, ২০১৯ সালে তারা তৃণমূলের চেয়ে ৩৭,৫০৭ ভোটে এগিয়ে ছিল। ২০২৪ সালেও সেই ধারা বজায় থাকে, ব্যবধান ২৭,১২৫। সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোট
থাকলেও বামেদের ভোট মাত্র ৫.৫৮ শতাংশে সীমাবদ্ধ।
২০২১ সালে কৃষ্ণগঞ্জে মোট ভোটার ছিল ২,৭৩,৭২৮। তফসিলি জাতি ভোটারই এখানে সবচেয়ে বড় অংশ, ৪২.৩৬ শতাংশ, তফসিলি উপজাতি ৪.১৯ শতাংশ এবং মুসলিম ভোটার প্রায় ৬ শতাংশ। কেন্দ্রটি মূলত গ্রামীণ। ৯২ শতাংশেরও বেশি মানুষ গ্রামে বাস করেন। ভোটদানের হার সবসময়ই উঁচু। ২০২১-এ ৮৪.৭৩%, ২০১৯-এ ৮৩.৮৩% এবং ২০১৬-তে ৮৪.৮৪%।
কৃষ্ণগঞ্জ সমতল পলিমাটি অঞ্চলে অবস্থিত। উর্বর মাটির কারণে ধান, পাট ও সরিষা এখানে প্রধান ফসল। চূর্ণী নদী কৃষিকে সম্বৃদ্ধ করেছে। দুগ্ধ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং ছোট শিল্প পরিবারগুলোর আয়ের পরিপূরক। বাদকুল্লা এবং ময়ূরহাট স্টেশন থেকে শিয়ালদা-গেদে
লাইনের রেলযোগাযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতাল ও স্থানীয় স্কুল-কলেজ এ অঞ্চলের প্রধান ভরসা।
নিকটবর্তী শহরের মধ্যে রানাঘাট ১৮ কিমি, কৃষ্ণনগর ৩৫ কিমি এবং চাকদহ ৪০ কিমি দূরে। গেদে সীমান্ত মাত্র ২৫ কিমি দূরে, বাংলাদেশের মেহেরপুর শহরও খুব কাছেই। পশ্চিমে পূর্ব বর্ধমান, উত্তরে মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিণে উত্তর ২৪ পরগনার সীমানা কৃষ্ণগঞ্জকে বহু দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং বিজেপির ক্রমবর্ধমান ভিত্তি দেখে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে স্পষ্ট। তৃণমূল তাদের হারানো মাটি ফিরে পেতে মরিয়া, বিশেষত গ্রামীণ ও সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে চাইবে। অন্যদিকে বিজেপি
২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ধারাবাহিক সাফল্যের জোরে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করতে চাইবে। সিপিআই(এম) সম্ভবত সীমিত প্রভাব ফেলবে।
Dr. tapas mandal
AITC
Jhunu baidya
CPI(M)
Nota
NOTA
Dipali biswas
BSP
Sanand adhikary
PMPT
Ashis biswas
IND
Asit baran biswas
SUCI
Anup kumar mondal
NDPOI
Mrinal biswas(mini)
CPM
Sujit kumar biswas
BJP
Nitya gopal mondal
INC
Rajnath sarkar
BSP
Nota
NOTA
Biplab kumar golder
NDPOI
Apurba biswas
SUCI