
হাওড়ার পাঁচলা। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি হাওড়া গ্রামীণের অন্তর্ভুক্ত। ফলে বুঝতেই পারছেন, এ অঞ্চলে একটা সময় বামপন্থীদের দাপট ছিল। ১৯৬২ সালে পাঁচলা বিধানসভা কেন্দ্রটি তৈরি হয়েছিল। সেই প্রথম নির্বাচনে জিতেছিল ফরওয়ার্ড ব্লক। তবে কালের নিয়মে পাঁচলার 'বাম গড়' আর নেই। ওই কেন্দ্রে এখন ঘাসফুলের দাপট।
১৯৬২ সালে তৈরি পাঁচলায় আজ পর্যন্ত ১৫টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রথম নির্বাচনে জিতেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের অপূর্বলাল মজুমদার। কয়েক দশক ধরে ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত ঘাঁটি ছিল পাঁচলা। একটা পরিসংখ্যান দিলেই স্পষ্ট হবে, ৭ বার আসনটি জিতেছিল বামেদের শরিক দল। শৈলেন মণ্ডল এবং সন্তোষকুমার দাসের মতো ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীরা একাধিকবার জয়লাভ করেছেন। চারবার জয়লাভ করেছে কংগ্রেস। ২০১১ স...
হাওড়ার পাঁচলা। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি হাওড়া গ্রামীণের অন্তর্ভুক্ত। ফলে বুঝতেই পারছেন, এ অঞ্চলে একটা সময় বামপন্থীদের দাপট ছিল। ১৯৬২ সালে পাঁচলা বিধানসভা কেন্দ্রটি তৈরি হয়েছিল। সেই প্রথম নির্বাচনে জিতেছিল ফরওয়ার্ড ব্লক। তবে কালের নিয়মে পাঁচলার 'বাম গড়' আর নেই। ওই কেন্দ্রে এখন ঘাসফুলের দাপট।
১৯৬২ সালে তৈরি পাঁচলায় আজ পর্যন্ত ১৫টি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রথম নির্বাচনে জিতেছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের অপূর্বলাল মজুমদার। কয়েক দশক ধরে ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত ঘাঁটি ছিল পাঁচলা। একটা পরিসংখ্যান দিলেই স্পষ্ট হবে, ৭ বার আসনটি জিতেছিল বামেদের শরিক দল। শৈলেন মণ্ডল এবং সন্তোষকুমার দাসের মতো ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীরা একাধিকবার জয়লাভ করেছেন। চারবার জয়লাভ করেছে কংগ্রেস। ২০১১ সাল থেকে তৃণমূলের রমরমা। টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেস এই আসনটি জিতেছে। এর মাঝে ১৯৭১ সালে পাঁচলায় একবার জিতেছিল সিপিএম।
প্রথমবার ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে গুলশন মল্লিক আসনটি জিতেছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে জেতেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির মোহিতলাল ঘাঁটিকে ৩২,৭৫১ ভোটের ব্যবধানে হারান। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পাঁচলা আসনে ৫৬,৬৫৮ ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। ভোটের হার ছিল ৫৭.৮৫%। বিজেপির ঝুলিতে ৩১.২১%।
ভোটার সংখ্যার দিক থেকে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পাঁচলা আসনে ২৩৫,২৯৬ জন ভোটার ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০,৫৩৫ জনে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় এই সংখ্যা আরও বাড়ে। সংখ্যাটা হল ২,৬৬,১৮৩। ভোটারদের মধ্যে সংখ্যালঘুরা একটি উল্লেখযোগ্য অংশ- প্রায় ৩৮.৯%। তফসিলি জাতির ভোটার ১৮.৫১%। এই নির্বাচনী এলাকাটি মূলত আধা শহুরে। সেই সঙ্গে রয়েছে গ্রামীণ এলাকাও। শহরের ভোটার সংখ্যা ৬৬.৪৩%। গ্রামীণ ভোটার সংখ্যা ৩৩.৫৭%। ২০১৬ সালে বিধানসভা ৮১.১৫ শতাংশ, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৭৭.৪১ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৭৯.৮৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
বছরের পর বছর ধরে এই অঞ্চলে ধীরে ধীরে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এই এলাকা মূলক কৃষিপ্রধান। কৃষি এবং সেই সংক্রান্ত পেশা বেশিরভাগ মানুষের। ধান, শাকসবজি এবং পাট চাষ হয়। ছোটখাট শিল্প বর্তমানে তৈরি হয়েছে। তবে বৃহৎ শিল্প তেমন নেই। সে কারণে এখানকার মানুষকে কলকাতা বা হাওড়া শিল্পাঞ্চলে আসতে হয়। বহু মানুষ ট্রেনে, বাসে ডেলিপ্যাসেঞ্জারিও করেন।
রাজ্যের রাজধানী কলকাতা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে পাঁচলা। সড়ক ও রেলপথে দিয়ে যুক্ত। হাওড়া শহর মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে। কাছের এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে ডোমজুড় (১০ কিলোমিটার), উলুবেড়িয়া (২০ কিলোমিটার) এবং বাগনান (৩০ কিলোমিটার)।
তৃণমূল কংগ্রেসের জবরদস্ত সংগঠন রয়েছে পাঁচলায়। সংখ্যালঘুদের ভোট তাদের দখলে। কালের নিয়মে বামেরা এখানে ক্ষয়িঞ্চু। তা গত কয়েকটি নির্বাচনেই তা স্পষ্ট হয়েছে। ফরওয়ার্ড ব্লক এখন অস্তিত্বহীন। কোনও সংগঠনই কার্যত নেই। ফলে লড়াইটা এখানে তৃণমূল বনাম বিজেপি। কর্মসংস্থান, শিল্প নির্বাচনী ইস্যু হলেও সংখ্যালঘু ভোটই এখন ফ্যাক্টর।
Mohit lal ghanti
BJP
Abdul jalil sk
RSSCMJP
Nota
NOTA
Amar chatterjee
AMB
Shyamal mondal
IND
Doli roy
AIFB
Bhabani prasad ray
BJP
Nota
NOTA
Shyamal mondal
IND
Ahmed hossain middya
IUC
Utpal kundu chowdhury
IND