
জোড়াসাঁকো। একসময় কংগ্রেসের শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। এই আসনে ১১ বার জয়লাভ করেছে তারা। অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক এবং জনতা পার্টি যথাক্রমে ১৯৫২ এবং ১৯৭৭ সালে একবার করে জয় পেয়েছিল। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করার পর রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। ২০০১ সাল থেকে জোড়াসাঁকোয় টানা পাঁচটি নির্বাচনে জিতেছে তৃণমূল। ফলে এটা এখন তৃণমূলের শক্তঘাঁটি।
জোড়াসাঁকো সাধারণ বিধানসভা কেন্দ্র। কলকাতার একেবারে হৃদয়ে এই আসন। কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা আসনের অন্যতম। ১৯৫১ সাল থেকে ভোট হচ্ছে জোড়াসাঁকোয়। ১৭ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। কলকাতা পুরসভার ১১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। জোড়াসাঁকো নামটি এসেছে এক জোড়া বাঁশ বা কাঠের সেতু থেকে। 'জোড়া' মানে দুটো এবং '...
জোড়াসাঁকো। একসময় কংগ্রেসের শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। এই আসনে ১১ বার জয়লাভ করেছে তারা। অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক এবং জনতা পার্টি যথাক্রমে ১৯৫২ এবং ১৯৭৭ সালে একবার করে জয় পেয়েছিল। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করার পর রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যায়। ২০০১ সাল থেকে জোড়াসাঁকোয় টানা পাঁচটি নির্বাচনে জিতেছে তৃণমূল। ফলে এটা এখন তৃণমূলের শক্তঘাঁটি।
জোড়াসাঁকো সাধারণ বিধানসভা কেন্দ্র। কলকাতার একেবারে হৃদয়ে এই আসন। কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা আসনের অন্যতম। ১৯৫১ সাল থেকে ভোট হচ্ছে জোড়াসাঁকোয়। ১৭ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। কলকাতা পুরসভার ১১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। জোড়াসাঁকো নামটি এসেছে এক জোড়া বাঁশ বা কাঠের সেতু থেকে। 'জোড়া' মানে দুটো এবং 'সাঁকো' মানে সেতু। একসময় এই অঞ্চলে একটি খালের ওপর দিয়ে যাতায়াত ছিল। জোড়াসাঁকো ইতিহাস এবং সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান। তাঁর পৈতৃক বাসভবন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি। বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস। এই অঞ্চলটি ছিল বাংলার নবজাগরণের প্রাণকেন্দ্র। কালীপ্রসন্ন সিংহ এবং কৃষ্ণদাস পালের মতো ব্যক্তিত্বরা এখানেই কাজকর্ম করেছেন। আদি ব্রাহ্মসমাজ এবং ওরিয়েন্টাল সেমিনারির মতো প্রতিষ্ঠানগুলিও এই জোড়াসাঁকোয়।
টানা পাঁচ দফায় তৃণমূল জিতলেও এই জয়গুলি প্রায়ই এসেছে খুব সামান্য ব্যবধানে। ২০০১ সালে ৭৭৮ ভোট, ২০০৬ সালে ৮১৯ ভোট, ২০১৬ সালে ৬,২৯০ ভোট এবং ২০২১ সালে ১২,৭৪৩ ভোট। শেষবার বিজেপির মীনাদেবী পুরোহিতকে হারান বিবেক গুপ্ত।
লোকসভা নির্বাচনের ছবিটা অবশ্য ভিন্ন। গত তিনটি লোকসভা ভোটে জোড়াসাঁকো বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে বিজেপির চেয়ে পিছিয়ে থেকেছে। ভোটের ব্যবধান ২০১৪ সালে ছিল ১৬,৪৮২। যা ২০১৯ সালে কমে দাঁড়ায় ৩,৮৮২। কিন্তু ২০২৪ সালে তা আবার বেড়ে হয় ৭,৪০১। তা সত্ত্বেও ২০০৯ সাল থেকে ৪টি লোকসভা ভোটেই উত্তর লোকসভা আসনে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে জোড়াসাঁকোয় ভোটারের সংখ্যা ছিল ১,৯৭,৯৫০। যা ২০২৪ সালে সামান্য কমে হয়েছে ১,৯৭,৩৮৮। বাংলার অন্যান্য প্রান্তের তুলনায় এখানে ভোটার উপস্থিতির হার বেশ কম। ২০১৬ সালে ছিল ৫৩.৭৩%, ২০১৯ সালে বেড়ে হয় ৫৭.৪৫%, ২০২১ সালে কমে দাঁড়ায় ৫০.০৮% এবং ২০২৪ ৫৩.৫৮%। জয়ের ব্যবধান কম থাকার নেপথ্যে রয়েছে ভোটের হার।
এই নির্বাচনী কেন্দ্রটি রবীন্দ্র সরণি (চিৎপুর রোড) বরাবর অবস্থিত। কলকাতার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক অঞ্চল। এটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকা। পুরনো বাড়ি, সরু গলির মধ্যে এখনও খুঁজে পাওয়া যায় পুরনো কলকাতাকে। সড়কপথ এবং মেট্রো রয়েছে। বড়বাজার, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ এবং কলেজ স্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রয়েছে জোড়াসাঁকোয়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকোয় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। টানা পাঁচবার জয়ী হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের পায়ের তলার মাটি এখানে কিছুটা আলগা। বিজেপির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি এবং বড় অংশের অবাঙালি ভোটার চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিচ্ছে তাদের। এর মধ্যে বামেরা সামান্য শক্তিশালী হয়ে উঠলে ফল যে কোনও দিকে ঘুরে যেতে পারে।
Meena devi purohit
BJP
Ajmal khan
INC
Nota
NOTA
Nirmal kanti samaddar
BSP
Bijnan kumar bera
SUCI
Nawal mondal
IND
Sushanta ghosh
IND
Ranjit kumar thakur
IND
Anand singh kharwar
IND
Anil kumar choudhary
IND
Rahul(biswajit)sinha
BJP
Avinash kumar agarwal
RJD
Nota
NOTA
Uttam mali
BSP
Bijnan kumar bera
SUCI
Uttam acharya
IND
Sunil roy
IND
Manoj kumar jaiswal
JD(S)
Biswabasu mukherjee
IND
Shyamal samaddar
IND
Sanjeev kumar jain
IND