
হাওড়া দক্ষিণ। হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা আসনের একটি। তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। এই আসনে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তিনবারই শাসক দল জয়ী।
এখানকার প্রায় সমস্ত ভোটারই শহুরে এলাকার। গ্রামীণ ভোটার মাত্র ০.৪২ শতাংশ। এই কেন্দ্রের ইতিহাস কয়েক দশক পুরনো। ১৯৫১ সালে হাওড়া শহরের চারটি বিধানসভা আসনের একটি হিসেবে ছিল হাওড়া দক্ষিণ। বাকি তিনটি ছিল উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনের আগে এই চারটি আসনই বিলুপ্ত করা হয়। এরপর অঞ্চলটিকে হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ এবং হাওড়া মধ্য- পুনর্গঠিত করা হয় তিন ভাগে। ২০০৬ সালের আবারও পুনর্বিন্যাস। এর ফলে হাওড়া দক্ষিণ, হাওড়া উত্তর ও হাওড়া মধ্য নামে নতুন চার আসন গঠিত হয়। ২০১১ সালে প্রথম ভোট।
২০১১ সালে সিপিএমে...
হাওড়া দক্ষিণ। হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭টি বিধানসভা আসনের একটি। তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। এই আসনে তিনটি বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তিনবারই শাসক দল জয়ী।
এখানকার প্রায় সমস্ত ভোটারই শহুরে এলাকার। গ্রামীণ ভোটার মাত্র ০.৪২ শতাংশ। এই কেন্দ্রের ইতিহাস কয়েক দশক পুরনো। ১৯৫১ সালে হাওড়া শহরের চারটি বিধানসভা আসনের একটি হিসেবে ছিল হাওড়া দক্ষিণ। বাকি তিনটি ছিল উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনের আগে এই চারটি আসনই বিলুপ্ত করা হয়। এরপর অঞ্চলটিকে হাওড়া উত্তর, হাওড়া দক্ষিণ এবং হাওড়া মধ্য- পুনর্গঠিত করা হয় তিন ভাগে। ২০০৬ সালের আবারও পুনর্বিন্যাস। এর ফলে হাওড়া দক্ষিণ, হাওড়া উত্তর ও হাওড়া মধ্য নামে নতুন চার আসন গঠিত হয়। ২০১১ সালে প্রথম ভোট।
২০১১ সালে সিপিএমের কৃষ্ণ কিশোর রায়কে ৩১,৪২২ ভোটে হারান তৃণমূলের ব্রজমোহন মজুমদার। ২০১৬ সালে তিনি সিপিএমের অরিন্দম বসুকে ১৬,১৯৪ ভোটে হারিয়ে নিজের আসন ধরে রাখেন। বার্ধক্যের কারণে ব্রজমোহন মজুমদার সরে দাঁড়ান। ২০২১ সালে নন্দিতা চৌধুরী তৃণমূলের প্রার্থী হন। বিজেপির রন্তিদেব সেনগুপ্তকে ৫০,৫৬৯ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালের তুলনায় বিজেপির ভোটের হার ২২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। অন্যদিকে, সিপিএমের জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পায়। তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান আরও বাড়ে। সিপিএমে ভোটের হার ২০১৬ সালে ছিল ৩৯.৫৩%। কমে ২০২৪ সালে ১২.৫৮ শতাংশে দাঁড়ায়।
বিজেপির উত্থান এবং সিপিএমের পতন শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে। ওই বছর সিপিএমকে ছাপিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস এই কেন্দ্রের শুরু থেকে কখনও হারেনি বা পিছিয়ে থাকেনি। এমনকি লোকসভা নির্বাচনেও তারা লিড ধরে রেখেছিল। ২০১৯ সালে তৃণমূল এখানে বিজেপির থেকে ২৪,৫৮৪ ভোটে এগিয়ে ছিল। যা ২০২৪ সালে বেড়ে ২৯,৬৭২ ভোট হয়। বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোট তৃতীয় স্থানে ছিল। ২০২১ সালে হাওড়া দক্ষিণে ভোটারের সংখ্যা ছিল ২,৯৪,২৪৩। ২০২৪ সালে ৩,০২,৫১৮। ভোটারদের মধ্যে মুসলিম ২০.১০%। তফসিলি জাতি ৭.০৬%। গ্রামীণ জনসংখ্যা অত্যন্ত সামান্য। সাঁকরাইল কয়েকটি ব্লকেই সীমাবদ্ধ।
২০১১ সালে ভোটদানের হার সর্বোচ্চ ৭৬.৮৪ শতাংশে পৌঁছেছিল। ২০২৪ সালে তা সর্বনিম্ন ৬৯.৯৫ শতাংশে নেমে আসে। অন্যান্য নির্বাচনে এই হার ছিল-২০১৬ সালে ৭৩.৫৮ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭৩.২১ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৭৩.৭৭ শতাংশ।
হাওড়া দক্ষিণের ইতিহাস হাওড়া শহরের উন্নয়নের সঙ্গে জড়িয়ে। নদী তীরবর্তী বাণিজ্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানার হাত ধরে গড়ে উঠেছিল এই শহর। হাওড়া ময়দান, হাওড়া ব্রিজ এবং শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের মতো পরিচিত জায়গাগুলো এখানেই অবস্থিত। ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, চটকল স্থানীয় অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল। তবে অতীতের সেই গৌরব আর নেই। এখন চটকলগুলির অধিকাংশই বন্ধ। গড়ে উঠেছে বড় বড় বহুতল।
হাওড়া স্টেশনের দূরত্ব প্রায় ৩ কিমি। ধর্মতলা ও বিবাদী বাগ ৬ কিমি দূরে। এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২৬-২৮ কিমি দূরে। মধ্য কলকাতার প্রধান শপিং ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলিও ১০ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যেই। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের জয় ধরে রাখতে চাইবে। তবে বিজেপিও ধারাবাহিকভাবে শক্তি বৃদ্ধি করছে। যা লড়াইকে কঠিন করে তুলতে পারে। এই এলাকায় হিন্দিভাষী ভোটারও প্রচুর। তাঁরা মূলত বিজেপিকেই ভোট দেন। ফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে এবার।
Rantidev sengupta
BJP
Sumitro adhikary
CPI(M)
Nota
NOTA
Sushanta mondal
IND
Amit kumar ghosh
JD(U)
Samrat chattopadhyay
IND
Tapas kumar das
SUCI
Mamata banerjee
IND
Samir bachar
IND
Rajesh kumar singh
IND
Sajal sardar
IND
Pabitra biswas
IND
Arindam basu (babu)
CPM
Sahana guha ray
BJP
Nota
NOTA
Srinath yadav
BSP
Joydeb santra
IND
Tapas das
SUCI
Suktara khan
IUC
Kashinath malick
IND
Subhrajit (liton) bhaduri
PDS
Asok krishna das
IND